বিএনপিকে প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি একটা মানুষের গায়ে হাত দিয়ে দেখুক

ঢাকা: বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়ার আন্দোলনের হুমকির পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন   প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। বর্তমান সরকারকে নির্বাচিত দাবি করে তিনি বিএনপিকে হুঁশিয়ার করেছেন এভাবে- “এখন দেশের একটা মানুষের গায়ে হাত দিয়ে দেখুক।” বৃহস্পতিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এই হুঁশিয়ারি দেন। সম্প্রতি ইতালি সফরের বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিএনপির সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দু-চারটা মানুষ মারার নাম আন্দোলন নয়। আন্দোলনের নামে আবারো হত্যা-অরাজকতা চললে সরকারকে কঠোর ভূমিকায় দেখতে হবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনের (৫ জানয়ারি) আগে ট্রানজিট গভার্নমেন্ট হিসেবে ছিলাম। তখন অনেক কিছু করতে পারি নাই। এখন আমরা দেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত সরকার। এখন দেশের একটা মানুষের গায়ে হাত দিয়ে দেখুক।” আন্দোলনের নামে কোনো ধরনের সহিংসতা হলে তা প্রতিহত করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বিএনপির সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, “খুনিদের সঙ্গে আলোচনার জন্য এত আকুলি-বিকুলি কেন? কী দিয়েছে বিএনপি, বলেন? কেন তাদের জন্য এত দরদ? তাদের জন্য এত দরদ কোথায় পেলেন?” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিবিসি এখনো আলোচনাতেই আটকে আছে। আপনারা আলোচনা আলোচনা করেন। আপনাকে যদি কেউ খুন করার চেষ্টা করে বা কেউ আপনার আত্মীয়কে হত্যা করেন, আমি যদি বলি আপনি তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন, আপনি করবেন?” বিএনপিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতির জনকের খুনিদের কারা পুনর্বাসিত করেছে? বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরির ব্যবস্থা করেছে। ২১ আগস্ট প্রকাশ্য দিবালোকে আমাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আইভী রহমানসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে।” এতে খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক মদদ দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পবিত্র হজ নিয়ে কটূক্তি করায় আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে সব ব্যবস্থাই নেয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কোনো ইস্যু না পেয়ে এটাকে ইস্যু করতে হবে এটা তো ঠিক নয়। তিনি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে যা যা ব্যবস্থা নেয়ার, সবই নিচ্ছি। এখানে এটাকে ইস্যু করে হরতাল ডাকার তো কিছু নেই।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইতিমধ্যে লতিফের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাকে যারা গ্রেফতারের কথা বলছেন তাদের বলি, তিনি (লতিফ) কোথায় আছেন? যদি আমাদের মুঠোয় থাকে, দেখিয়ে দেন।” বিস্তারিত»

স্বৈরাচার বিদায় করেছি, হাসিনাকেও বিদায় করব : খালেদা জিয়া

নীলফামারী সংবাদদাতা:আওয়ামী লীগ মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ারপারসন ও ২০দলীয় জোট নেতা বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, আওয়ামী লীগের আমলে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না। শেখ হাসিনাকে বিদায় করে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব। একদলীয় বাকশাল, একদলীয় শাসন নয়, বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব। আওয়ামী লীগকে বিদায় করে ঘরে ফিরব। সময়মতো আন্দোলনের ডাক দেব। এবার আর ব্যর্থ হবো না। অবশ্যই আগের মতোই জয়ী হব। রক্ত দেয়ার জন্য তৈরি আছি। স্বৈরাচার এরশাদকে বিদায় করেছি। হাসিনাকেও বিদায় করব।   তিনি আজ নীলফামারী জেলা ২০দলীয় জোটের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।   খালেদা জিয়া বলেন, সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে আঙ্গুল বাঁকা করতে হয়। প্রয়োজনে আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীন নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে। আগামী ৩০ তারিখ নাটোরে জনসভা আছে। জনগণের সাথে যোগাযোগ করে নিচ্ছি। আন্দোলন হবে, আওয়ামী লীগকে বিদায় করে ঘরে ফিরব।   বর্তমান নির্বাচন কমিশন ‘অথর্ব’ আখ্যা দিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, এ কমিশনকে দিয়ে কোনো নির্বাচন সম্ভব নয়। এ কমিশন বাতিল করে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য কমিশন গঠন করতে হবে, যারা নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। পুলিশ প্রশাসনকেও নিরপেক্ষ না করলে কোনো দিন ভোটের অধিকার ফিরে পাবে না জনগণ।   তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে মানুষ না থেকে কুকুর বসে থাকে। তারা আবার জনপ্রতিনিধি হয় কীভাবে। এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, এ অবৈধ সরকার নতুন নতুন আইন করছে। সম্প্রচার নীতিমালা করছে। নির্বাচিত না হয়ে কোনো আইন করা যায় না। জনবিচ্ছিন্ন হয়েই সরকার নতুন নতুন আইন করছে।   তিনি বলেন. গণতান্ত্রিক সরকার নেই বর্তমানে। তারা অবৈধ। এরা নির্বাচিত সরকার নয়। নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশ পরিচালনা করার অধিকার তাদের নেই। অবিলম্বে নির্বাচন দিতে হবে। ২০০৮ সালে ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর উপনির্বাচনগুলোতে যেভাবে ভোটকেন্দ্র দখল, ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে না দেয়া, যুলুম নির্যাতন করা হয়েছে- তখন কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হয় নাই। এমনকি এই অবৈধ সরকারের আমলে উপজেলা নির্বাচনে ভোটের বাক্স ছিনতাই করে, আগের দিন রাত তিনটার সময় ব্যালট বাক্স ভরে নিজেদের প্রার্থীকে বিজয়ী করেছে। আওয়ামী লীগের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না।   তিনি বলেন, এই অবৈধ সরকার মিথ্যার উপর ভর করে টিকে আছে। তাদের সাথে জনগণ নেই। জনগণ আছে বিএনপির সাথে।   এর আগে আজ বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে তিনি নীলফামারী জেলা স্কুল মাঠে পৌঁছান। চারটার দিকে তিনি বক্তব্য দেয়া শুরু করেন।   জেলা বিএনপির আহবায়ক আনিসুল আরেফীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে নীলফামারী হাইস্কুল মাঠে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় শুরু হওয়া এ জনসভায় জোটের স্থানীয় ও জাতীয় নেতারা বক্তব্য দেন।   এর আগে জোটনেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বহনকারী গাড়িবহর দুপুর ২টার দিকে নীলফামারী সার্কিট হাউজে এসে পৌঁছায়।   এদিকে, ২০দলীয় জোটের এ জনসভাকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর, গাইবান্ধা ও নীলফামারী জেলার বিএনপি ও ২০দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ দেখা দিয়েছে।   দুপুর ২টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হলেও সকাল থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী সমাবেশে যোগ দেয়ার জন্য নীলফামারী হাইস্কুল বড় মাঠের দিকে আসতে থাকে। সৈয়দপুরের পর থেকেই বিশেষ করে নীলফামারীর প্রবেশমুখ দাড়োয়ানী এলাকা থেকে জনসভা স্থলের ১২ কিলোমিটার রাস্তায় খালেদা জিয়ার গাড়িবহর জনতার ভীড় ঠেলে আসতে ঘণ্টাখানেকেরও বেশি সময় লাগে।   দুপুর গড়ানোর আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উঠে জনসভার বিশাল মাঠ। সকাল থেকে ২০দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের আধিক্য চোখে পড়ে। মাথায় জামায়াতের পট্টি বেধে হাজার হাজার নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে মাঠের দিকে আসেন। এরপর অন্য শরিক বাংলাদেশ ন্যাপের নেতাকর্মীরা মাথায় লাল টুপি ও লাল জামা-গেঞ্জি পড়ে মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন। জাগপারও বেশ কিছু নেতাকর্মীকে রঙিন পোষাকসহ সমাবেশের দিকে মিছিল নিয়ে আসতে দেখা যায়।   বেলা সোয়া ৩টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সমাবেশের মঞ্চে আসেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাসসহ সিনিয়র নেতারা জনসভায় বক্তব্য দেন।   এ ছাড়া শরিক জোটের নেতাদের মধ্যে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অব. অলি আহমদ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মে. জে. (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি, ইসলামী ঐক্যজোটের মওলানা আবদুল লতিফ নেজামি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মওলানা ইসহাক, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আব্দালিব রহমান পার্থ, সাম্যবাদী দলের আবু সাইদ, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মজিবর রহমানসহ ২০দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।   স্থানীয় নেতাদের মধ্যে, জামায়াতে ইসলামীর জেলা সেক্রেটারি মওলানা আবদুর রশিদ, বিএনপিসহ সভাপতি আলমগীর সরকার, সাবেক মহিলা সংসদ সদস্য বিলকিস ইসলাম, সৈয়দপুর পৌর মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার ভজে, জলঢাকা উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ আলী, ডোমার পৌরসভা মেয়র মনসুরুল ইসলাম দানু, জেলা বিএনপি নেতা মীর সেলিম, মোস্তফা ফিরোজ প্রমুখ বক্তব্য দেন। বিস্তারিত»

সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে বাঁকা করতে হয়: খালেদা

নীলফামারী: বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, “বর্তমান নির্বাচন কমিশন ‘অথর্ব’ মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, “এ কমিশন বাতিল করে এমন কমিশন গঠন করতে হবে, যারা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। তারা নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করবে।” তিনি বলেন, “সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করতে হয়। সোজা কথায় নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে আঙুল বাঁকা করতে হবে।” নীলফামারীতে ২০ দলীয় জোটের সমাবেশে বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া চারটায় তিনি এসব কথা বলেন। খালদা বলেন, “নির্বাচন কমিশন অথর্ব। এ কমিশনকে দিয়ে কোনো নির্বাচন সম্ভব নয়। এ কমিশন বাতিল করে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য কমিশন গঠন করতে হবে, যারা নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। পুলিশ প্রশাসনকেও নিরপেক্ষ না হলে কোনো দিন ভোটের অধিকার ফিরে পাবে না জনগণ।” তিনি বলেন. “গণতান্ত্রিক সরকার নাই বর্তমানে। তারা অবৈধ। এরা নির্বাচিত সরকার নয়। নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশ পরিচালনা করার অধিকার তাদের নেই। অবিলম্বে নির্বাচন দিতে হবে।” বিস্তারিত»

হরতালের সমর্থন নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে হেফাজত

ঢাকা: মহানবী (স) ও হজ সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্যকারী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার ও তার বিচারের দাবিতে রোববারের হরতালে সমর্থন নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে হেফাজতে ইসলাম। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় রাজধানীর জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে মহানগর হেফাজত আহবায়ক আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীসহ মহানগরের শীর্ষ নেতাদের কথায় রোববারের হরতালের সমর্থন নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠে।   সম্মিলিত ইসলামী জোটের হরতালে সমর্থনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মহানগর হেফাজত আহবায়ক আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেন,হরতালের সমর্থনের সিধান্ত নিবেন সংগঠনের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী। হেফাজতের মহানগর কমিটিরও তো হরতালের সমর্থন দেয়ার এখতিয়ার রয়েছে, তা হলে দিচ্ছেন কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে  নূর হোসাইন কাসেমী বলেন, “আমরা পরবর্তীতে বৈঠক করে সিধান্ত নেব।” বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের মহাসচিব মাওলানা জাফরুল্লাহ খান হরতাল ঘোষণা করেন। ইসলামী দলসমূহের বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার না করায় এ হরতাল ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে কাশেমী বলেন, সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রী ও দল থেকে বহিষ্কার করেছে। তিনি ইসলাম নিয়ে কূটক্তিকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন পাশ ও কার্য়করের দাবি জানিয়ে বলেন, “অভিশপ্ত নাস্তিক-মুরতাদ গোষ্ঠী আমাদের সমাজে মারাত্মক ক্যান্সার আকার ধারণ করেছে।” তিনি বলেন, “এসব নাস্তিক-মুরতাদদের বিরুদ্ধে দেশের ওলামা-মাশায়েকরা কঠিন আন্দোলন করে আসছে। কিন্তু ধর্মদ্রোহীদের আস্ফালন বন্ধ হচ্ছে। সুতারাং লতিফ গংদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আইন পাস করে তা কার্য়কর করার মাধ্যমে ধর্মদ্রোহিদের দাম্ভিকতা চিরতরে বন্ধ করতে হবে।”   এর আগে হেফাজতে ইসলাম হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগর লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার ও শাস্তি প্রদান এবং ধর্ম ও নবী অবমাননাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির আইন প্রণয়নের দাবিতে শাখা গত ২ অক্টোবর বায়তুল মোকাররম উত্তরগেট থেকে বিক্ষোভের কর্মসূচি দিলেও পুলিশি বাধায় তারা রাস্তায় বের হতে পারেননি। তখন বায়তুল মোকাররম চত্বরে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্যকালে আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী লতিফ সিদ্দিকীর বিচারসহ দাবি মেনে নেয়ার জন্য ২০ দিনের আলটিমেটাম দেন। বিস্তারিত»

জাতিসংঘের পানি নিয়ে যুদ্ধ শুরু

ঢাকা: আগামী বিশ্বে লড়াই হবে পানি নিয়ে। কথাটা, গত ২০০৩ সালে বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে বলা হয়েছিল। কিন্তু এতো দ্রুত যে পানি নিয়ে লড়াই শুরু হয়ে যাবে তা কে ভাবতে পেরেছিল। ব্রাজিলের সাও পাওলোসহ বেশ কয়েকটি শহর ইতোমধ্যে পানির অভাবে রীতিমতো লড়াই করছে। একদিকে সরকারের পক্ষ থেকে পানির বিকল্প উৎসের সন্ধান করা হচ্ছে, অন্যদিকে জীবন বাঁচানোর তাগিদে শহর ছেড়ে মানুষ অন্যত্র চলে যাচ্ছে। শুধু ব্রাজিল নয় আরও অনেক দেশেই এখন পানির সংকট শুরু হয়েছে। সম্প্রতি পানিশূণ্যতা দেখা দিয়েছে পশ্চিমের উন্নত দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট রাজ্যে। আর এই পানিশূণ্যতা নিয়ে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে গণঅসন্তোষ। ডেট্রয়েট বাসিন্দা র‌্যাচেল ম্যাকক্যাসকিল বলেন, ‘যারা পানির বিল দিতে পারে না তাদের জন্য কর্তৃপক্ষের উচিত আলাদা ব্যবস্থা নেয়া। ৬০০ ডলার বাসা ভাড়া দেবার পর ৬৭২ ডলার পানির বিল দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। গরমের সময়ে পানি না হলে জীবন বাঁচানো মুশকিল। এই শহরে হাজারো বাসিন্দা আছে যারা পানির অভাবে দিন কাটাচ্ছে।’ গত সোমবার জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি ক্রাটরিনা ডি বুকারকুয়ের উপস্থিতিতে একটি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে ক্যাটরিনা বলেন, ‘এই শহরে পানির লাইন সংযোগহীন বাড়ি দেখে আমি অবাক। পানি ছাড়া মানুষ এখানে বেঁচে থাকার লড়াই করছে। যারা দরিদ্র অথবা যাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়, তারা কি তাহলে পানি ছাড়া থাকবে। আমি জাপানের মতো ধনী দেশগুলোতে দেখেছি সেখানকার ৯৯ শতাংশ মানুষ পর্যাপ্ত পানি পায়। আবার অনেক দরিদ্র দেশেও দেখেছি প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যাকে পানির অভাবে থাকতে। কিন্তু ডেট্রয়েটে পানি এখন হিসেব করে খরচ করতে হচ্ছে। যে কারণে স্থানীয়দের ভেতর গভীর অসন্তোষ দেখা যাচ্ছে।’ জাতিসংঘের একাধিক সংস্থা বিভিন্ন দেশে পানির সংকট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু প্রকৃতিগত ভাবেই ধীরে ধীরে পানির স্তর কোথাও শুকিয়ে গেছে, আবার কোথাও তা নিচে নেমে গেছে। যে কারণে সাধারণ জনগোষ্ঠির পক্ষে বিপুল অর্থ খরচ করে পানি কেনা সম্ভব হচ্ছে না। উন্নত দেশগুলোকে এই সমস্যা নিরসনে আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন। বিস্তারিত»

ছবি ঘর

  • holo gram baby
  • political picture
সিপিএ ও আইপিইউতে জয় জাতীয় পার্টির অবদান : এরশাদ

ঢাকা:জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, সিপিএ ও আইপিইউতে বিজয় জাতীয় পার্টির অবদান। জাতীয় পার্টির কারণে এই জয় অর্জিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে উপজেলা দিবস উপলক্ষে দলটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এরশাদ এ কথা বলেন। এরশাদ বলেন, যদি ৫ জানুয়ারির নির্বাচন না হতো তাহলে সংসদ থাকতো না । এই সরকার থাকতো না। জাতীয় পার্টি যদি জাতীয় পার্টি নির্বাচন না করতো তাহলে সংসদ ও সরকার থাকতো না। এই জয়ে জাতীয় পার্টির অবদান আছে। এরশাদ আক্ষেপ করে বলেন, সিপিএ ও আইপিওতে জয়ে লাভ কি হল? দেশ কি পেল? দেশে সুশাসনের অভাব। দুঃশাসন চলছে। কথা বললেই গুম-খুন। আমরা এর অবসান চাই। জনগণ এর পরিবর্তন চায়। এরশাদ বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, যেদল উপজেলা ব্যবস্থা বাতিল করেছিল। সেই দল এখন বাতিলের পথে।  সেই স্থান জাতীয় পার্টিকে নিতে হবে। এরশাদ বলেন, এখন মানুষের মনে শান্তি নেই। মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারে না। কে কখন ধরে নিয়ে যায়। গাড়িতে চড়েও এখন কেউ নিরাপদ নয়। ঢাকা সিটিকে দুইভাগ করার সমালোচনা করে এরশাদ বলেন, বাংলাদেশের রাজধানী কোনটা? উত্তর, না কি দক্ষিণ। ঢাকাকে বিভক্ত করার কোন দরকার ছিল না। দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে সমাবেশে জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ বাবলু, প্রেসিডিয়াম সদস্য এম এ হান্নান, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম রুবেল বক্তব্য রাখেন।

বিস্তারিত»
'সংযুক্ত আরব আমিরাতে অভিবাসী গৃহকর্মীরা নির্যাতনের শিকার'

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আজ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বলছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের অভিবাসী গৃহকর্মীরা প্রায়ই নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। এসব গৃহকর্মীদের অধিকাংশই নারী শ্রমিক, যারা মূলত ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা, নেপাল এবং ইথিওপিয়া থেকে এসেছেন। এদের মধ্যে বহু বাংলাদেশী নারী রয়েছেন, যারা কিনা সেখানে বেতনভাতা, ছুটি কিংবা বিশ্রাম থেকে বঞ্চিত হয়ে দৈনিক ২১ ঘন্টা পর্যন্ত কাজ করছেন। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এসব অভিবাসী গৃহকর্মীদের পর্যাপ্ত খাবার দেয়া হয়না, উল্টো তাদের উপর চালানো হচ্ছে নানা যৌন উৎপীড়ন, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। জোরপূর্বক তাদের বিভিন্ন ধরনের কাজে নিয়োজিত করা হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতে কাফালা নামে পরিচিত বিশেষ ভিসা ব্যবস্থাপনায় গৃহকর্মীদের উপর দিনের পর দিন নির্যাতন চালানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।বিবিসি

বিস্তারিত»
সন্ত্রাসী সাজিয়ে পুলিশের গুলি শাহ আলমের চিকিৎসার খরচ দিতে নির্দেশ

ঢাকাঃ সন্ত্রাসী সাজিয়ে গাড়িচালক শাহ আলমকে গুলি করে আহত করার  ঘটনায় তার চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত ও চিকিৎসার খরচ বহন করতে বিবাদীদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।    একই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তা ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে ডিএমপি কমিশনারকে বলা হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের করা এক রিটের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রুলে ওই ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা কেন নেয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, শেরে বাংলানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট উপপরিদর্শককে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। ‘দুই পায়ে গুলি করে যুবককে সন্ত্রাসী সাজাল পুলিশ!’ শিরোনামে গত ২২ অক্টোবর প্রথম আলোতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি যুক্ত করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদনটি করা হয়। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না। সঙ্গে ছিলেন অবন্তী নুরুল। শাহ আলমকে গুলির ঘটনায় ইতিমধ্যে শেরে বাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার ও ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মমিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।  

বিস্তারিত»
জামায়াতের হুমকিতে বিএনপি চুপ!

নীলফামারী: অন্যান্য সময়ের চেয়ে নীলফামারীতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলের সমাবেশ একটু আগেভাগে শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগে মঞ্চে আসেন সমাবেশের প্রধান অতিথি বেগম খালেদা জিয়া। জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ইতালী সফর নিয়ে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের কারণে খালেদা জিয়া একটু আগেই বক্তব্য শুরু করেন।সে কারণে শেষও হয় আগেভাগে। আর দ্রুত সমাবেশ করার জন্য বক্তাদেরও সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়। বিএনপি ও জোটের কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেককে এক মিনিট সময় বেঁধে দেয়া হয়।অনেকে সময়সীমার মধ্যে বক্তব্য শেষ করতেও দেখা গেছে। প্রটোকল অনুযায়ী বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থর পরে বক্তব্য শুরু করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমান। শুভেচ্ছা জানানোর পর কারাবন্দি দলের সাবেক আমির গোলাম আজমের সুচিকিৎসার জন্য সরকারের বিদেশে পাঠিয়ে দেয়া উচিত ছিল। কিন্তু সরকার তা করেনি। এই বক্তব্য দেয়ার পরই পেছন থেকে সমাবেশের সঞ্চালক নীলফামারী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. সামসুজ্জামান জামান তাকে বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করার জন্য বলেন। এসময় তিনি কিছুটা বিরক্ত হয়ে ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “জামায়াত একটা দল। এক মিনিটে হবে না।” পরে তিনি আবার বক্তব্য  শুরু করেন। এবং পাঁচ মিনিটেরও বেশি সময় বক্তব্য রাখেন।

বিস্তারিত»
আন্দোলনে নিহতদের স্বজনদের খালেদার আর্থিক সহায়তা

নীলফামারী: পাঁচ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে সহিংসতায় নিহত চারজনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। নিহতরা সবাই নীলফামারী জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সমাবেশ শেষ করে সার্কিট হাউজে এ সহায়তা দেন বিএনপি প্রধান। বিএনপি নেতা গোলাম রাব্বানী, ছাত্রদল নেতা আতিকুর রহমান, শিবিরকর্মী মহিদুল ইসলাম ও পথচারী আবু বকর সিদ্দিক নির্বাচনের আগে সহিংসতায় নিহত হন। খালেদা জিয়া সার্কিট হাউজে এসব নেতাকর্মীদের পরিবারের সদস্যদের স্বান্তনা দেন। জানা গেছে, প্রত্যেক পরিবারকে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়।

বিস্তারিত»
ছাতকে পৌর জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

ছাতক প্রতিনিধিঃ কেন্দ্রিয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ছাতক পৌর জামায়াতের উদ্যোগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে  পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কারাবন্দী নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবীতে পৌর জামায়াতের আমীর এড.রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে ও কর্মপরিষদ সদস্য লুৎফুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট সুফি আলম সোহেল, ছাতক পৌর শিবির সভাপতি শাহীন কাওছার সানী, সেক্রেটারী মুহাম্মদ আলী তারেক, ছাতক থানা উত্তর শিবির সেক্রেটারী সুজাউল কবির শামীম, জামায়াত নেতা নজমুল হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার ইব্রাহীম সাদেক প্রমুখ। বক্তারা বলেন, গণঅভ্যূত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী বন্দীশালা হতে নেতৃবৃন্দকে মুক্ত করা হবে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য ও এক দলীয় বাকশালী শাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য নিরপরাধ জামায়াত শিবির নেতৃবৃন্দকে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক মামলা দিয়ে বন্দী করে রাখা হয়েছে।

বিস্তারিত»
নিঝুম দ্বীপে ভূমি বরাদ্দে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

ঢাকা: শত শত হরিণের চারণভূমি ‘নিঝুম দ্বীপ’-এ জায়গা বরাদ্দ ও সেখানে যেকোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই এলাকায় যাদের ভূমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, তাদের তালিকা আদালতে দাখিল করতেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবু বকর ও ফটোসাংবাদিক রকিবউদ্দিন এনায়েতের করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেয়া হয়। নিঝুম দ্বীপের বনভূমি রক্ষার নির্দেশনা চেয়ে এ রিট আবেদন করা হয়। নিঝুম দ্বীপে দেয়া ভূমি বরাদ্দ কেন বাতিল এবং এ সংরক্ষিত বনভূমি রক্ষায় সরকারের ব্যর্থতাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রসচিব, পরিশে ও বনসচিব, ভূমিসচিব, প্রধান বন সংরক্ষক, পুলিশের আইজি, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ ১৭ জনকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার মাহমুদ হাসান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমী। আবেদনে বলা হয়, ২০১২ সালের ১৯ নভেম্বর  সরকার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিঝুম দ্বীপকে সংরক্ষিত বনভূমি হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু এ সংরক্ষিত বনভূমি অবৈধভাবে দখল হয়ে যাচ্ছে। অবাধে নিধন করা হচ্ছে বন্য প্রাণী ও বৃক্ষ। ফলে পরিবেশগত ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে নিঝুম দ্বীপ।

বিস্তারিত»
বিএনপিকে প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি একটা মানুষের গায়ে হাত দিয়ে দেখুক

ঢাকা: বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়ার আন্দোলনের হুমকির পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন   প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। বর্তমান সরকারকে নির্বাচিত দাবি করে তিনি বিএনপিকে হুঁশিয়ার করেছেন এভাবে- “এখন দেশের একটা মানুষের গায়ে হাত দিয়ে দেখুক।” বৃহস্পতিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এই হুঁশিয়ারি দেন। সম্প্রতি ইতালি সফরের বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিএনপির সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দু-চারটা মানুষ মারার নাম আন্দোলন নয়। আন্দোলনের নামে আবারো হত্যা-অরাজকতা চললে সরকারকে কঠোর ভূমিকায় দেখতে হবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনের (৫ জানয়ারি) আগে ট্রানজিট গভার্নমেন্ট হিসেবে ছিলাম। তখন অনেক কিছু করতে পারি নাই। এখন আমরা দেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত সরকার। এখন দেশের একটা মানুষের গায়ে হাত দিয়ে দেখুক।” আন্দোলনের নামে কোনো ধরনের সহিংসতা হলে তা প্রতিহত করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বিএনপির সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, “খুনিদের সঙ্গে আলোচনার জন্য এত আকুলি-বিকুলি কেন? কী দিয়েছে বিএনপি, বলেন? কেন তাদের জন্য এত দরদ? তাদের জন্য এত দরদ কোথায় পেলেন?” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিবিসি এখনো আলোচনাতেই আটকে আছে। আপনারা আলোচনা আলোচনা করেন। আপনাকে যদি কেউ খুন করার চেষ্টা করে বা কেউ আপনার আত্মীয়কে হত্যা করেন, আমি যদি বলি আপনি তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন, আপনি করবেন?” বিএনপিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতির জনকের খুনিদের কারা পুনর্বাসিত করেছে? বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরির ব্যবস্থা করেছে। ২১ আগস্ট প্রকাশ্য দিবালোকে আমাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আইভী রহমানসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে।” এতে খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক মদদ দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পবিত্র হজ নিয়ে কটূক্তি করায় আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে সব ব্যবস্থাই নেয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কোনো ইস্যু না পেয়ে এটাকে ইস্যু করতে হবে এটা তো ঠিক নয়। তিনি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে যা যা ব্যবস্থা নেয়ার, সবই নিচ্ছি। এখানে এটাকে ইস্যু করে হরতাল ডাকার তো কিছু নেই।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইতিমধ্যে লতিফের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাকে যারা গ্রেফতারের কথা বলছেন তাদের বলি, তিনি (লতিফ) কোথায় আছেন? যদি আমাদের মুঠোয় থাকে, দেখিয়ে দেন।”

বিস্তারিত»
লন্ডন এশায়াতুল ইসলামের খতমে বোখারী ২৫-২৬ অক্টোবর  প্রধান অতিথি:তফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী

বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাচ্ছিরে কুরআন, হবীগঞ্জ উমেদনগর মাদ্রাসার স্বনামধন্য প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদীস, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি, বিশ্ববরণ্য আলেম শায়খুল হাদীস আল্লামা তাফাজ্জুল  হক হবীগঞ্জী ১০ দিনের এক সংক্ষিপ্ত সফরে ব্রিটেনে অবস্থান করছেন । এশায়াতুল ইসলামের প্রিন্সিপাল মাওলানা তহুর উদ্দীন, জমিয়তে উলামা ইউকের  ট্রেজারার হাফিজ হোসাইন আহমদ বিশ্বনাথী প্রমুখ উলামায়ে কেরাম  হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে আল¬ামা হবিগঞ্জকে ইস্তেকবাল করে নিয়ে যান। ২৫-২৬ অক্টোবর লন্ডন এশায়াতুল ইসলামের উদ্যোগে ১৩ তম বাষিক ইসলামী মহাসম্মেলন ও পবিত্র খতমে বোখারী উপলক্ষে আয়োজিত ২ দিন ব্যাপী সম্মেলনে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। শনিবার সাড়ে ৪ ঘটিকা থেকে এশা পর্যন্ত এবং রোববার বিকেল ৩:১৫ ঘটিকা থেকে এশা পযন্ত সম্মেলন চলবে। এশায়াতুল ইসলামের প্রিন্সিপাল মাওলানা তহুরউদ্দীন এবং এশায়াতুল ইসলাম মসজিদের খতীব হাফিজ মাওলানা শামসুল হক উক্ত অনুষ্ঠানে সকল ধর্মপ্রাণ মুসলি¬গনের উপস্থিতি কামনা করেছেন। এদিকে, আল¬ামা হবিগঞ্জীর এবারের ইংল্যান্ড সফর সর্ম্পকে জমিয়তে উলামা ইউকের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সৈয়দ নাঈম আহমদ জানিয়েছেন, আগামী ৩১ অক্টোবর শুক্রবার জমিয়তে উলামা ইউকের উদ্যোগে লন্ডন এ আয়োজিত মুরতাদ লতিফ সিদ্দিকীর ফাসিঁর দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশে আল¬ামা তফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন। ইংল্যান্ডে আল¬ামা হবিগঞ্জীর সাথে যোগাযোগের নাম্বার হলো : ০৭৯২৩৬০৬৯৪৩, ০৭৫০৮০৫৪২৬৩।  

বিস্তারিত»
জমিয়তের বিশাল কনফারেন্সে জাতীয় নেতৃবৃন্দের ঘোষণা: লতিফ সিদ্দিকী যে দিন দেশে ফিরবে সেদিন থেকে লাগাতার হরতাল

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ হবিগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত  ‘জেলা জমিয়ত কনফারেন্স এ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং ধর্মীয় তাহযিব তামাদ্দুন হুমকির সম্মুখিন। সংবিধান থেকে আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস তুলে দেওয়ার পর থেকে একেরপর এক ইসলামের বিরুদ্ধে আঘাত হানা হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষা নীতি, নারী নীতিতে ইসলাম বহিভুত অনেক আইন জাতির গারে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সরকারের একজন মন্ত্রী প্রকাশ্যে মহানবী (সা), পবিত্র হজ্ব ও তাবলীগ জামাতের বিরুদ্ধে কটুক্তিকরে ধর্ম প্রাণ মুসলমানদের কলিজায় আগুণ জালিয়েদিয়েছে। এই আগুন সহজে নেভানো যাবেনা। তারা বলেন, লতিফ সিদ্দিকীকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে ফাঁসি দিতে হবে। সে যদি বাংলাদেশে প্রবেশ করে সেদিন থেকেই গোটা বাংলাদেশে আন্দোলনের দাবানল জ্বলে উঠবে। দেশে প্রবেশের সাথে সাথে গ্রেফতার করা না হলে লাগাতার হরতাল চলবে। নেতারা কঠোর হুশিয়ারী উচ্ছারণ করে বলেন, মুরতাদ লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দেওয়া না হলে যে কোন অনাকাংখিত গঠনার জন্য শেখ হাসিনার সরকার দায়ী থাকবেন। গত ১৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা র্পযন্ত হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কনফারেনসে সভাপতিত্ব করেন, দেশের প্রবীন শায়খুল হাদীস ও জেলা জমিয়তের সভাপতি আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জি। আলহাজ্ব ক্বারী ফরিদ উল্লাহ ও  মাওলানা আব্দুল মালিক চেীধুরীর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সভাপতি মাওলানা মোস্তফা আজাদ,সিনিয়র সহ সভাপতি আল্লামা নুর হোসাইন কাসেমী,সহসভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফি,  মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মহাসচিব সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মুফতি ওয়াক্কাস, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া, সাবেক এমপি মাওলানা শাহীনূর পাশা চৌধুরী, জমিয়তে উলামা ইউকের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও কেন্দ্রীয় আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শুয়াইব আহমদ, হবিগঞ্জ পৌর মেয়র জি কে গৌছ, জমিয়তের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মাওলানা গোলাম মুহিউদ্দীন ইকরাম, শায়খুল হাদীস আব্দুস শহিদ গলমুকাপনী, কেন্দ্রীয়সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি রেজাউল করিম, ছাত্র জমিয়ত ব্ংালাদেশ এর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, সিলেট মহানগর জমিয়তের সহসভাপতি মাওলানা সৈয়দ শামিম আহমদ, জেলা জমিয়তের সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা জয়নুল আবেদীন, মাওলানা আয়ুব বিন সিদ্দিক, বানিয়াচং আলিয়া মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা মুবাশ্বির আহমদ, মাওলানা  আব্দুল জলিল ইউসুফি, মুফতি মুশতাক ফুরকানী, মাওলানা রুহুল আমীন নগরী প্রমুখ। সংগীত পরিবেশন করেন, হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার,জাকারিয়া আহমদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন। যে যা বল্লেন, আল্লামা নুর হোসাইন কাসেমী বলেন, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব আমাদের ঈমান আকিদা আজ হুমখীর সম্মুখিন । তাই জাতিকে আজ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন, সরকারের ইসলামে বিপক্ষের শক্তি। শাপলা চত্বরের শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে পারেনা  এদেশেই ইসলামী হুকুমত কায়েম হবেই ইনশা আল্লাহ। মুফতি ওয়াক্কাস বলেন, জাতির দুদিনে হক্কানী উলামায়ে কেরামকেই  এগিয়ে আসতে হবে। তিনি জমিয়তকে আকাবির উলামায়ে কেরাম ও অকোতুভয় সৈনিকের দল উল্লেখ করে বলেন, সারাদেশের আলেম সমাজকে ঐক্যবদ্ধহয়ে রাজপথে নেমে আসতে হবে। তবেই এদশ থেকে নাস্তিক মুরতাদ খতম হবে। জুনায়েদ আল হাবীব বলেন, এই অবৈধ সরকারের অবৈধ মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী ইসলামের অন্যতম স্থম্ভ পবিত্র হজ্বের বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখে মুরতাদে পরিনত হয়েছে। লতিফ সিদ্দিকী আর তসলিমা নাসরিম একই সুত্রে গাথা। তিনি বলেন, এই মুরতাদ যে দিন বাংলার যমিনে প্রবেশ করবে সে দিন থেকেই তাঁর স্থান হতে হবে কারাগার আর সেখান থেকেই ফাসিঁ দিতে হবে। দেশে প্রবেশের সাথে সাথেই গোটা বাংলাদেশে আন্দোলনের দাবানল জ্বলে উঠবে। সেদিন থেকেই লাগাতার হরতাল চলবে। বিকেল চারটায় সম্মেলন শেষে জেলা পরিষদ হল থেকে পদ যাত্রাসহকারে কয়েক হাজার জমিয়ত কমী নুরুল হেরা পযর্ন্তযান। সেখানে মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তিঘটে। সভাপতি ভাষণে আল্লামা তাফাজ্জুল হক বলেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতৃত্বেই এদেশে ইসলামী হুকুমত কায়েম হবে। আল্লাহর যমিনে আল্লাহর নেযাম কায়েমের সংগ্রামে সর্বস্থরের জনতাকে জমিয়তের ছায়াতলে সমবেত হওয়ার আহবান জানান। লতিফ সিদ্দিকীর ফাসিঁসহ তিনি অবিলম্বে তত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে সুষ্ট নিবাৃচনের ও দাবী জানান।  তিনি বলেন, আমরা কোন শ্লোগান দিবনা, বিশৃংখলা সৃষ্টিকরবোনা। কেউ যদি আমাদের পদ যাত্রায় বাধাদেয় তাহলে আমরা মুখে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর জিকিরের সাথে রাস্তায় শুয়ে পড়বো।  

বিস্তারিত»
লন্ডনে কারি লাইফ ম্যাগাজিন ৩৩জন শেফকে এওয়ার্ডে ভূষিত করলো, ৩ জন পেলেন আজীবন সম্মাননা

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ-লন্ডন থেকে:বিগত পাঁচ বছর ধরে কারি লাইফ ম্যাগাজিন ব্রিটেনের শেফ, ক্যাটারার্সদের মধ্য থেকে, একইসাথে এই রন্ধন শিল্পকে আরো জনপ্রিয় ও আকর্ষণীয় এক শিল্পে রূপান্তরিত করার লক্ষে বেস্ট শেফ এওয়ার্ড প্রদান করে আসছে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ছিলো পঞ্চমবারের মতো তাদের এই শেফ এওয়ার্ড অনুষ্ঠান। জমজমাট আর স্মরণকালের বৃহৎ এই অনুষ্ঠানে এবার ব্রিটেনের নামকরা শেফ ছাড়াও ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন সহ নানা সংগঠনের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ যেমন ছিলেন, তেমনি ছিলেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের একডজন এমপি, মন্ত্রী। এছাড়াও ভারতের কোলকাতা ও হায়দ্রাবাদ থেকে এসেছিলেন সেলেব্রিটি শেফ উপল মন্ডল ও লার্স উইন্ডফাহর। লন্ডনের ল্যাংকাস্টার হোটেলে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে এবার ৩৩ জন সেরা শেফকে পুরষ্কারে সম্মানিত করা হয়, তিনজনকে দেয়া হয় আজীবন সম্মাননা।   অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কারি লাইফ ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ নাহাস পাশা বলেন, এই শিল্পে যারা কাজ করেন তাদের দক্ষতার উপরই মূলত একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভর করে। তিনি বলেন, এখানে যারা কঠোর পরিশ্রম করে রন্ধন শিল্পকে ভোজন পিয়াসীদের কাছে সুস্বাদু ও মজাদার করে তুলেন, তারা সাধারণত কিচেন বা অন্ধর মহলে কাজ করেন, যারা বাইরে আসার সুযোগ খুব একটা পাননা। আমরা তাদেরকে বাইরের পৃথিবীতে নিয়ে আসার মাধ্যমে তাদের নিষ্ঠা ও শ্রমের স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে সকলের কাছে পরিচিতি করে তুলেছি এই কারণে যাতে তাদের সুখ দুঃখের অংশীদার হয়ে, তাদের সফলতার সঙ্গী হয়ে এই শিল্পকে মর্যাদার আসনে নিয়ে গিয়ে পুরস্কৃত করা যায় এবং সাথে সাথে জনপ্রিয় করে তুলা যায়।পাঁচ বছরের আমাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এখন এই পেশাকে নিয়ে সকলেই গর্ব করেন, এই যে ইতিবাচক এক দৃষ্টিভঙ্গি- সেজন্য কারি লাইফের অবদান আজ সকলের কাছে সমাদৃত।   কারি লাইফ ম্যাগাজিন প্রথমবারের মতো একজন সাদা শেফকে এওয়ার্ড প্রদান করেন। শেফ আলেক্সন্ডার ইউরিং লন্ডনের ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট ৭ বছর ধরে কাজ করছেন।   জমজমাট এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এমপ্লয়ম্যান্ট মিনিস্টার এস্টার ম্যাকভী এমপি। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হোম অফিস সিলেক্ট কমিটির চেয়ার কীথ ভাজ এমপি, স্যামসন সোহেল, সৈয়দ নাহাস পাশা। অনুষ্ঠানে লেবার দলনেতা এড মিলিব্যান্ডের শুভেচ্ছা বার্তা পড়ে শুনান লেবার দলের ফ্র্যাংক ডবসন এমপি। আর বিজয়ী শেফদের হাতে পুরুষ্কার তুলে দেন রোশনারা আলী এমপি, ফিলিপ ডেভিস এমপি, জিম ফিটজ প্যাট্রিক এমপি, রিন্দ্রে শর্মা এমপি সহ আরো অনেক আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।   অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সহ ৩৩ জন সেরা শেফকে এওয়ার্ড প্রদান করা হয়।টাওয়ার হ্যামলেটস বারার তৈয়ব রেস্টুরেন্টের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ তৈয়বের ছেলে ওয়াসিম তৈয়ব রোশনারা আলী এমপির হাত থেকে এওয়ার্ড গ্রহণ করেন। এবার ইউরোপীয় শেফ অফ দ্য ইয়ার এওয়ার্ড প্রদান করা হয় সুইডেনের বাঙালি শেফ রেজাউল করিমকে। আর ভোট অব থ্যাংকস প্রদান করেন সৈয়দ বেলাল আহমেদ।   উল্লেখ্য কারি লাইফ ম্যাগাজিন শেফদের মূল্যায়ন ও সম্মানিত করা ছাড়াও টেস্ট অব ব্রিটেন কারি ফেস্টিভ্যাল নামে আন্তর্জাতিক মানের একটি অনুষ্ঠান করে থাকে। শেফদের জন্য আয়োজন করে সেলিব্রেটি মিশেলিন স্টার শেফদের নিয়ে ওয়ার্কশপের- যাতে তাদের কাজের ও কর্মের উন্নতি ও দক্ষতা এবং প্রফেশনালিজম বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়। জানা গেছে, আগামী বছর ভারতের চেন্নাইয়ের হায়াত রিজেন্সিতে অনুষ্ঠিত হবে এই টেস্ট অব ব্রিটেন কারি ফেস্টিভ্যাল।   অনুষ্ঠানে ক্যাটারার্স এসোসিয়েশনের নের্তৃবৃন্দ সহ চ্যানেল এস-এর চেয়ারম্যান আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী জেপি, আমিন আলী, ইকবাল আহমেদ ওবিই প্রমুখ।   salim932@googlemail.com  

বিস্তারিত»
ব্রিটিশ ইলেক্টোরাল সিস্টেমে জালিয়াতি –১৩ মিলিয়নের মতো ভুলে ভরা

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ- লন্ডন থেকে:আধুনিক গণতন্ত্রের সূতিকাগার আর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সবচাইতে সুন্দর ও দৃশ্যমান যে ব্যবস্থা দেশে বিদেশে এতো প্রশংসিত, বিশেষ করে ক্ষমতার পরিবর্তনে ব্রিটেনের যে নির্বাচনী ব্যবস্থা সর্বমহলে আদর্শতম এক ব্যবস্থা হিসেবে স্বীকৃত ও সিকিউর ব্যবস্থা হিসেবে সমাদৃত- ব্রিটেনের সেই নির্বাচনী ব্যবস্থায় প্রধান ব্যবস্থা ভোটার রেজিস্ট্রেশন সহ পুরো ইলেক্টোরাল সিস্টেম মিলিয়ন মিলিয়ন জালিয়াতির প্রমাণ আর ভুলে ভরা ব্যবস্থা নিয়ে- ব্রিটিশ সরকারের ১০ নম্বর ডাউনিং ষ্ট্রীটের সাথে জড়িত, সরকারের থিংক ট্যাংক হিসেবে পরিচিত, সংবিধান বিশেষজ্ঞ  মাইকেল পিন্টু-ডোচস্কিনিস্কির রিপোর্টে  সেই ভয়াবহ জালিয়াতির তথ্য উদঘাটিত হয়েছে। তার ৫২ পৃষ্ঠার ইলেক্টোরাল ওমিশন-পলিসি এক্সচেঞ্জ রিপোর্ট নামক ডোসিয়ারে ব্রিটিশ ইলেক্টোরাল পলিসি সিস্টেমের সিরিয়াস ফ্রডের ব্যাপারে রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন, একই সাথে সুপারিশমালাও তুলে ধরেছেন।   পলিসি এক্সচেঞ্জ রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে,  ব্রিটেনের নির্বাচন কমিশন ভোট জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা গ্রহণে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।   রিপোর্টে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ২০০৫ সাল থেকে নির্বাচনী ব্যবস্থার ত্রুটির ফলে  এই ভোট জালিয়াতি বৃদ্ধি পাচ্ছে।  ২০০৫ সালে ইলেক্টোরাল রোলের ভুল ভ্রান্তি যেখানে ৭ মিলিয়ন ছিলো, সেখানে বর্তমানে এসে ১৩ মিলিয়ন এবং ১৫.৫ মিলিয়ন পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থাৎ সেই ভুল ভ্রান্তি থেকে ভোট জালিয়াতিও আনুপাতিক হারে ও ক্রমান্বয়ে  বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ইলেকশন কমিশন প্রতিরোধ করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।   মজার ব্যাপার হলো, ব্রিটিশ নির্বাচন কমিশন আজকে এসে স্বীকার করছেন, কমিশনে ৭ মিলিয়ন ভোটার তালিকায় মিসিং রয়েছে এবং ৫ মিলিয়ন ভোটার সঠিকভাবে সন্নিবেশিত হয়নি বা সঠিকভাবে তালিকাভুক্ত করা হয়নি। তার মানে বিগত সব নির্বাচনেই এই ৭ মিলিয়ন এবং ৫ মিলিয়ন ভোটার কোন কোনভাবেই সঠিকভাবে কাস্টিং ভোটের গণনার আওতায় আসেননি বা অতিরিক্ত গণনা অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, যেহেতু মিসিং এবং ইন-একুরেটলি তালিকাভুক্ত হয়ে আছে।   পলিসি এক্সচেঞ্জ রিপোর্টে বলছে, ভোট জালিয়াতি এটা একটা বড় ধরনের সমস্যা- যেখানে ২০০১ সালে ১৮টি কেসের মাধ্যমে ৩৭ জন লোকের জেল সেন্টেন্স হয়েছে। এতে বলা হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে  অবশ্যই সঠিক কাজ (রাইট জব) করতে হবে, যাতে ভোটার এনগেঞ্জম্যান্টের ব্যাপারে পলিসি ও প্রমোটিং প্রভাবান্বিত করা বন্ধ করতে হবে, যা তারা রেগুলেটরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। পলিসি এক্সচেঞ্জ বলেছেন সম্পূর্ণ নতুন এক স্ট্যান্ডার্ড কমিশন কেবল সেটা রুখতে পারে সঠিক ভাবে।   সংবিধান বিশেষজ্ঞ  মাইকেল পিন্টু-ডোচিস্কিনিস্কি বলেছেন,  নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা ভোটার তালিকা ও ভোটার তালিকা অন্তর্ভূক্তি এবং ভোটার ফর্ম লিপিবদ্ধ করনে সারা দেশব্যাপী মারাত্মক ত্রুটি লক্ষণীয়- বিশেষ করে সম্প্রতি টাওয়ার হ্যামলেটসে ভোটার তালিকা ও ফর্ম অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে জালিয়াতি সুস্পষ্ট- যাতে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম ও কার্যকর নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে, যাতে দেখা গেছে কমিশন তার রেগুলেটরি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন, অথচ ভোটার যোগ্য সকলকে সঠিক ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে নির্বাচনে ভোট প্রদান গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নাগরিকের মৌলিক অধিকার।   পলিসি এক্সচেঞ্জ রিপোর্টে  ভোটার জালিয়াতি রোধে কাউন্সিল ট্যাক্সে স্মল রিবেট দিয়ে হলেও নাগরিকদের ভোটার রেজিস্ট্রেশনে উদ্বুদ্ধ করার, যাতে ফাইন আরোপ না করার, তাতে প্রত্যেক বাসা-বাড়ির যারা ভোটার রেজিস্ট্রেশনের যোগ্য, তাদের ফর্ম ফিল-আপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করা। এক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির জন্য একটি ফর্ম রেজিস্ট্রেশনের  ব্যবস্থা করার কথা বলেছেন।   পলিসি এক্সচেঞ্জ সুপারিশে বলেছেন, বর্তমানের হাউস হল্ড(বাড়ির মধ্যেকার ফর্ম ফিল না করে)  রেজিস্ট্রেশন না করে ইন্ডিভিজুয়ালি( এককভাবে একজন একজন করে ফর্ম ফিল-আপ) রেজিস্ট্রেশন  করলে সেটা হবে অধিক নিরাপদ এবং জালিয়াতি রোধে সক্ষম হবে।   এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের একজন মুখপাত্র বলেন, আমরা জানি ৭.৫ মিলিয়ন বাড়ির ভোটাররা সঠিকভাবে নিবন্ধিত নন, তার অর্থ এই নয় যে বর্তমান সিস্টেমে ভোটার রেজিস্ট্রেশনকে কেউ আন্ডারএস্টিমেট করা ঠিক হবেনা, কেননা নতুন ব্যবস্থায় আমরা ভোটার রেজিস্ট্রেশন যাতে সঠিক ভাবে সম্পন্ন হয় এবং যথাযথভাবে পরীক্ষা- নিরীক্ষার মাধ্যমেই সম্পন্ন করার নিশ্চিত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানালেন।   কমিশনের মুখপাত্র আরো জানালেন, আমরা প্রত্যেক অভিযোগ এবং কেসকে ও ভোট জালিয়াতির অভিযোগকে অবশ্যই সিরিয়াসলি নিয়েছি, পুলিশ ও ইলেক্টোরাল এডমিনিস্ট্রেটর এর সাথে সমন্বয় করে কাজ করছি, একই সাথে নিশ্চয়তা দিচ্ছি, যাতে সকল অভিযোগসমূহ অবশ্যই পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে যাচাই বাছাই এবং তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে সকল মেজর নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগেই সেই সকল কাজ নিশ্চিত করা হবে যথাযথভাবে।   তিনি আরো জানালেন,  এ বছরের শুরুতেই আমরা ভোটার লিস্ট জালিয়াতির ক্ষেত্রে ১৬টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছি, অন্যান্য এরিয়া সহ টাওয়ার হ্যামলেটস-লন্ডন এলাকায়, যেখানে আমরা এই জালিয়াতির রোধকল্পে অধিকতর শক্তিশালী সিস্টেম আরোপের বিকল্প প্ল্যানও উপস্থাপন করেছি। এমনকি আমরা ভাবছি এ ব্যবস্থাকে আরো অধিক শক্তিশালী করার জন্য ভোটার আইডি কার্ড চালু করার।       পলিসি এক্সচেঞ্জ রিপোর্টের পিডিএফ এর জন্য নীচের লিংকে ক্লিক করুন প্লিজ- http://www.policyexchange.org.uk/images/publications/electoral%20omission.pdf   salim932@googlemail.com 23 October 2014, London.

বিস্তারিত»
 সিলেটের  ছাত্রদলের বিদ্রোহীদের ঐক্য ভাঙ্গতে পারছেন না নতুন কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ একের পর এক কৌশল অবলম্বন করেও সিলেট ছাত্রদলের বিদ্রোহীদের ঐক্য যেন ভাঙ্গতে পারছেন না ছাত্রদলের নতুন কমিটির নেতারা। তাদের  ঐক্য যেন ফেবিকলের আঠার চেয়ে আরো অনেক শক্ত। গত ১৮ সেপ্টেম্বর এক যুগ পর সিলেট ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয়। ঘোষনার পর থেকে ছাত্রদলের পদবঞ্চিতদের  বড় একটি অংশ বিদ্রোহ ঘোষনা করে। তাদের সাথে যোগ দেয় পদপ্রাপ্ত অনেক নেতারাও। এরপর থেকে নতুন কমিটির নেতাদেরকে নগরীতে অবাঞ্জিত ঘোষনা করে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায় বিদ্রোহীদের হাতে নতুন কমিটির নেতারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। আর তখন থেকে  বিদ্রোহীদের ঐক্য ভাঙ্গতে নান কৌশল অবলম্বন করা  শুরু করেন নতুন কমিটি নেতারা । ১৯ সেপ্টেম্বর বিদ্রোহীদের সাথে নগরীর ইলেকট্রিক সাপ্লাইতে নতুন কমিটির জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাঈদ আহমদের অনুসারীদের সাথে সংঘর্ষ হলে আটক হন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাঈদ আহমদ সহ ৭ ছাত্রদল কর্মী। এর ২ দিন পর ছাত্রদলের বিদ্রোহী নেতা রেজাউল করিম নাচন কোর্টে একটি মামলার হাজিরা দিতে গেলে তার সাথে দেখা হয় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাঈদ আহমদের । এই সংবাদ অনলাইন পত্রিকায় সহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ফেইসবুকে চড়িয়ে পড়ে। অনেকে বলতে শুরু করেন নতুন কমিটির সাথে বিদ্রোহী ঐ নেতার কি সমঝোতা হচ্ছে। কিন্তু সমঝোতার কথা উড়িয়ে দিয়ে মাঠে আরো সক্রিয় হয়ে উঠেন  ঐ বিদ্রোহী নেতা রেজাউল করিম নাচন। গত ৫ অক্টোবর  গোপন বৈঠক করে ১ মাসের মধ্যে জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ  ও উপজেলা, কলেজ,ওয়ার্ড কমিটি করার সিদ্ধান্ত নেন নতুন কমিটির নেতারা । এই পূণার্ঙ্গ কমিটিতে বিদ্রোহী কয়েকজন নেতাকে ভালো পদ দেওয়া হবে তা বলা হয়। পরে তার অনুসারীরা এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ফেইসবুকে  লেখা শুরু করেন। পরে বিভিন্ন পত্রিকায় পূর্ণাঙ্গ কমিটির করার কথা বলে বক্তব্য দেন নতুন কমিটির নেতারা।কিন্তু এসবে পাত্তা দেননি বিদ্রোহী নেতারা। এর ২ দিন পর আবার নতুন কমিটির অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ফেইসবুকে  চড়িয়ে দেন বিদ্রোহী কয়েকজন নেতার সাথে নাকি নতুন কমিটির নেতাদের কমিটি নিয়ে গোপন বৈঠক হয়েছে। কিন্তু এর পরদিন বিদ্রোহীদের এক জরুরী সভায় তারা বলেন নতুন কমিটির কেউর সাথে কখনো আমাদের কোন কথা হয়নি। তাছাড়া ছাত্রদল কোন জঙ্গি সংগঠন নয় যে গোপন বৈঠক করতে হবে। ছাত্রদল স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার হাতে গড়া সংগঠন। এবং তারা আরো বলেন আগামীতে কোন গোপন বৈঠক পরিলক্ষিত হলে আমরা প্রতিহিত করব। এই কৌশলই নতুন কমটির নেতারা ব্যার্থ হওয়ার পর নতুন করে আরেকটি কৌশল অবলম্বন করেন বিদ্রোহীদের বহিস্কার বা শোকজ। বিভিন্ন পত্রিকায় বিদ্রোহদেরকে বহিস্কার বা শোকজের ভয় দেখিয়ে বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন নতুন কমিটির নেতারা। কিন্তু তারপরও ভাঙ্গতে পারেননি তাদের ঐক্য। সর্বশেষ ১৬ অক্টোবর নতুন আরেকটি কৌশল অবলম্বন করেন বিদ্রোহী নেতা মাহবুবুল হক চৌধুরীকে নিয়ে। তিনি নাকি বিএনপি নেতা মুক্তাদিরের সাথে বৈঠক করছেন  কোন ভালো পদ পাওয়ার জন্য। কিন্তু তিনিও এই বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে মাঠে সক্রিয় উঠেন। তাই বার বার কৌশল অবলম্বন করে  বিদ্রোহীদের ঐক্য ভাঙ্গতে ব্যার্থ হয়ে তারা এখন হতাশ হয়ে পড়েছেন বলে একটি সুত্রে জানা যায়।    

বিস্তারিত»
সিলেট মহানগর জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ

সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ইসলাম বিদ্বেষী আওয়ামী সরকার দেশ থেকে ইসলাম ও ইসলামী নেতৃত্ব নির্মুল করতেই ইতিহাসের জঘন্যতম মিথ্যাচার চালিয়ে শীর্ষ জামায়াত নেতৃবৃন্দকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটকে রেখে নির্যাতন চালাচ্ছে। বিচারের নামে অবিচার চালিয়ে জামায়াত নেতৃবৃন্দকে হত্যা কিংবা রাজনীতি থেকে সরানোর সকল ষড়যন্ত্র জাতির নিকট আজ পরিস্কার। বাংলার মাটিতে কোরআনের সমাজ বিনির্মানের লক্ষ্যে কাজ করায় জামায়াত নেতৃবৃন্দ আজ আওয়ামী সরকারের নোংরা প্রতিহিংসার রাজনীতির শিকার। সরকারের সাজানো মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটক জামায়াতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক আমীর ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আযম, নায়েবে আমীর আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারী মু. কামারুজ্জামান, এটিএম আজহার, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাশেম আলীসহ সকল রাজবন্দীদের অবিলম্বে নি:শর্ত মুক্তি দিতে হবে। জামায়াত নেতৃত্বশুন্য করার সকল ষড়যন্ত্র দেশপ্রেমিক জনতা প্রতিহত করবেই ইনশাআল্লাহ। তারা বলেন, জুলুম নিপীড়ন চালিয়ে কোন আদর্শবাহী সংগঠনের অগ্রযাত্রা রুখে দেয়া যায়না। জামায়াত দেশ-জাতি ও ইসলামের কল্যানে রাজনীতি করে। রাষ্ট্রের সর্বশক্তি নিয়োগ করে সরকার জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির এর নেতকর্মীদের উপর ইতিহাসের নৃশংসত বর্বরতা চালিয়ে জামায়াতকে তার আদর্শ থেকে এক চুলও সরাতে পারেনি। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের জুলুম নির্যাতন চালিয়ে দমিয়ে রাখা যায়না। পৃথিবীর সকল বড় বড় স্বৈরাচারী সরকারের লজ্জাজনক পতন থেকে শিক্ষা নিয়ে জামায়াত ধ্বংসের নোংরা রাজনীতি পরিহার করে সরকারকে গনতন্ত্রের পথে ফিরে আসতে হবে। অন্যথায় আওয়ামীলীগকে কঠোর মুল্য দিতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার জামায়াত কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসুচীর অংশ হিসেবে কারাগারে আটক শীর্ষ জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ সকল নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবীতে সিলেট মহানগর জামায়াত নগরীর দরগা গেইট ও দক্ষিণ সুরমা এলাকায় পৃথক বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মো: শাহজাহান আলী, জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল মুকিত, মাওলানা মুজিবুর রহমান, মু. আজিজুল ইসলাম, হাফিজ মশাহিদ আহমদ, ইঞ্জিনিয়ার শাহজাহান কবির রিপন ও মহানগর ছাত্র শিবির সভাপতি মু. আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ। জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, অবৈধ আওয়ামী সরকার জনগনের ভোট চুরি করে বন্দুকের জোরে ক্ষমতায় এসেছে। তারা জনগনের কল্যান না করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে। আওয়ামী বাকশালীদের পদত্যাগে বাধ্য করার মাধ্যমে জাতীয় নেতৃবৃন্দকে মুক্ত করা হবে ইনশাআল্লাহ।     বার্তা প্রেরক

বিস্তারিত»
স্বৈরাচার বিদায় করেছি, হাসিনাকেও বিদায় করব : খালেদা জিয়া

নীলফামারী সংবাদদাতা:আওয়ামী লীগ মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ারপারসন ও ২০দলীয় জোট নেতা বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, আওয়ামী লীগের আমলে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না। শেখ হাসিনাকে বিদায় করে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব। একদলীয় বাকশাল, একদলীয় শাসন নয়, বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব। আওয়ামী লীগকে বিদায় করে ঘরে ফিরব। সময়মতো আন্দোলনের ডাক দেব। এবার আর ব্যর্থ হবো না। অবশ্যই আগের মতোই জয়ী হব। রক্ত দেয়ার জন্য তৈরি আছি। স্বৈরাচার এরশাদকে বিদায় করেছি। হাসিনাকেও বিদায় করব।   তিনি আজ নীলফামারী জেলা ২০দলীয় জোটের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।   খালেদা জিয়া বলেন, সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে আঙ্গুল বাঁকা করতে হয়। প্রয়োজনে আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীন নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে। আগামী ৩০ তারিখ নাটোরে জনসভা আছে। জনগণের সাথে যোগাযোগ করে নিচ্ছি। আন্দোলন হবে, আওয়ামী লীগকে বিদায় করে ঘরে ফিরব।   বর্তমান নির্বাচন কমিশন ‘অথর্ব’ আখ্যা দিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, এ কমিশনকে দিয়ে কোনো নির্বাচন সম্ভব নয়। এ কমিশন বাতিল করে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য কমিশন গঠন করতে হবে, যারা নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। পুলিশ প্রশাসনকেও নিরপেক্ষ না করলে কোনো দিন ভোটের অধিকার ফিরে পাবে না জনগণ।   তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে মানুষ না থেকে কুকুর বসে থাকে। তারা আবার জনপ্রতিনিধি হয় কীভাবে। এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, এ অবৈধ সরকার নতুন নতুন আইন করছে। সম্প্রচার নীতিমালা করছে। নির্বাচিত না হয়ে কোনো আইন করা যায় না। জনবিচ্ছিন্ন হয়েই সরকার নতুন নতুন আইন করছে।   তিনি বলেন. গণতান্ত্রিক সরকার নেই বর্তমানে। তারা অবৈধ। এরা নির্বাচিত সরকার নয়। নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশ পরিচালনা করার অধিকার তাদের নেই। অবিলম্বে নির্বাচন দিতে হবে। ২০০৮ সালে ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর উপনির্বাচনগুলোতে যেভাবে ভোটকেন্দ্র দখল, ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে না দেয়া, যুলুম নির্যাতন করা হয়েছে- তখন কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হয় নাই। এমনকি এই অবৈধ সরকারের আমলে উপজেলা নির্বাচনে ভোটের বাক্স ছিনতাই করে, আগের দিন রাত তিনটার সময় ব্যালট বাক্স ভরে নিজেদের প্রার্থীকে বিজয়ী করেছে। আওয়ামী লীগের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না।   তিনি বলেন, এই অবৈধ সরকার মিথ্যার উপর ভর করে টিকে আছে। তাদের সাথে জনগণ নেই। জনগণ আছে বিএনপির সাথে।   এর আগে আজ বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে তিনি নীলফামারী জেলা স্কুল মাঠে পৌঁছান। চারটার দিকে তিনি বক্তব্য দেয়া শুরু করেন।   জেলা বিএনপির আহবায়ক আনিসুল আরেফীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে নীলফামারী হাইস্কুল মাঠে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় শুরু হওয়া এ জনসভায় জোটের স্থানীয় ও জাতীয় নেতারা বক্তব্য দেন।   এর আগে জোটনেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বহনকারী গাড়িবহর দুপুর ২টার দিকে নীলফামারী সার্কিট হাউজে এসে পৌঁছায়।   এদিকে, ২০দলীয় জোটের এ জনসভাকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর, গাইবান্ধা ও নীলফামারী জেলার বিএনপি ও ২০দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ দেখা দিয়েছে।   দুপুর ২টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হলেও সকাল থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী সমাবেশে যোগ দেয়ার জন্য নীলফামারী হাইস্কুল বড় মাঠের দিকে আসতে থাকে। সৈয়দপুরের পর থেকেই বিশেষ করে নীলফামারীর প্রবেশমুখ দাড়োয়ানী এলাকা থেকে জনসভা স্থলের ১২ কিলোমিটার রাস্তায় খালেদা জিয়ার গাড়িবহর জনতার ভীড় ঠেলে আসতে ঘণ্টাখানেকেরও বেশি সময় লাগে।   দুপুর গড়ানোর আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উঠে জনসভার বিশাল মাঠ। সকাল থেকে ২০দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের আধিক্য চোখে পড়ে। মাথায় জামায়াতের পট্টি বেধে হাজার হাজার নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে মাঠের দিকে আসেন। এরপর অন্য শরিক বাংলাদেশ ন্যাপের নেতাকর্মীরা মাথায় লাল টুপি ও লাল জামা-গেঞ্জি পড়ে মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন। জাগপারও বেশ কিছু নেতাকর্মীকে রঙিন পোষাকসহ সমাবেশের দিকে মিছিল নিয়ে আসতে দেখা যায়।   বেলা সোয়া ৩টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সমাবেশের মঞ্চে আসেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাসসহ সিনিয়র নেতারা জনসভায় বক্তব্য দেন।   এ ছাড়া শরিক জোটের নেতাদের মধ্যে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অব. অলি আহমদ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মে. জে. (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি, ইসলামী ঐক্যজোটের মওলানা আবদুল লতিফ নেজামি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মওলানা ইসহাক, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আব্দালিব রহমান পার্থ, সাম্যবাদী দলের আবু সাইদ, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মজিবর রহমানসহ ২০দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।   স্থানীয় নেতাদের মধ্যে, জামায়াতে ইসলামীর জেলা সেক্রেটারি মওলানা আবদুর রশিদ, বিএনপিসহ সভাপতি আলমগীর সরকার, সাবেক মহিলা সংসদ সদস্য বিলকিস ইসলাম, সৈয়দপুর পৌর মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার ভজে, জলঢাকা উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ আলী, ডোমার পৌরসভা মেয়র মনসুরুল ইসলাম দানু, জেলা বিএনপি নেতা মীর সেলিম, মোস্তফা ফিরোজ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

বিস্তারিত»
কানাইঘাট ব্যাঘ্র শাবক উদ্ধার

কানাইঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:কানাইঘাটে বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির একটি চিতা বাঘের বাচ্চাকে আটক অবস্থা থেকে উদ্ধার করেছে কানাইঘাট বিট অফিস। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শাহপুর গ্রামের বুলু মিয়ার ছেলে মিনহাজ উদ্দিনের বাড়ীতে রাতের বেলায় ব্যাঘ্র শাবকটি মোরগের ঘরে হানা দিলে বাড়ীর লোকজন মিলে কৌশলে শাবকটিকে ধরে খাঁচায় বন্ধি করে রাখে। খবর পেয়ে কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং বিট অফিসার জহিরুল ইসলামসহ বিট অফিসের অন্যান্য কর্মচারীরা ঘটনাস্থলে পৌছে গতকাল বেলা ১২টার দিকে ব্যাঘ্র শাবটিকে উদ্ধার করে কানাইঘাট বিট অফিসে নিয়ে আসেন। এ ব্যাপারে বিট কর্মকর্তা জানান, ধৃত শাবকটি বিরল প্রজাতির চিতা বাঘের বাচ্চা। শাবকটিকে সিলেটের খাদিমনগর ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত করা হবে। তিনি আরো বলেন, ক্রমশঃ বন-বাদাড় উজাড় হওয়ার ফলে বন্যপ্রাণীরা খাবারের সন্ধানে প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসে এবং সাধারণ মানুষের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়। 

বিস্তারিত»
ছাতকের নোয়ারাই ইউনিয়নে  কর আদায়ের লক্ষে  উদ্বুদ্ধকরন সভা

ছাতক প্রতিনিধিঃছাতকের নোয়ারাই ইউনিয়নে এলজিএসপি-২এর আওতাধীনে ইউপিজিপি ২০১৩-১৪ সালের ইউনিয়ন কর আদায়ের লক্ষে এক উদ্বুদ্ধকরন সভা গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আফজাল আবেদীন আবুলের সভাপতিত্বে ও ইউপি সচিব আলাউদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল। বক্তব্য রাখেন, ইউপি সদস্য নুর মিয়া, নূরুল ইসলাম, আখলুছ আলী, আসাদ আলী, আসকর আলী, সামছুর রহমান, শফিকুর রহমান, আব্দুল কাহার, মহিলা ইউপি সদস্যা জোসনা বেগম,মিনা বেগম, সফিজা বেগম, স্থানীয় হাজী হারিছ আল,ি আব্দুর রহিম, আব্দুল আলী, আব্দুন নূর, বাবুল মিয়া, সহিদ মিয়া, ইসলাম উদ্দিন, এনামুল হক তালুকদার, লোকমান হোসেন, ফারুক আহমদ, আব্দুল বারী, নূরুল ইসলাম প্রমূখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল বলেন, ইউনিয়নের মর্যদা বৃদ্ধিতে ও সার্বিক উন্নয়নে কর প্রদান গুরুত্বপূর্ন ভমিকা রাখতে পারে। কর প্রদানে ইউনিয়নবাসীকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

বিস্তারিত»
‘ব্রিটিশ বাংলাদেশী হুজহু’র প্রকাশনা ও  ‘সিলেট মিরর’ এর উদ্বোধন  ১৩ নভেম্বর

লন্ডন:বাংলা মিরর গ্র“পের প্রকাশনা ‘ব্রিটিশ বাংলাদেশী হুজহু’র এওয়ার্ড বিতরণী ও প্রকাশনা এবং ইংরেজি দৈনিক অনলাইন  পোর্টাল ‘সিলেট মিরর’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আগামী ১৩ নভেম্বর বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে লন্ডনের ঐতিহাসিক আলেকজান্ডার প্যালেসে অনুষ্ঠিত হবে। গত মঙ্গলবার পূর্ব লন্ডনের লন্ডন মুসলিম সেন্টারের সেমিনার হলে ‘মিট দ্যা প্রেস’ অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানান হুজহু সম্পাদক তরুণ ব্যারিস্টার শাহাদত করিম। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৃটেনে অন্যান্য কমিউনিটিতে এ ধরণের প্রকাশনা থাকলেও বাংলাদেশীদের জন্য ছিল না। তাই আমাদের পূর্ব পুরুষদের বৃটেনের আগমন ও বসতি স্থাপনের ইতিহাসকে ধরে রাখতে ও সেই সাথে তৃতীয় প্রজন্মসহ ভবিষৎ বংশধররা যাতে শেকড়ের সন্ধান খঁজে পায় সেই লক্ষ্যে আজ থেকে সাত বছর পূর্বে নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়ে একটি দক্ষ ও সফল টীম নিয়ে এই প্রকাশনা শুরু হয়। আগামীতেও সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা পেলে এই ধারা অব্যাহত থাকবে । পাশাপাশি প্রথম ইংরেজি দৈনিক অনলাইন পোর্টাল ‘সিলেট মিরর’ও সিলেট এবং প্রবাসীদের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে । তিনি আরো বলেন, বাংলা মিরর ও ‘ব্রিটিশ বাংলাদেশী হুজহু’র এ সফলতার পর এবার তৃতীয় উদ্যোগ হচ্ছে সিলেট মিরর অনলাইন পোর্টালটি । আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবার বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে হাই প্রোফাইল সফল ব্যক্তিদেরকে হুজহু এওয়ার্ড প্রদান করা হবে। প্রকাশনাতে এবার ২৪০ জনের প্রোফাইল প্রকাশিত হবে। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন হুজহু এর প্রধান সম্পাদক আব্দুল করিম গণি, ক্যানারী ওয়ার্ফ গ্র“পের হেড অব কমিউনিটি এ্যাফেয়ার্স জাকির খান, ব্যারিস্টার আনোয়ার বাবুল মিয়া, লন্ডন বাংলা সম্পাদক আবু তাহের চৌধুরী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর কান্ট্রি ম্যানেজার আতিক রহমান চিস্তি, কমিউনিটি নেতা ফারুক আহমদ, ইমপ্রেস মিডিয়ার কয়েস উদ্দিন ও মোহাম্মদ আলী, মাহবুব এন্ড কোং এর মাহবুব মোরশেদ, প্রাইম এস্টেট এর কাজী আরিফ, সিআইটিইসি কলেজের সুরেষ কনদুরু, ডাবল গ্লেজিং এর পলি ইসলাম, তারানা গ্র“পের আশরাফ তালুকদার, জি টেন ডিজাইন এন্ড প্রিন্ট এর জরিদ মিয়া, মিডিয়া লিংক এর মুজিবুল ইসলাম, জেএমজি এয়ার কার্গোর মনির আহমেদ, এক্সেলসিয়র সিলেট এর সাঈদ চৌধুরী, ইস্টার্ণ প্রাইড এর মাজহার আলী, কাউন্সিলর আতিকুল হক, নতুন দিন সম্পাদক মুহিব চৌধুরী, জনমত এর আমিরুল ইসলাম চৌধুরী, এটিএন বাংলার সুফি মিয়া, হাফছা ইসলাম, সোহানা আহমেদ, সাইদা চৌধুরী, পলিন নারগিছ প্রমুখ। উল্লেখ্য, সপ্তম বারের মতো আয়োজন হতে যাওয়া এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মূল সহযোগিতায় রয়েছে, ক্যানারী ওয়ার্ফ গ্র“প ও সিম্পল কল । এছাড়াও এবারও আরো সহযোগিতায় রয়েছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, জেএমজি এয়ার কার্গো, এক্সেলসিয়র সিলেট, মাহবুব এন্ড কোং, প্রাইম এস্টেট এজেন্ট, সিআইটিইসি কলেজ, সি মার্ক গ্র“প,  ডাবল গ্রেজিং, তাজ সলিসিটির, তারানা গ্র“প, ইউরো এশিয়া ফুড সার্ভিস, রিজেন্টস লেক, হিউম্যান রিলিফ ফাউন্ডেশন, এভারেড কন্সট্রাকশন, স্মার্ট কার, হিলসাইড ট্রাভেলস, জেনারেল অটো, কুশিয়ারা ফাইন্যান্সিয়াল গ্র“প, ইউকে জুলের্য়াস গ্র“ফ, হোসাইন ট্রাভেলস, কেয়ার ওর্য়াল্ড, জল, সঙ্গীতা । মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে চ্যানেল এস, জি টেন ডিজাইন এন্ড প্রিন্ট, সাপ্তাহিক দেশ, বাংলা পোস্ট, মিডিয়া লিংক, পার্পল আই, ইস্টার্ণ প্রাইড, এশিয়ানা, ইমপ্রেস মিডিয়া, ইউ.কে বিডি নিউজ ও বাংলা ভয়েস।

বিস্তারিত»
সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রী আলোচনার জন্য এত আকুলি-বিকুলি কেন

ঢাকা: বিএনপির সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “খুনিদের সঙ্গে আলোচনার জন্য এত আকুলি-বিকুলি কেন? কী দিয়েছে বিএনপি, বলেন? কেন তাদের জন্য এত দরদ? তাদের জন্য এত দরদ কোথায় পেলেন?” বৃহস্পতিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিবিসির সাংবাদিক কাদির কল্লোলের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সম্প্রতি তার ইতালি সফরের বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন প্রধানমন্ত্রী। বিবিসি সাংবাদিককে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিবিসি এখনো আলোচনাতেই আটকে আছে। আপনারা আলোচনা আলোচনা করেন। আপনাকে যদি কেউ খুন করার চেষ্টা করে বা কেউ আপনার আত্মীয়কে হত্যা করেন, আমি যদি বলি আপনি তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন, আপনি করবেন?” বিএনপিকে ইঙ্গিত করে আওয়ামীগের সভাপতি বলেন, “জাতির জনকের খুনিদের কারা পুনর্বাসিত করেছে? বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরির ব্যবস্থা করেছে। ২১ আগস্ট প্রকাশ্য দিবালোকে আমাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আইভী রহমানসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে। এতে খালেদা জিয়া ও তার ছেলের মদদ দিয়েছে।” শেখ হাসিনা বলেন, “একটা সময় হাওয়া ভবন ছিল। দু-পয়সা কামানো যেত। আমরা তো হাওয়া ভবন খুলিনি। দু-পয়সা কামাতেও আসিনি। আমরা দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করি।” এ সময় প্রধানমন্ত্রী সংলাপ প্রসঙ্গে তার কথাগুলো গণমাধ্যমে ভালোভাবে প্রচারের আহ্বান জানান সাংবাদিকদের।  

বিস্তারিত»
চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে যুবলীগের সশস্ত্র হামলা

চুয়াডাঙ্গা: যুবলীগ নামধারী একদল অস্ত্রধারী বৃহস্পতিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে ঢুকে ব্যাপক ভাংচুর করেছে। অস্ত্রধারীদের আঘাতে আহত হয়েছেন মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি ফাইজার চৌধুরী,দি নিউ নেশন পত্রিকার চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি মিজানুল হক মিজান। এছাড়াও প্রেসক্লাবের সামনে থাকা সাংবাদিকদের দুটিসহ পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করেছে অস্ত্রধারীরা।  এ ঘটনার পর সাংবাদিকরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রেসক্লাবে প্রতিবাদ সভা করে। এরপর একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিএডিসির ঠিকাদারি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত সরকার সমর্থিত দুদল যুবকের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে বিএডিসি এলাকা ছিল সরগরম। বেলা ১২টার দিকে প্রকাশ্য ধারালো অস্ত্র নিয়ে শহরে মহড়া শুরু করে অস্ত্রধারীরা। অস্ত্রধারীদের একটি গ্রুপ বেলা একটার দিকে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব অতিক্রম করার সময় কয়েকজন সাংবাদিক প্রেসক্লাবের হলরুম থেকে রাস্তায় বের হন। এসময় অস্ত্রধারীরা হঠাৎ প্রেসক্লাবে ঢুকে ভাংচুর শুরু করে। অস্ত্রধারীরা প্রেসক্লাবের সামনে থাকা পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে। তারা প্রেসক্লাবের সামনের থাই গ্লাস ও ভেতরে ঢুকে চেয়ার টেবিল ভাংচুর করে। এ সময় অস্ত্রধারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের সাংবাদিক ফাইজার চৌধুরীকে লক্ষ্য করে কোপ মারে। তিনি দ্রুত সরে দাড়িয়ে আত্মরক্ষা করেন। ওই সময়ই অস্ত্রধারীরা দি নিউ নেশন পত্রিকার চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি মিজানুল হক মিজানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। প্রেসক্লাবে থাকা সাংবাদিকরা জানান, অস্ত্রধারীদের সকলের বয়স ১৯-২০ বছরের মধ্যে। তারা অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে প্রেসক্লাবের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় প্রেসক্লাবে ঢুকে হামলা করে। এ সময় সাংবাদিকদের অনেকে আত্মরক্ষার জন্য প্রেসক্লাবের বাথরুমে ঢুকে আশ্রয় নেন। এ ঘটনার পর চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসাইন, পুলিশ সুপার রশীদুল হাসান ও পৌর মেয়র প্রেসক্লাব পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি প্রদানের আশ্বাস দেন। প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।  

বিস্তারিত»
বিশ্বে এখন বাংলাদেশ রোল মডেল:প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইতালিতে অনুষ্ঠিত আসেম সম্মেলনে তিনি বিশ্ব নেতাদের বলেছেন, তার সরকার কখনো সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থাকে প্রশ্রয় দেবে না। বাংলাদেশিদের কাজের সুযোগ দেয়ায় তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাদের বাংলাদেশ থেকে আরও কৃষিশ্রমিক নেয়ার কথা বলেছেন। বৃহস্পতিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর ইতালি সফর উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে তিনি সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি তার সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিশ্বে এখন বাংলাদেশ রোল মডেল। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিসভার সদস্য, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের শেষ অংশে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেবেন।

বিস্তারিত»
 ছবি তুলে বিদেশের স্বীকৃতি আদায়ে ব্যস্ত সরকার: খালেদা জিয়া

নীলফামারী: বিদেশে বর্তমান সরকারের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্ন তুলে বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, এই সরকারকে কেউ স্বীকৃতি দেয় নাই।  তারা দ্বারে দ্বারে ঘুরে  স্বীকৃতি আদায় করছে। সরকার ছবি তুলে তুলে বিদেশের স্বীকৃতি আদায়ে ব্যস্ত। নীলফামারীতে ২০ দলীয় জোটের সমাবেশে বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া চারটায় এসব কথা বলেন খালেদা জিয়া। বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, জনগণ ২০-দলীয় জোটের সঙ্গে আছে, আগামী দিনে তারা তা প্রমাণ করবে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে শতকরা ৯৫ ভাগ মানুষ ভোট দেয় নাই। সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় আছে। কিন্তু চুরি করে ক্ষমতায় বসে থাকা যায় না। খালেদা বলেন. “দেশে বর্তমানে গণতান্ত্রিক সরকার নেই। তারা অবৈধ। এরা নির্বাচিত সরকার নয়। নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশ পরিচালনা করার অধিকার তাদের নেই। অবিলম্বে নির্বাচন দিতে হবে।” বর্তমান নির্বাচন কমিশন ‘অথর্ব’ মন্তব্য করে বিএনপি খালেদা জিয়া বলেছেন,  “এ কমিশন বাতিল করে এমন কমিশন গঠন করতে হবে, যারা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। তারা নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করবে।” তিনি বলেন, “সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করতে হয়। সোজা কথায় নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে আঙুল বাঁকা করতে হবে।” বিএনপির শাসনামলে দেশের ও  পোশাক খাতে উন্নতি হয়েছে দাবি করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার পোশাক ও পাটশিল্প ধ্বংস করেছে। রানা প্লাজার ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিসংখান দেয়নি তারা।সরকার ব্যস্ত লুটপাট নিয়ে। কোথা থেকে কমিশন পাওয়া যায়, তাই নিয়েই ব্যস্ত সরকার। সরকারি ব্যাংকগুলো লুটপাট করে শেষ করে দিয়েছে। র্যা ব বাতিলের দাবি জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, জঙ্গি, সন্ত্রাসী, ছিনতাই দমনে বিএনপি জোট র্যা ব গঠন করেছিল। কিন্তু এখন তারা টাকার বিনিময়ে মানুষ খুন করে। বিদেশীরাও র্যা ব বাতিলের কথা বলেছে।  

বিস্তারিত»
খালেদা জিয়ার জনসভায় আ.লীগ-জাপার নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান

নীলফামারী: সরকার পতনের আন্দোলন ত্বরান্বিত করতে নীলফামারীতে বেগম খালেদা জিয়ার জনসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিয়েছে জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী। বৃহস্পতিবার বিকেলে খালেদা জিয়ার হাতে ধানের শীষ তুলে দিয়ে নীলফামারী-৩ আসনের জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য কাজী ফারুক কাদের এবং জেলা আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির সাবেক কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাসহ বিপুল সংখ্যক কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন। অবশ্য এর আগেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু। এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টায় মঞ্চে ওঠেন খালেদা জিয়া। তবে তিনি মাঠে আসার আগেই মাঠ দখলে নেয়া জামায়াতে ইসলামী। ছমিরউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুপুর ২টায় জনসভা শুরু হয়। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বেলা ৪টায় জনসভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকে ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা সভাস্থলে হাজির হতে শুরু করেন। স্লোগানে স্লোগানে এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। জনসভায় ব্যবহার করা হচ্ছে তিন শতাধিক মাইক। সৈয়দপুর থেকে ডোমার পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে দেড় শতাধিক তোরণ। এই জনসভায় ন্যাপ নেতাকর্মীরা নজর কেড়েছে সবার। তারা লাল টুপি ও লাল গেঞ্জি গায়ে সভাস্থলে গেছেন। ন্যাপের কেন্দ্রীয় মহাসচিব গোলাম মোস্তফা জানান, সকাল থেকেই তাদের নেতাকর্মীরা লাল টুপি আর লাল গেঞ্জি পরে সভাস্থলে পৌঁছাতে শুরু করে। তাদের প্রায় ৫০ হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত হয়েছে।  

বিস্তারিত»
নাটোর দুর্ঘটনা: বাসের ওভারটেকিং মূল কারণ

 নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনায় তিনটি বাসের মালিক, চালক ও তার সহকারীকে দায়ী করে প্রতিবেদন দিয়েছে জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটির এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কেয়া ও অথৈ পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষের পর হানিফ পরিবহনের একটি বাস রাস্তার উপর পড়ে থাকা যাত্রীদের চাপা দিয়ে দ্রুতগতিতে চলে যায়, এতে হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী কেয়া পরিবহনের চালকের দ্রুতগতিতে ও বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানো এবং বিপরীতদিক থেকে আসা যানবাহনের গতিবিধি ও দূরত্ব বিবেচনা না করে একটি ট্রাককে ওভারটেক করার চেষ্টা করাই দুর্ঘটনার মূল কারণ। এছাড়াও বাস দুটোর ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রুট পারমিটের হালনাগাদ যে সঠিক ছিলনা তাও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। তদন্ত প্রতিবেদনে ১৭টি সুপারিশ করেছে কমিটি। মহাসড়কে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের চলাচল বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ, চালকদের গাড়ি চালানোর দৈনিক সময়সীমা নির্ধারণ করা, অবৈধ যানবাহন চলাচল প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে শাস্তি বিধান নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

বিস্তারিত»

সাক্ষাৎকার

সংঘর্ষ, আ:লীগকে দায়ী করছে বিএনপি

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বের জের ধওে রোববার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাংচুর এর ঘটনা ঘটেছে। এসময় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়। কিন্তু বিএনপি নেতারা দাবি করে বলছেন, এর পেছনে আওয়ামী লীগ দায়ি। গত মঙ্গলবার রাতে বিএনপির পক্ষ থেকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর থেকেই ২০১ সদস্যের এ কমিটিতে স্থান না পাওয়া নেতা কর্মীরা বিক্ষোভ করে আসছিল। বিএনপির একজন উপদেষ্টা এবং ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শামসুজ্জামান দুদুর কাছে বিবিসি বাংলার পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছিল এ ধরনের বিরোধ সামনে চলে আসার কারণ কি ? শামসুজ্জামান বলেন, এ ঘটনা কারও ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত নয়। একটি গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনের জন্যে অবশ্যই খুব বিব্রতকর আর জাতীয় রাজনীতির জন্যও খুব একটা ভাল কোন ঘটনা না। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে, এখন ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতাসীন যারা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসেনি। এই মুহুর্তে যেকোন ছাত্র সংগঠন বা রাজনৈতিক দল বিশেষত বিরোধী দলের জন্যে এমন একটি ঘটনা, এটা দুঃখজনক। আপনি সরকারকে দোষারোপ করছেন কিন্তু অতীতেও ছাত্রদলের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা ঘটেছে, এ প্রসঙ্গে বিএনপির এই উপদেষ্টা বলেন, যেটি গতকাল ঘটেছে, মূল সংগঠনের অফিসে ভাংচুর, নেতা কর্মীদের উপর আক্রমণ, শহীদ জিয়ার ম্যুরাল ভাংচুর এরকম ন্যাক্কারজনক ঘটনা আগে ঘটেছে এটা আমার জানা নাই। ঘটনার যারা প্রত্যক্ষদর্শী তারা দেখেছেন পুলিশ একবারেই নিরবতা পালন করেছে। গত ৭-৮ মাস ধরে আমাদের ওখানে দাঁড়াতেই দেয়নি, কর্মীদের দাঁড়াতে দেয়না। যেখানে এরকম একটা অবস্থা সেখানে এত বড় একটা ঘটনা ঘটে গেল পুলিশ একেবারে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে গেল। সম্মেলন ছাড়া কমিটি গঠনটা কি এই আন্দোলন বা বিক্ষোভের পিছনে কোন কারণ হিসাবে থাকতে পারে ? এমন প্রশ্নের জবাবে ছাত্রদলের সাবেক এ সভাপতি বলেন, সম্মেলন, কর্মী সম্মেলন, একেবারে ইউনিয়ন থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত সম্মেলন হবে এটাই আমরা আশা করি এবং গঠনতান্ত্রিক বিধি বিধানে এটাই আমাদের সবার প্রত্যাশা। কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, দেশে আমাদের একটা স্বাভাবিক সমাবেশও সরকার করতে দেয়না। ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আমাদের সম্মেলনের আবেদন তারা কয়েকবার প্রত্যাখান করেছে। অর্থাৎ স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক রীতি অনুযায়ী, গঠনতান্ত্রিক বিধি বিধান অনুযায়ী সম্মেলন করতে গেলেই পারব এমন কোন কারণ আছে বলে আমার মনে হয় না। আর একটা বিষয় হচ্ছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ ডাকসু ছিল জাতীয়তাবাদি ছাত্রদলের, অথচ তারা কিন্তু সেখানে ঢুকতে পারে না এবং যখন আমাদের ছাত্র সংগঠন যেতে চেয়েছে তখন ভিসিসহ সরকারি ছাত্র সংগঠন প্রকাশ্যে পুলিশের সহায়তায় তাদের উপর আক্রমণ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিসহ, অন্যান্য নেতা কর্মীদের রক্তাক্ত করা হয়েছে। বুয়েটে আমাদেরকে দাঁড়াতে দেয়া হয়না। এছাড়াও সাড়া বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমাদের ঢুকতে দেয়া হয়না। এমন অবস্থায় গণতান্ত্রিক রীতিনীতি অনুযায়ি কমিটি গঠন করা কঠিন ব্যাপার। তবে কনভেনশন অনুযায়ী এটা করতে পারলে ভাল হত। আগামীতে হয়ত কোন এক সময় এটি করা সম্ভব হবে বলে আমাদের ধারণা। সামনে অবস্থা যদি সেরকম হয় আমরা করব। অঙ্গ সংগঠনগুলোর সম্মেলন করব এবং এই সরকারের পতনের মধ্য দিয়েই গণতান্ত্রিক রীতিনীতিতে যে চর্চা সেটা ফিরে আসবে বলে আমাদের বিশ্বাস। বিবিসি

বিস্তারিত»

বিশেষ কলাম

কেন সবাই ছাত্রদলের নেতা হতে চায়?

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মাঠে নেমেছে। তবে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নয়, নিজেদের বিরুদ্ধে। ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণার পরদিন থেকে পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কয়েক শত ছাত্র-তরুণ বিক্ষোভ করেছেন। অনেক দিন পর ছাত্রদলের এত বড় মিছিল ও উপস্থিতি দেখা গেল। বিক্ষোভকারী নেতাকর্মীদের দাবি, নতুন গঠিত কমিটি ভেঙে দিতে হবে। কারণ, যারা কমিটিতে স্থান পেয়েছেন তাদের অনেকে ত্যাগী নেতা নন। কেউ কেউ নাকি সরকারের এজেন্ট। কেউ আবার ছাত্রলীগ থেকে ছাত্রদলে অনুপ্রবেশ করেছেন। ফলে কমিটি ভেঙে দিয়ে দলের প্রতি আনুগত্য আছে এমন নেতাদের নিয়ে কমিটি গঠন করতে হবে। বাস্তবতা হলো, যারা আজ আন্দোলন করছেন তাদেরকে যদি কমিটিতে রাখা হতো তাহলে আরো একটি পক্ষ একই ধরনের প্রতিবাদ বিক্ষোভ করত। কারণ ছাত্রনেতা হওয়ার সাথে আর্থিক লাভালাভের যোগ আছে। আর গত পাঁচ বছর ধরে ছাত্রলীগের নেতা ও পাতি নেতারা যেভাবে টাকা-পয়সা, গাড়ি- ফ্ল্যাটের মালিক বনে গেছেন তা দেখে ছাত্রদলের নেতা হওয়ার জন্য যারা লাইনে আছেন, তারাও চাতক পাখির মতো অপেক্ষা করছেন। এ কারণে কমিটি যাদের দিয়েই হোক না কেন, প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হতোই। বিএনপির কোটারি স্বার্থের সাথে জড়িত অনেক নেতা কোনো-না-কোনো পক্ষকে ইন্ধন দিতেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এ বিষয়গুলো বোঝেন না এমন নয়। এ কমিটি গঠনের আগে বেগম খালেদা জিয়া ছাত্রদলের নেতা হওয়ার প্রতিযোগিতায় আছেন, এমন সবার সাথে মতবিনিময় করেছিলেন। সেখানে তিনি অনেকের বক্তব্য শুনেছেন। কিছু কিছু প্রশ্নও করেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন এদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন ২৯ ডিসেম্বর বিএনপির মার্চ ফর ডেমোক্র্যাসি কর্মসূচির দিনে তারা কোথায় ছিলেন। বেশির ভাগের জবাব ছিল তারা জরুরি কারণে ঢাকায় ছিলেন না। কারো কারো নাকি পেটের পীড়াজনিত রোগ হয়েছিল। কেউ আবার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। চাইলে হয়তো এক দিনের মধ্যে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট এনে দিতে পারতেন। কয়েকজন হাতেগোনা ছাত্র বলেছেন তারা জেলে ছিলেন। ২৯ ডিসেম্বর ভোরে কয়েকটি বালুর ট্রাক দিয়ে খালেদা জিয়ার বাড়ি আটকে দেয়া হয়েছিল। তিনি পতাকা হাতে বাসা থেকে বের হলেও গেট পার হতে পারেননি। বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় বক্তব্য রেখেছেন। সেদিন ঢাকা শহর কড়া নিরাপত্তায় ছিল। ঢাকার বাইরে থেকে যানবাহন চলাচল সীমিত করা হয়েছিল।   এর মধ্যে মালিবাগে ছাত্রশিবির একটি মিছিল বের করেছিল। সেখানে পুলিশের গুলিতে একজন শিবিরকর্মী নিহত হন। ‘দেশ গড়েছেন শহীদ জিয়া,নেত্রী মোদের খালেদা জিয়া’ স্লোগান দেয়ার মতো লোক খুঁজে পাওয়া যায়নি; বরং পুলিশ-বেষ্টনীর মধ্যে বেকুবের মতো ‘নারায়ে তকবির’ স্লোগান দিয়ে একজনের প্রাণহানি হয়েছিল। কিন্তু মালিবাগে আরো অনেকের আশার কথা ছিল, তারা কেউ আসেননি। বাসায় বসে টেলিভিশনে খালেদা জিয়ার বন্দিদশা দেখে তাদের রক্ত টগবগ করেছে; কিন্তু বাসার নিচে নামার সাহস হয়নি। এর আগে খালেদা জিয়াকে বাসা থেকে বিতাড়িত করার পরও ছাত্রদলকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। বলা হয়ে থেকে আপসহীন নেত্রীর চোখে পানি এ দেশের মানুষ মাত্র দুইবার দেখেছিল। একবার প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর, দ্বিতীয়বার স্বামীর স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার পর। নেত্রীর চোখে পানি দেখার পর ছাত্রদলের তরুণেরা আবেগতাড়িত হয়ে প্রতিরোধের শক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন। সেদিনও ঢাকা শহরে একটি মিছিলও হয়নি। কোনো প্রকার প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ছাড়াই যখন সরকার এ দু’টি কাজ সমাধা করতে পারে, সে সরকারের কাছে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন খুব বড় কোনো সমস্যা ছিল না। হ্যাঁ সমস্যা হয়েছিল, তবে ঢাকার ছাত্রদলের নেতাদের নিয়ে নয়, গ্রামের মানুষকে নিয়ে; যারা প্রকৃতপক্ষে খালেদা জিয়াকে ভালোবাসেন। খালেদা জিয়ার চোখে পানি দেখে তাদের চোখও ভিজে গিয়েছিল। এই গ্রামের মানুষই বারবার সর্বাধিক ভোটে তাকে বিজয়ী করেন, যারা জিয়াউর রহমানকেও এখনো ভুলে যাননি। বেগম খালেদা জিয়ার কথায় তারা ভোট বর্জন করেছিলেন। শুধু তা-ই নয়, ভোট প্রতিরোধ করেছিলেন। দলীয় প্রধানের সর্ব্বোচ্চ বিপদে যে ছাত্রসংগঠনের নেতারা মাঠে নামতে পারেন না, তারা কিভাবে দাবি করতে পারেন খালেদা জিয়ার অনুমোদিত কমিটি দিয়ে আন্দোলন হবে না। তাদের এই দাবি যদি সত্যি বলেও প্রমাণ হয়, তারপরও তারা নৈতিকভাবে এ কথা বলার অধিকার রাখেন না। পল্টনে একজন বিদ্রোহী নেতা বলেছেন, তারা নাকি রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতন ঘটাবেন। এর আগে তারা নিজেদের ঘর  ঠিক করবেন। এরা যে কার ঘর  শক্ত করছেন পুলিশের ভূমিকা থেকে স্পষ্ট হয়ে যায়। পল্টনের অফিসে যেখানে বিএনপির সিনিয়র নেতারা চেয়ার নিয়ে বসতে পারেন না; অফিসের দরজা ভেঙে পঙ্গু রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় সেখানে এক সপ্তাহ ধরে রাস্তা বন্ধ করে মিছিল-স্লোগান হয়, ককটেল ফাটে; কিন্তু পুলিশ নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে থাকে। ছাত্রদলের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশ এখন সহযোগী। বাহ্ চমৎকার!   এমন পরিস্থিতির জন্য শুধু বিদ্রোহীরা দায়ী তা নন, পদবঞ্চিত নেতারা ছাত্রদলের সাবেক দুই সভাপতি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি ও সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছেন। এই দুই নেতা ছাত্রদলের কমিটি গঠনে কমবেশি ভূমিকা রেখেছেন। এখন তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠেছে, তা এড়িয়ে যাওয়ার নয়। এ দ্ইু নেতার বিরুদ্ধে নানা ধরনের দুর্নীতির গুঞ্জন রয়েছে। ছাত্রবিষয়ক সম্পাদকের কারণে যদি সংগঠনে বিভেদ-বিভাজন বাড়তে থাকে তাহলে সে অভিভাবকত্ব কী কাজে লাগবে? প্রকৃতপক্ষে যাদের ওপর দল গঠনের দায়িত্ব পরে তারা যদি কোটারি স্বার্থে সংগঠনকে ব্যবহার করার চেষ্টা করেন তাহলে তা শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহে রূপ নেয়া স্বাভাবিক। কারণ, বিএনপি ক্যাডারভিত্তিক কোনো সংগঠন নয় কিংবা আওয়ামী লীগের মতো কর্তৃত্ববাদী দলও নয়। ছাত্রদলের সাবেক কয়েকজন সভাপতি যেভাবে ধন-সম্পদের মালিক বনে গেছেন, তাতে ছাত্রদলের কমিটির সদস্য হওয়া অনেকের কাছে ক্যারিয়ার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ছাত্রদলের বিদ্রোহীরা অভিযোগ করেছেন নতুন কমিটিতে নাকি ছাত্রলীগ ঢুকে পড়েছে। যদি ছাত্রলীগ ঢুকে পড়ে বিএনপির জন্য তাতেও কোনো সমস্যা আছে বলে মনে হয় না। কারণ, যারা প্রকৃত ছাত্রদলের বলে দাবি করছেন তারাই বা গত সাত বছরে ছাত্রলীগের মোকাবেলায় কী করেছেন? তাহলে ছাত্রলীগ ঢুকল, না অন্য কোনো ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী ঢুকল তাতে কী-ই বা আসে-যায়। এ ছাড়া বিএনপির কোনো কোনো নেতা তো বিএনপির নামে আওয়ামী লীগের রাজনীতি চালু করতে চান। দলের নাম বিএনপি হলেও রাজনীতি হবে আওয়ামী লীগের সেকুলার রাজনীতি। এতে নাকি বিদেশী সমর্থন নিয়ে দ্রুত ক্ষমতায় যাওয়া যেত। এরাই খালেদা জিয়া সিঙ্গাপুরে থাকা অবস্থায় শাহবাগের সমর্থনে বিবৃতি দিয়েছিল। পিয়াস করিমের মৃত্যুর পরের ঘটনা থেকে হয়তো তারা উপলদ্ধি করতে পারছেন, উগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদের সাথে আওয়ামী সেকুলারিজম এক ঘোরতর মৌলবাদী বিশ্বাসে রূপ নিয়েছে। এখানে যতই আওয়ামী লীগের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হবে ততই আওয়ামী লীগ তাদের গুরুত্বহীন করবে, এমনকি সামাজিক মর্যাদাও দেবে না। ছাত্রলীগের কর্মীরা যদি ভোল পাল্টিয়ে ছাত্রদলে যোগ দেন তাহলে এদের পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার মতো নেতার অভাব হবে না। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে যখন ছাত্রদল গঠন করেন, তখন তার রাজনৈতিক ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য ছাত্রসংগঠন গঠনের প্রয়োজন ছিল না। তখন তিনি যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিলেন। ১৯৭২-৭৪ সালের দুঃশাসন ও গণতন্ত্রহীন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য মানুষ একজন রাষ্ট্রনায়ক খুঁজছিল। ৭ নভেম্বরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সেই রাষ্ট্রনায়কের আবির্ভাব ঘটেছিল। রাষ্ট্রের দায়িত্বভার গ্রহণের পর তিনি বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষের সাথে খুব সহজভাবে মিশেছেন। গণমানুষকে সাথে নিয়ে তার মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা এই কাজকে আরো সহজ করে দিয়েছিল। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন একজন রাষ্ট্রনেতা হিসেবে পরবর্তী প্রজন্মের ব্যাপারে তিনি সমান মনোযোগী ছিলেন। মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সাথে কথা বলতেন। এ জন্য তাদের জন্য আয়োজন করেছিলেন নৌবিহারের। তিনি উপলদ্ধি করেছিলেন একটি আধুনিকমনস্ক, জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত ছাত্রসংগঠন গড়ে উঠবে। এ কারণে আমরা দেখছি ৮০-এর দশকে মেধাবী ও আধুনিক উদ্যমী অনেক তরুণকে ছাত্রদলে যোগ দিতে। তার এই অনুপ্রেরণায় গড়া ছাত্রসংগঠনের সুফল পাওয়া গেছে গোটা এরশাদবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের সরব উপস্থিতি। সে সময় অনেক ছাত্রদল নেতাকর্মী ত্যাগ স্বীকার করেছেন। পঙ্গু হয়েছেন, দীর্ঘ সময় জেল খেটেছেন। সেই ছাত্রদল এখন আদর্শহীন রাজনীতির উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ছাত্রদলের নামে পল্টনে জিয়াউর রহমানের মুর‌্যালে যখন আঘাত করা হয়, তখন কবর থেকে জিয়াউর রহমান হয়তো আক্ষেপ করেন, এই তরুণদের জন্য কী ছাত্রসংগঠন গড়ে এসেছিলাম? বাস্তবতা হলো, এই ছাত্রদল জিয়াউর রহমানকে ভুলে গেছে। দুর্ভাগ্য, এরাই এখন ছাত্রদলের নেতৃত্ব দেয়ার জন্য সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছেন। তবে বলতেই হবে, ছাত্রদলের এই পরিস্থিতির জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের দায় নিতে হবে। কেন সবাই ছাত্রদলের নেতা হতে চায়, তা আগে অনুধাবন করা দরকার। আওয়ামী লীগের রাজনীতি যদি বিএনপি নেতারা প্রমোট করতে চান, তাহলে ছাত্রদলের অবস্থা আগামী দিনে ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে।  

বিস্তারিত»

এক্সক্লুসিভ

‘ফোর্সড ডিজঅ্যাপেয়ারেনসেস সার্জ ইন বাংলাদেশ

সিলেটের আলাপ ডেস্ক:গুম বেড়েছে বাংলাদেশে। যারা গুম হচ্ছেন তার বেশির ভাগই বিরোধীদলীয় নেতাকর্মী। জবাবদিহির ঘাটতি থাকায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর হাতে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের অপহরণের সংখ্যা বেড়েছে। নিজেদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছে র‌্যাব। গতকাল অনলাইন আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়। ‘ফোর্সড ডিজঅ্যাপেয়ারেনসেস সার্জ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ প্রতিবেদনটির লেখক ডেভিড বার্গম্যান। এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন অধিকার-এর মতে গত দু’বছরে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো বাংলাদেশে অপহরণ করেছে ৭৫ জনকে। এর মধ্যে ২৮ জন অপহরণের পর ফিরে এসেছে। ১২ জনকে পাওয়া গেছে মৃত অবস্থায়। বাকি ৩৫ জন এখনও নিখোঁজ। প্রত্যক্ষদর্শীরা এসব অপহরণের জন্য দায়ী করেছেন র‌্যাব অথবা পুলিশের গোয়েন্দা শাখাকে। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রায় এক বছর আগে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে কালো পোশাক পরা কিছু লোক জোর করে তুলে নিয়ে যায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থানীয় নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনকে। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি কোথায় আছেন কেউ জানে না। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, আধা সামরিক বাহিনী র‌্যাবের পোশাক পরা কিছু লোক সুমন ও অন্য ৬ জনকে মাথা ঢেকে জোর করে তাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। এর মধ্যে ছিলেন সুমনের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় তানভির। তাদেরকে গাড়িতে তুলে নেয়ার পর পরই গাড়ি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত চলে যায়। এ জন্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ গবেষক আব্বাস ফয়েজ বলেন, নিরাপত্তা রক্ষাকারীদের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারকে সুদূরপ্রসারী ও কঠোর অবস্থান নিতে হবে। এসব মামলায় তাদের জবাবদিহির যে অভাব রয়েছে তার ইতি ঘটাতে হবে। অপহৃত সাজেদুল ইসলাম সুমনের ছোট বোন সানজিদা বলেন, ভাইয়াকে তুলে নেয়ার আধা ঘণ্টার মধ্যে আমার মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা উত্তরায় র‌্যাব-১ অফিসে যান। কিন্তু সেখানকার ডিউটি অফিসার এ ঘটনায় র‌্যাব জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন। তিনি আরও বলেন, সুমন কোথায় থাকতে পারেন সে বিষয়ে কোন তথ্য নেই তাদের কাছে। ওই ঘটনার পর অপহৃতদের কাউকেই আর দেখা যায় নি। ওদিকে সুমন অপহরণের পর পরিবারের সদস্যরা র‌্যাবের কাছে কোন সদুত্তর না পেয়ে থানায় যান। সেখানেই তারা একই জবাব পান। এমনকি তাদেরকে লিখিত অভিযোগ দিতেও দেয়া হয় না। সানজিদা বলেন, পুলিশ আমাদেরকে বলে যে- আপনারা শুধু এটুকু লিখতে পারেন যে, সুমন বাড়ি থেকে চলে গিয়েছেন। তারপর তিনি ফিরে আসেন নি। তিনি নিখোঁজ। প্রকৃতপক্ষে যা ঘটেছিল তারা তা লিখতে দিচ্ছে না। র‌্যাবের বিরুদ্ধে তারা কিছু লিখতে দিচ্ছিল না। ডেভিড বার্গম্যান আরও লিখেছেন, মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের মতে, আগের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণের চেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছরের এপ্রিলে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে উদ্ধার করা হয় সাতজনের মৃতদেহ। তাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনার চারদিন আগে তাদেরকে অপহরণ করেছিল র‌্যাবের কিছু সদস্য। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় হয়। হাইকোর্টের বিরল হস্তক্ষেপে র‌্যাবের ৯ সদস্য এখন আটক আছে। তদন্ত চলছে পুলিশের। অধিকার-এর সম্পাদক আদিলুর রহমান খান বলেন, এমন গুমের সঙ্গে পুলিশ বা অন্য কোন তদন্তকারী সংস্থার যে কোন রকম সম্পৃক্ততা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। যেসব মানুষকে গুম করা হয়েছে তাদের বেশির ভাগই বিরোধী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত। সাজেদুল ইসলাম সুমন ছিলেন ঢাকার শাহীনবাগ এলাকার বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তার বোন সানজিদা বিশ্বাস করেন- রাজনীতি করার কারণেই তার ভাইকে অপহরণ করা হয়েছে। নিজের এলাকায় সুমন ভাল একজন রাজনৈতিক সংগঠক ছিলেন। নিজেদের পরিবারের অবস্থা প্রকাশ করতে এমন গুমের শিকার পরিবারগুলো এখন একজোট হওয়ার চেষ্টা করছে। সুমনের মা এ জন্য নতুন একটি গ্রুপ গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘মাদারস কল’ বা মায়ের ডাক। এক্ষেত্রে সুমনের মাকে সহায়তা করছেন সানজিদা। যে সব ব্যক্তিকে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন অপহরণ করেছে তাদেরকে নিয়ে এ সংগঠন দাঁড় করানো হচ্ছে। ৬০ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রুহুল আমিন চৌধুরী। তার ছেলে আদনান চৌধুরীকে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনা ঘটে ২০১৩ সালের ৫ই ডিসেম্বর। ওই দিন মধ্যরাতের দিকে শাহীনবাগের বাসা থেকে তাকে তুলে নেয়া হয়। তার বাড়িতে বেশ কিছু লোক প্রবেশ করে সে রাতে। এ সময় তাদের অনেকে ছিল সশস্ত্র। কারও কারও পরনে ছিল র‌্যাবের পোশাক। রুহুল আমিন চৌধুরী বলেন- তারা আমার কাছে জানতে চায় আমার ছেলের বেডরুম কোনটি। আমি তাদেরকে দেখিয়ে দিই। তারপর তারা আমাকে আমার রুমে বসতে বলে। তারা আমার টিনশেডের বাসার সবগুলো রুম তল্লাশি করে। তারা বলে যে, আমরা আদনানকে নিয়ে যাচ্ছি। সে পরের দিন সকালে ফিরে আসবে। সুমনের মতো আদনানও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সকালে আদনান ফিরে না এলে তার পিতা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, এ সময় তিনি র‌্যাব কার্যালয় সহ বিভিন্ন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার অফিসে, গোয়েন্দা অফিসে ও থানায় গিয়েছেন। কিন্তু কেউই তাকে কোন তথ্য দিতে পারে নি। রুহুল আমিন বলেন, কেউ আমার সন্তানের খোঁজ দিতে না পারায় আমি হতাশ হয়ে পড়ি। যখন আমি দেখেছি, এলাকার অন্য মানুষ দেখেছে কিভাবে আদনানকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তখন কিভাবে র‌্যাব ও অন্যরা মিথ্যা বলতে পারে? তারা তো আমার ছেলেকে ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তারা আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। উচ্চ শিক্ষার জন্য মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা ছিল আদনানের। ৫ই ডিসেম্বর শুধু আদনানকেই নিয়ে যাওয়া হয় নি, বিএনপির আরেকজন সমর্থক কাওসার আহমেদকেও তুলে নেয়া হয়। তারপর থেকে তাদের কাউকেই আর দেখা যায় নি। এসব ঘটনায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে র‌্যাব। র‌্যাবের মিডিয়া ও লিগ্যাল উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, এসব ঘটনায় র‌্যাব মোটেও জড়িত নয়। মানুষ বলতে পারে যে, তারা র‌্যাবের গাড়ি দেখেছে। কিন্তু ঘটনা তা নয়। যখন আমরা কাউকে আটক করি তাদেরকে আমরা আইনি পদক্ষেপ নিতে তুলে দিই পুলিশের কাছে। এ মাসের শুরুর দিকে বাংলাদেশে গুম বৃদ্ধির নিন্দা জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এ সংস্থার বাংলাদেশ গবেষক আব্বাস ফয়েজ বলেন, নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা গুমের জন্য দায়ী থাকলেও তারা তা অস্বীকার করে। এটা একটি বিরক্তিকর প্রবণতা। বাংলাদেশে গুমের ঘটনার তদন্ত বিরল ঘটনা। যথারীতি পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। তবে মামলা তখনই নেয় যদি আদালত তদন্ত করার নির্দেশ দেন। তারপরও পুলিশ খুব সামান্যই তদন্ত করে।  

বিস্তারিত»

মতামত

চোরাচালানের রাহু গ্রাসে দেশ

যে কোন দেশের স্বাধীনতা সাবভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক উন্নতির প্রথত শর্ত সীমান্ত রক্ষা করা। কিন্তু এই জাতির দূর্ভাগ্য বিদেশে বিশেষ করে ভারতীয় শিল্পজাত এবং কৃষি পন্য এদেশে অবাধে প্রবেশ করছে। ফলে ভারতীয় পন্য বাংলাদেশের বাজার নিয়ন্ত্রন করছে। ভারতীয় পন্যের সাথে বাংলাদেশের কৃষি ও শিল্প পন্য প্রতিযোগীতায় টিকতে না পারায় দেশের শিল্প ও কৃষি ব্যাবস্থা প্রায় ধ্বংসের মুখে। ফলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা মুখ থুবড়ে পড়েছে। শহর গ্রামে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি নানা রকম সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। আল্লাহতায়ালা সকল সমাজে ও রাষ্ট্রে একই ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদ ও আবহওয়া সৃষ্টি করেনি। আমাদের প্রতিবেশী ভারত একটি বিশাল দেশ। তাদের দেশে তামা, লৌহ কয়লাসহ নানা রকম রাসায়নিক পদার্থ ও শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাচামাল প্রচুর পাওয়া যায়। অপর দিকে আমাদের দেশে এধরনের প্রাকৃতিক সম্পদ ও কাচা মাল বিদেশ থেকে উচ্চ মুল্যে আমদানী করতে হয়। ফলে এই ধরনের শিল্পপন্য ভারত আমাদের চেয়ে কম মুল্যে দিতে পারে। তাই ভারতীয় পন্য যাতে অবাধে আমাদের দেশে প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে নজর রেখে বানিজ্য নীতি গ্রহন সহ সীমান্ত কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে হবে। যাতে করে ভারতীয় পন্য চোরাপথে আমাদের দেশে প্রবেশ করতে না পারে।  আমাদের সদ্য স্বাধীন দেশটিকে অর্থনৈতিক ভাবে উন্নত করতে হলে আমাদের শিল্প এবং কৃষিতে বিপ্লব আনতে হবে।  তবেই স্বাধীনতার স্বপ্ন পুরন হবে। কিন্তু অর্থনীতি তো দুরের কথা আমরা অর্থনৈতিক কাঠামোই গড়ে তুলতে পারলামনা।  দেশের সিংহভাগ মানুষ খাদ্য বস্ত্র, বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসার অভাবে জীবনের র্অথ না বুঝেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিচ্ছে। প্রখ্যাত অর্থনীতিবীদ রুষ্ট্রো  বলেছেন, অর্থনৈতিক সাম্য ছাড়া রাজনৈতিক সাম্য র্অথহীন।আমাদের দেশে অর্থনৈতিক সংকটের অনেক কারন আছে। তবে আমাদের দেশের অর্থনীতির প্রধান সমস্যা চোরাচালান। আর এই সব স্মাগলাররাই সমাজে বীর দর্পে বিচরন করছে এবং এরাই জাতীয় সম্পদ ও রাষ্ট্রকে বহুলাংশে নিয়ন্ত্রন করছে। আর এই সব স্মাগলাররা বিদেশে বিভন্ন মাফিয়া দলের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে  বীরদর্পে বিদেশী বিশেষ করে ভারতীয় পন্য অবৈধভাবে আমাদের দেশে আমদানী করছে। সরকার এদেরকে প্রতিরোধ না করে বরং সহযোগীতার মনোভাব নিয়ে সীমান্ত খুলে দিয়েছে।  আগে ভারতীয় পন্য আসতো গোপনে এখন আসছে দিবালোকে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর নাকের ডগার উপর দিয়ে। বাংলাদেশের শহরে বন্দরে, গ্রামে গঞ্জে ভারতীয় পন্যের সমারোহ দেখলে মনে হয় বাংলাদেশে ভারতীয় পন্যের মেলা বসেছে। ভারতীয় পন্যে বাংলাদেশের বাজার সয়লাব হয়ে যাওয়ার  ফলে দেশের শিল্পজাত পন্য যেমন কাপড় , সুতা, চিনি লবন, দিয়াশলাই, সাইকেলসহ অন্যান্য শিল্পজাত পন্য বিক্রেতার অভাবে গুদামজাত হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে সরকারে ও বেসরকারী মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো কোটি কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। মিল মালিকরা শিল্প কারখানা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছে।  ফলে হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ছে। অন্যরা দেশে মিল কারখানা গড়ে  তুলতে সাহস পাচ্ছে না। এরই ফলশ্রুতিতে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কোন নতুন কর্মসংস্থান গড়ে তোরা সম্ভব হচ্ছে না। দক্ষিন কোরীয়া মালেশিয়া. শিঙ্গাপুর ভিয়েতনাম আমাদের পরে স্বাধীন হয়েছে, অথচ তারা দ্রুত উন্নতির দিকে ধাবিত । এইসব দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির প্রধান কারন তাদের দেশে প্রচুর বৈদেশিক  বিনিয়োগ ও সরকারী ভাবে সঠিক বানিজ্যনীতি ও শিল্প পরিকল্পনা ও তার শুষ্ঠু প্রয়োগ। আমাদের অর্থনৈতিক উন্নতি করতে হলে আমাদের সমাজে বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। রাজনৈতিক স্থীতিশীলতা, নিরাপত্তার অভাবে বিদেশীরা আমাদের দেশে অর্থ বিনিয়োগ করতে চায় না। সেই  সাথে আমাদের দেশে ভারতীয় পন্যের অভাব বিচরনের ভয়েও অনেক কোম্পানি আমাদের দেশে আসতে চায় না।  বর্তমানে ভারতীয় শিল্প পন্যের পাশাপাশি ভারতীয় কৃষি পন্যে আমাদের বাজার পরিপূর্ন। ভারতী কৃষি পন্যের সাথে এই দেশীয় কৃষকরা প্রতিযোগীতায় টিকতে না পারায় গ্রামের বেকার, কৃষক ও যুবকরা শহরের দিকে ছুটছে কাজ, চাকরি ও ব্যবাসর জন্য। ফলে শহরের উপর চাপ বাড়ছে প্রচন্ড। ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন বড় শহরে নতুন নতুন বস্তি গড়ে উঠছে। কর্মের এবং অর্থের  অভাবে এইসব যুবকরা   হাইজ্যাক, ডাকাতি, চুরি ছিনতাই সহ নানা রকম সন্ত্রাসী কাজে যুক্ত হয়ে পড়ছে। এরই পাশে এইসব যুবকেরা ফেনসিডিল, হেরোইন সহ নানারকম মাদকদ্রব্যে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। সমাজ বিজ্ঞানীরা সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ, নারী ও শিশু নির্যাতন বৃদ্ধির জন্য, বেকারত্ব ও বস্তি এলাকা নোংরা পরিবেশকে বহুল অংশে দায়ী করেছেন। বস্তি এলাকার নোংরা পরিবেশ সমাজ বিরোধী কার্যকলাপকে উৎসাহিত করে। এইসব বেকারদের অনেকেই চোরাচালানের গড ফাদারদের সহযোগী হয়ে কাজ করছে। সমাজ বিজ্ঞানীদের দৃষ্টিতে দেখলে দেখা যায়-চোরাচালান শুদু আমাদের র্অথনীতিই ধ্বংস করছে না, ধ্বংস করছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও। আগামী দিনের জাতীর সবচেয়ে  বড় সম্পদ যুব সমাজ, যারা দেশকে গড়ে তুলবে। তাদেরকে ধ্বংসের জন্য ভারত থেকে শিল্পজাত পন্যে পাশাপাশি ফেনসিডিল, হোরোইন, প্যাথিড্রিনসহ নানা রকম ক্ষতিকর মাদকদ্রব্য  আমদানী করে যুবকদের হাতে তুলে দিচ্ছে নৈতিক মুল্যবোধ ও ধর্মীয় অনুশাষনকে উপক্ষা করে, শুধু কিছু অর্থের লোভে। ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায় পৃথিবীর  যে সব রাষ্ট্র ও সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ যারা রাষ্ট্র ও সমাজকে নিয়ন্ত্রন করে তারা যদি শুধু ক্ষমতার লোভে নৈতিক মুল্যবোধকে উপেক্ষা করে তবে সেই সমাজে সমাজিক মুল্যবোধের অবক্ষয় হয় এবং একসময় সে দেশে রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় ধ্বস নামে।  আমাদের দেশে বেশ কিছু রাজনীতিবীদ আছেন যাদের মনোভাব রাজনীতির মহৎ উদ্দেশ্য দেশ ও সেবা  মানব কল্যান বড় কথা নয়; রাজনীতির নামে দূর্নীতির ব্যবসা চালিয়ে  যাওয়া, জনগনের সম্পদ ভোগ করা। এদের মধ্যে  অনেকেই চোরাচালানের গড ফাদারের ভুমিকা পালন করছে। এদের থেকে উৎসাহিত হচ্ছে প্রশাসন। যার ফলে সমাজে দূর্নীতি ও চোরাচালান দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। এদের রুখবে কে? এক শ্রেনীর কিছু শিল্পপতি আছে যারা শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠার নাম করে ব্যাংক থেকে কোটি কোটি টাকা ঋন নেয়। এদের অধিকাংশই ঋন খেলাপী। এরা শিল্পকারখানা  স্থাপন না করে বিদেশ থেকে বিশেষ করে ভারত থেকে চোরাচালীর মাধ্যমে বিভিন্ন মালামাল আমদানী করছে; ফলে দেশ রসাতলে যাচ্ছে। তাতে তাদের কিছু যায় আসে না। তাদের চাই শুদু র্অথ, বিলাসিতা আর ভোগের মাধ্যমে জীবনকে পরিপূর্ন করা। এদের পাশাপাশি এক শ্রেনীর অসাদু বিডিআর এবং পুলিশ কর্মকর্তা আছেন যাদের উপর ন্যাস্ত রয়েছে সীমান্ত রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব; যাদের কর্তব্য চোরাচালান ও দেশের সম্পদ রক্ষা করা। এরা এসব মহান দায়িত্ব কর্তব্য এড়িয়ে হারাম অর্থের জন্য চোরাকারবারী ও সম্পদ পাচারকারীদের সঙ্গে ব্যাবসায়ীক সর্ম্পক গড়ে তুলছে। ভারতের পন্যের আমদানীর পাশাপাশি আমাদের দেশের মুল্যবান সম্পদ সীমান্তের ওপারে নির্বিচারে পাচার হয়ে যাচ্ছে। কুষ্টিয়া শহরের বড়বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পিতল, তামা, কাসা মুল্যবান শিলাখন্ড সহ বিভিন্ন রকমের ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী ভারতে পাচার হচ্ছে। হুন্ডির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদ সীমান্তের ওপারে চলে যাচ্ছে দেদারচ্ছে। পুলিশ এসব চক্রের সবাইকে খুবভালো ভাবেই চেনে অথচ এদের বিরুদ্ধে আইন গত কোন ব্যবস্থা না নিয়ে বরং তাদের রক্ষক হিসাবে কাজ করছে। নির্ভর যোগ্য সুত্র মতে কুষ্টিয়ার মজমপুর হতে দৌলতপুর রোড, বটতৈল হতে পোড়াদহ রোড মাদক দ্রব্যসহ সকল পন্যের চোরাচালান ও সম্পদ পাচারের জন্য সব থেকে নিরাপদ রুট হিসাবে বিবেচিত। আর্ন্তজাতিক মাফিয়া চক্র এই সব পথ দিয়ে মংলা বন্দর হতে বিভিন্ন সামুদ্রিক জাহাজের মাধ্যমে ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন স্থানে এসব মালামাল ও মাদকদ্রব্য অবাধে পাচার করছে। পুলিশ বাহিনী একটু সৎ ও সঠিক হলে এসব চোরাকারবারীদের সমুলে রোধ করা কোন কষ্টকর ব্যাপার নয়। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে এই রকম মহৎ সদিচ্ছার খুবই অভাব বরং হরহামেশাই এই রকম দেখা যায় যে, পুলিশ বাহিনী পাহারা দিয়ে এই সব জঘন্য চোরাচালানীদের নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেয়। সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত অধিকাংশ বিডিআর কর্মকর্তারাই চোরাচালানীদের সাথে আতাঁত করে সঠিক দায়িত্ব পালন করে না। আর এভাবেই আমাদের দেশ আজ ভারতীয় পন্য বাজারে পরিনত হয়েছে। ফলে র্অথনীতি ও শিল্প প্রতিষ্ঠান মুখ থুবড়ে পড়েছে। আস্তে আস্তে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে চোরাচালান ও  সম্পদ পাচারের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা যায়। সর্বাগ্রে এবিষয়ে সরকারের দায়িত্ব মুখ্য, তবে জনগনের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। এ ক্ষেত্রে  সরকার জনগনকে দেশাত্মবোধ ও দেশপ্রেম সচেতনতা বৃদ্ধি করতে সঠিক প্রচার এবং কার্যকর ব্যবস্থা  গ্রহন করবে।   কিন্তু বর্তমান সময়ে সরকার তার দায়িত্ব সমন্ধে সচেতন নয় বলে মনে হয়। কারন বর্তমানে চোরাচালান বৃদ্ধি পেয়েছে। সীমান্তের দরজা খোলা। ভাবখানা দেখে দনে হচ্ছে সরকার বাহাদুর এখন পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রকে খুশি করতে ব্যস্ত। কিন্তু সরকারকে জানা দরকার এভাবে চলতে থাকলে দেশটা নিশ্চিত ধ্বংসের দ¦ার প্রান্তে গিয়ে ঠেকবে। তখন খাঙা স্তুপ আর শ্মশানের উপর দাড়িয়ে  শাসন করবেন কাদের?  গাছ কেটে গাছের গোড়ায় পানি ঢাললে ফলাফল হবে শুন্য। অতএব অন্যকে খুশি করার বদৌলতে নিজেকে ধ্বংস করার থেকে এবার নজর টাকে বাইরে ঘুরিয়ে নিজের দেশের দিকে তাকান। সীমান্তটাকে কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রনের ব্যাবস্থা নিন, প্রয়োজন হলে বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করুন। চোরাকারবারী, পাচার কারীচক্র, রাজনীতিবীদ, বিডিআর, পুলিশ যেই হোক না কেন তাদেরকে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির ব্যাবস্থা নিতে হবে। নিরেপক্ষ ভাবে কঠোর বিচারের ব্যবস্থা নিলে এ সমস্যার সমাধান করতে খুব বেশী সময় লাগবে না বলে মনে হয়।  এ সংকটময় পরিস্থিতিতে সমাজে দায়িত্ব বান লোকদের  আর চুপ করে বসে থাকলে চলবে না। এই সব সমাজ বিরোধী ব্যক্তিদের  সামাজিক ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এদের বোঝাতে হবে সমাজ এদের ঘুৃনা করে, দেশের শত্রু মনে করে। যেহেতু সরকার কর্তৃপক্ষের এই দিকে কোন নজর নেই সেহেতু দেশপ্রেমিক জনগনই এখন একমাত্র ভরসা।এখন শুধু জনগনই পারে এই সব ঘৃন্য সমাজ বিরোধীদের বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়তে। আশা করি জাতীয় স্বার্থে দেশবাসী চোরাচালান ও দেশী পন্য পাচারকারীদের গনপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে। লেখক, কলামিস্ট ও রাজনীতিবিদ ও সমাজ গবেষক - অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন।    

বিস্তারিত»

বিনোদন

বছরের সেরা মোহনীয় নারী স্কারলেট জনসন

বিনোদন ডেস্ক : বাফটা পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অভিনেত্রী স্কারলেট জনসন ২০১৪ সালের মোহনীয় নারীর খেতাব জিতেছেন। আমেরিকান টিভি চ্যানেল এবিসি এর জরিপে তিনি এ খেতাব লাভ করেন। বিনোদন, খেলাধুলা, রাজনীতি ও শিল্পসাহিত্যে অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়। টিভি চ্যানেল এবিসি’র পক্ষ থেকে আমেরিকান লেখক, টিভি ব্যক্তিত্ত্ব ও সাংবাদিক বারবারা ওয়াল্টার এ জরিপ পরিচালনা করে থাকেন। ই-অনলাইন তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছেন ওয়াল্টার বিগত কয়েক মাস যাবৎ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছিলেন।   এ বিষয়ে ওয়াল্টার বলেন, ‘এবিসি আমাকে আবার শীর্ষ দশ মোহনীয় নারী নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত’। তিনি আরো বলেন, ‘যদিও গত বছর আমরা বলেছিলাম, এ ধরণের নির্বাচন আর করব না। কিন্তু আমাদের চারপাশে এত মোহনীয় নারী রয়েছে যে, আমরা তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকার না করে পারলাম না।’ এ তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন টক শো কুইন অপরাহ উইনফ্রে। তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে চেলসি হ্যান্ডলার এবং নেইল প্যাট্রিক হ্যারিস।  

বিস্তারিত»

স্বাস্থ্য ও রুপচর্চা

ব্ল্যাক হেডস নিয়ে ভাবছেন?

ঢাকা:কাজের খাতিরে দিনের বেশির ভাগ সময়ই আপনাকে থাকতে হয় বাইরে।তাই ঋতু বদলের ঝক্কিটাও পোহাতে হয় দারুনভাবে।শীতের আগমনীতে রুক্ষ-শুষ্ক ত্বক আর ধুলাবালির বিড়ম্বনা তো আছেই। বিশেষ করে যারা বাইক চালান তাদের উপর এই ঝক্কিটা থাকে আরও বেশি।এসব কারণে ত্বকে দেখা যায় বেশ কিছু সমস্যা। তার মধ্যে ব্ল্যাক হেডস অন্যতম। অনেক ছেলেই আছেন যারা নিজের চেহারার প্রতি একটু কমই গুরুত্ব দেন। যা মোটেই ঠিক নয়। ব্ল্যাক হেডস হলে নাকের ত্বকে কালো ছোপ পড়ে। ত্বকের উজ্জ্বলতা অনেকখানি নষ্ট হয়।বাস্তবের তুলনায় বেশি বয়স দেখায়। একসময় নিজের চোখেই নিজেকে বেশ বেমানান লাগে। তাই প্রথম থেকে ব্ল্যাক হেডস দূর করার ব্যাপারে সচেতন হওয়া জরুরী। তা না হলে নাকের ওপরের অংশ থেকে এটি সারা ত্বকে ছড়িয়ে যেতে পারে। রূপ বিশেষজ্ঞ সুমাইয়া শারমিন মনে করেন, যেকোনো বয়সে ব্ল্যাক হেডস হতে পারে। কৈশোর ও প্রৌঢ় বয়সে ব্ল্যাক হেডসের সমস্যা বেশি দেখা যায়। মূলত মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার না করলে ত্বকে ময়লা জমে। এতে ত্বকের মৃতকোষ রোমকূপ বন্ধ করে এই সমস্যা সৃষ্টি করে।যেসব পুরুষ কাজের ফাঁকে একদমই সময় পান না, কিন্তু ভুগছেন এধরণের সমস্যায়।তাদের জন্য রইলো সময় বাঁচানো সহজ কিছু টিপস… - পরিমাণমতো লেবুর রস, মধু, কর্ন ফ্লাওয়ার, ভিনেগার ও চিনি একসঙ্গে মিশিয়ে একটা প্যাক তৈরি করুন।সপ্তাহে কমপক্ষে তিন দিন নাকের চারপাশের অংশে ভালোকরে ম্যাসাজ করুন। - দুই চা-চামচ ডিমের সাদা অংশ, চন্দনের গুঁড়া, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে এই পদ্ধতিতে ম্যাসাজ করা যেতে পারে। প্রতিদিন দুবার এই প্যাক ব্যবহার করলে ব্ল্যাক হেডস অনেকাংশে কমে যায়। চাইলে প্যাক তৈরি করে ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করা যায়। প্যাক ব্যবহার শেষে মুখ ভালো করে ধুয়ে নাকের পাশে বরফ দিয়ে ঘষে নিলে ভালো হয়। যাদের ব্ল্যাক হেডসের প্রকোপ বেশি, চাইলে পার্লারে গিয়ে ১০ মিনিট ফেসিয়াল কিংবা রেগুলার ফেসিয়াল করাতে পারে। এই ফেসিয়াল মাসে তিনবার পর্যন্ত করা যায়। এতে ত্বকের কোনো ক্ষতি হয় না। একই সঙ্গে নিয়মিত ভালোভাবে মুখ ধোয়ার অভ্যাস রাখতে হবে। এতে ব্ল্যাক হেডস কমে যাবে, ত্বক হবে সুন্দর আর আকর্ষণীয়।

বিস্তারিত»

সম্পাদকীয়

ঈদুল আজহা মোবারক

আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের উৎসব কোরবানির ঈদ এল আবার। ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর ঈদুল আজহা মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব। এই দিনে আল্লাহর সমীপে পশু কোরবানির মাধ্যমে তার নিকটবর্তী হয় প্রিয় বান্দারা। তাই কোরবানির আনন্দের পাশাপাশি আত্মোৎসর্গের মনোভাব ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য নিয়ে  পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। ইসলামি শরিয়াহ মতে, ঈদুল আজহায় সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলমানের ওপর কোরবানি ওয়াজিব। তবে অসমর্থ বান্দাদের ওপর কোরবানির বাধ্যবাধকতা নেই। কোরবানির গুরুত্ব সম্পর্কে মহানবী (সা.) বলেছেন: “যে ব্যক্তি সংগতি থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করল না, সে যেন আমার ঈদগাহে না আসে।” আল্লাহর উদ্দেশে প্রিয় বস্তু উৎসর্গ করাই কোরবানি। যেমনটি করেছিলেন হজরত ইব্রাহিম (আ.)। আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার তাগিদে প্রিয় পুত্র ইসমাইলকে কোরবানি দিতে গলায় ছুরি চালিয়েছিলেন তিনি। তার এই সীমাহীন ভক্তি ও ত্যাগের সদিচ্ছায় সন্তুষ্ট হয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ইসমাইলের স্থলে একটি দুম্বা কোরবানি করিয়ে দেন। এরপর থেকে পশু কোরবানি করা আল্লাহর ‍প্রতি ভালোবাসা ও ত্যাগের প্রতীকী আচার হয়ে দাঁড়ায়। এর মাধ্যমে বান্দা তার সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি ও সান্নিধ্য লাভের পাশাপাশি নিজের ভেতরের পশুশক্তি, কাম-ক্রোধ, লোভ ইত্যাদি রিপুও বিসর্জন দেয়। আমাদের খেয়াল রাখতে হবে, পশু কোরবানি যেন কোনো লোক দেখানো বা প্রতিযোগিতার বিষয় না হয়। শুদ্ধ নিয়ত ও আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার তাগিদ থেকেই পশু কোরবানি দিতে হবে। আর আমরা অবশ্যই নিয়ম মেনে কোরবানির গোসত বণ্টন করব। তিন ভাগের এক ভাগ দরিদ্রদের জন্য, এক ভাগ প্রতিবেশী-আত্মীয়স্বজনের জন্য এবং এক ভাগ নিজের জন্য রাখব। আল্লাহ বলেছেন, “আমার কাছে কোরবানির গোসত ও রক্ত কিছুই পৌঁছায় না। বরং পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।” কোরবানির মাধ্যমে অন্তরের পবিত্রতা অর্জন করব কিন্তু পরিবেশের পবিত্রতার দিকটি অবহেলা করব, তা যেন না হয়। পশু কোরবানির পর রক্ত ও আবর্জনা নিজ উদ্যোগে পরিষ্কার করতে হবে। তা সে নগর হোক কিংবা গ্রাম। রক্ত ও আবর্জনা দ্রুত পরিষ্কার না করলে তা পচে দুর্গন্ধ ছড়াবে, যা পরিবেশদূষণ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হবে। আর পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগের বিষয়টি তো আছেই। আমরা প্রতিবছরই কোরবানির পর দেখি, বিশেষ করে পশুর হাটের এলাকা ও স্থানীয় ভাগাড়ে পড়ে থাকা বর্জ্যের কারণে দুর্ভোগে পড়ে নগরবাসী। বর্জ সরাতে নগর কর্তৃপক্ষের চেষ্টা ও আয়োজন যথেষ্ট বলে প্রতীয়মান হয় না। সেটা তারা স্বীকারও করে নেন সীমাবদ্ধতার দোহাই দিয়ে। কিন্তু সব সময় এই দোহাই দেয়া কোনো কাজের কথা নয়। অবশ্যই দ্রুততম সময়ে বর্জ্য সরাতে হবে। আশা করি তারা সেভাবেই নিজেদের প্রস্তুতি সেরে রেখেছে। পবিত্র ঈদুল আজহা সবার জন্য মঙ্গল বয়ে আনুক। সিলেটের আলাপ ডট কমের পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা শুভানুধ্যায়ীদের জানাই ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।  

বিস্তারিত»

বিজ্ঞপ্তি

ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা

আনুগত্যের উজ্জ্বল মহিমায় ভাস্বর ঈদ উল আজহা।ঈদুল আজহার উদ্দেশ্য স্রষ্টার সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে প্রস্তুত থাকা।কুরবানীর সঠিক তাৎপর্যকে উপলব্ধি করে যদি ধর্মপ্রাণ মানুষ কুরবানী দেয়, তাহলে ঈদ-উল-আজহার প্রকৃত উদ্দেশ্য সার্থক হবে। এই বিশেষ দিনটিকে কেন্দ্র করে গাঢ় হয় পরস্পরের প্রতি আমাদের সহমর্মিতা, ভালবাসা এবং শ্রদ্ধাবোধ। আল্লাহ্‌তায়ালা ধনী-গরীব সবার মাঝেই ঈদের আনন্দ সমান-ভাবে বন্টনের যে শিক্ষা দিয়েছেন তা সঠিকভাবে পালনের মাধ্যমে এর তাৎপর্যকে তুলে ধরতে হবে। এই পবিত্র দিনে সিলেটের আলাপ ডট কমের সুপ্রিয় পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের  প্রতি আহবান, ত্যাগের মহিমায় উজ্জল ঈদুল আজহার দিনে আনন্দ উৎসবে ভরে উঠুক সকলের মনপ্রাণ। সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে, গরীব দুঃখীদের পাশে দাঁড়াই।। পবিত্র ঈদ-উল-আযহা  সবার জন্য বয়ে আনুক অনাবিল সুখ ও প্রশান্তি।                                                    সিলেটের আলাপ ডটকমের পক্ষে  সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি ডাঃ আব্দুল আজিজ  সম্পাদক তোফায়েল আহমদ খান সায়েক  

বিস্তারিত»

শোক-সংবাদ

কুলাউড়ার সাংবাদিক মছব্বির আলীর বড় ভাইয়ের ইন্তেকাল

কুলাউড়া প্রতিনিধি : সাপ্তাহিক কুলাউড়ার ডাক পত্রিকার বার্তা সম্পাদক ও ডেইলি নিউ নেশন প্রতিনিধি এম মছব্বির আলীর বড় ভাই মোঃ মহরম আলী গত ২০ অক্টোবর সোমবার দুপুর ২টায় সিলেট নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ..............রাজিউন)। তিনি দির্ঘদিন থেকে নানা জটিল রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৫বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ছেলে ২ মেয়ে সহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গতকাল সোমবার বাদ এশা তার গ্রামের বাড়ী উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের চাতলগাও এর নিকটস্থ মনসুর ঈদগাহ ময়দানে জানাযার নামাজ সম্পন্ন হওয়ার পর ঈদগাহ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। শোক প্রকাশ ঃ মোঃ মহরম আলী এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও তাঁর শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে শোক বিবৃতি প্রদান করেছেন সাবেক এমপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ, সাবেক এমপি এম এম শাহীন, বিএনপি নেতা এডভোকেট আবেদ রাজা, কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আ স ম কামরুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান নারীনেত্রী নেহার বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান ফজলুল হক খান সাহেদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও ভুকশিমইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম রেনু, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, কাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, শাহজালাল আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ, কুলাউড়া পলি ক্লিনিকের চেয়ারম্যান ও সাপ্তাহিক কুলাউড়ার ডাক পত্রিকার সম্পাদক এ কে এম সফি আহমদ সলমান, জেলা জাপা সহ সভাপতি মোঃ খুরশীদ উল¬্যাহ ও জেলা জাপার সাংগঠনিক সম্পাদক এ এস এম ছিদ্দিক আহমদ লোকমান, কুলাউড়া প্রেসক্লাব সভাপতি এম শাকিল রশীদ চৌধুরী, সম্পাদক মোঃ খালেদ পারভেজ বখ্শ, কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির সভাপতি বদরুজ্জামান সজল, সম্পাদক জাফর আহমদ গিলমান, সাপ্তাহিক হাকালুকি সম্পাদক উপাধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান, কুলাউড়ার সংলাপ সম্পাদক প্রভাষক সিপার উদ্দিন আহমদ, দৈনিক সবুজ সিলেট ও বর্তমান প্রতিনিধি তারেক হাসান, সাপ্তাহিক আমার কুলাউড়ার সম্পাদক জীবন রহমান, রাশীদ আলী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি সাংবাদিক মোক্তাদির হোসেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত আলতবা আল আইন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও রাশীদ আলী ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন আনু, বঙ্গবন্ধু পরিষদের আল আইন জেলা কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক হাবিবুর রহমান ফজলু, গ্রীসস্থ সিলেট বিভাগীয় ফেডারেশনের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম. আতিকুর রহমান আখই, সাপ্তাহিক হাকালুকির বার্তা সম্পাদক আব্দুল করিম বাচ্চু, সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল, দৈনিক যুগভেরীর কুলাউড়া প্রতিনিধি চয়ন জামান, দৈনিক সকালের খবরের কুলাউড়া প্রতিনিধি সাইদুল হাসান সিপন, দৈনিক উত্তরপূর্বের কুলাউড়া প্রতিনিধি আব্দুল কুদ্দুস, সাপ্তাহিক সীমান্তের ডাকের চীফ রিপোর্টার এস আলম সুমন, সাংবাদিক আব্দুল আহাদ, দৈনিক আমাদের অর্থণীতি প্রতিনিধি সেলিম আহমদ ও সাপ্তাহিক একুশের কন্ঠের কুলাউড়া প্রতিনিধি সোহেল আহমদ প্রমুখ।  

বিস্তারিত»

সাম্প্রতিক খবর সর্বাধিক পঠিত

জরিপ

Loading...

Archive