
ঢাকা: কোন উদ্যোগ বা ভরসাই পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে পারছে না। গেল সপ্তাহে লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসের দুই কার্যদিবসেই দরপতনের কবলে পড়েছে দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এঙচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জ (সিএসই)। সপ্তাহ জুড়ে কমেছে সূচক ও মোট লেনদেনের পরিমান। একই সঙ্গে কমেছে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। তবে সিএসইতে মোট লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। এর আগের সপ্তাহের বাজারের কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের যে আশার আলো দেখিয়েছিল তা এ সপ্তাহে ফের মুখ থুবড়ে পড়েছে। বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, শেয়ারবাজারে কুচক্রী বিনিয়োগকারীরা এখানো সক্রিয়। এ কারণে বাজার পড়ে যাচ্ছে। অসাধু বিনিয়োগকারীদের প্রতি সার্বক্ষণিক নজরদারিসহ শাস্তি প্রদান ছাড়া কোনো উদ্যোগই কাজে আসবে না। ডিএসইর ওয়েব সূত্র মতে, গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের শেষ দিন সরকারি ছুটি থাকায় লেনদেন হয়েছে চার দিন। সপ্তাহ শেষে ডিএসইর সাধারণ সূচক কমেছে ৭ দশমিক ৯২ পয়েন্ট এবং লেনদেন কমেছে ২ দশমিক ৫২ শতাংশ। ডিএসইএঙ সূচকও কমেছে ১১ দশমিক ৭০ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৫ পয়েন্ট। মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৭৪০ কোটি ৩ লাখ ৭২ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৭৮৫ কোটি ৬০ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। সপ্তাহ শেষে ডিএসইর লেনদেন হওয়া ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৬টির, কমেছে ২০০টির ও অপরিবর্তিত থাকে ১২টি। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছিল ২৪২টির, কমেছিল ৪৩টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৪টির। সপ্তাহ শে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার: বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ গত ছয় বছরে বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। গত ২০১১-১২ অর্থবছরে দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ২শ’ ৮৪ কোটি ডলার। ২০১০-১১ অর্থবছরে এসেছিল ১ হাজার ১শ’ ৬৫ কোটি ডলার। পাঁচ বছর আগে ২০০৬-০৭ অর্থবছরে এসেছিল ৫শ’ ৯৯ কোটি ডলার। এ বর্ধিত রেমিট্যান্সের ৭০ ভাগই এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। বর্ধিত রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখলেও দেশে-বিদেশে কোথাও শ্রম ও শ্রমবাজারের তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে বিদেশে কাজ করা ও করতে যাওয়াটা এখনো দুঃস্বপ্নের মতোই বিবেচনা করা হয়। চলতি ২০১২-১৩ অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) দেশে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১ হাজার ২শ’ ৩০ কোটি ডলার। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫ দশমিক ৯০ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময় এসেছিল ১ হাজার ৬১ কোটি ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১০.৪৩ শতাংশ। গত পুরো অর্থবছরে রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল মাত্র ১০ দশমিক ২১ শতাংশ। চলতি বছরের প্রথমার্ধে উল্লেখযোগ্য বর্ধিত রেমিট্যান্সের একটা বড় অংশ ব্যয় হয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কুইক রেন্টাল ও এর জ্বালানি খরচ মেটাতে। বাকিটুকু রফতানিতে নিম্ন প্রবৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। গত অর্থবছরে রফতানি প্রবৃদ্ধি কমে মাত্র ৪ দশমিক ১১ শতাংশে নেমে

ঢাকা অফিস:রাজনৈতিক সহিংসতা, হরতাল আর ঘূর্ণিঝড় 'মহাসেন'র প্রভাবে রাজধানীসহ সারাদেশের বাজারে মাছ ও সবজির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে পেঁয়াজের দামও। ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের প্রভাবে সৃষ্ট দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটে। ফলে গত দুই দিন বন্ধ থাকে রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ। বঙ্গোপসাগর থেকে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের প্রভাবে বৃহস্পতিবার সারাদিন রাজধানীতে ছিল অঝোর ধারায় বৃষ্টি। এতে গতকাল শুক্রবার দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পণ্য সরবরাহ কম থাকায় রাজধানীর বাজারগুলোয় ক্রেতাদের সংখ্যা ছিল হাতেগোনা। যারা একান্ত বাধ্য হয়ে বাজার করেছেন তারা আগের সপ্তাহের চেয়ে বেশি দামে সবজিসহ বিভিন্ন কাঁচা বাজারের পণ্য কিনতে বাধ্য হয়েছেন। তবে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায়কয়েকটি সবজির দাম কিছুটা কমেছে। তবে সরবরাহ কমের অজুহাতে মাছের দাম বেড়েছে। একইসঙ্গে মসুর ডালের দামও কেজিতে ১০ টাকা করে বেড়েছে। খাসির মাংস ও ডিমের দাম কমেছে। আর অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। সবজি বিক্রেতারা বলছেন, ঝড়ের কারণে দুই দিন ধরে দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে বিভিন্ন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার: দেশের ডুবন্ত দুই পুঁজি বাজার, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এঙচেঞ্জ গেল সপ্তাহে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এ সময়টাতে দু’বাজারেই বেড়েছে সূচক ও লেনদেন । বেড়েছে কিছু বাজার নিয়ন্ত্রনমূলক তৎপরতাও। পুরো সপ্তাহে হরতাল সহ নানা ধরণের অস্থিতিশীলতা ছিল তুলনামূলক ভাবে কম। এর একটা অনুক্থল প্রভাব ছিল বাজারে। ডিএসই: ১২ মে থেকে ১৬ মে শেষ হওয়া সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে পুরো ৫ দিন। এই সময়ে ডিএসইএঙ সূচক বেড়ছে ৬.০৩ শতাংশ বা ২১৪.৫৩ পয়েন্ট। সাধারণ সূচক বেড়েছে ৬.৪১ শতাংশ বা ২৩৯.৮৬ পয়েন্ট। ডিএসই ৩০ সূচক বেড়েছে ৪.৫৯ শতাংশ বা ৬০.৭৬ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে ডিএসইএঙ সূচক বেড়ছিল ২.৬৩ শতাংশ বা ৯১.০৭ পয়েন্ট। ডিএসই ৩০ সূচক বেড়েছিল ২.৯৫ শতাংশ বা ৩৭.৯৪ পয়েন্ট এবং সাধারণ সূচক বেড়েছিল ২.৩৯ শতাংশ বা ৮৭.৩৬ পয়েন্ট। গত সপ্তাহের শুরুর দিন রবিবার সাধারণ মূল্যসূচক ছিল ৩৭৪২.২১। শেষ দিন বৃহস্পতিবার মূল্য সূচক বেড়ে হয়েছে ৩৯৮২.০৭। আগের সপ্তাহের শুরুর দিন রবিবার সাধারণ মূল্যসূচক ছিল ৩৬৫৪.৮৬। শেষ দিন বৃহস্পতিবার মূল্য সূচক বেড়ে হয়েছিল ৩৭৪২.২১। গত সপ্তাহের ডিএসইতে লেনদেন হওয়া মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২৯৩ টি। এর মধ্যে গড়ে দৈনিক দাম বেড়েছে ২৪২ টির, কমেছে ৪৩ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪৪ টির দাম। ৪ টি প্রতিষ্ঠানের

ঢাকা: সপ্তাহের চতুর্থ কর্মদিন বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উত্থান পতনের মধ্যে দিনের লেনদেন শুরু হয়েছে। গত চার দিন ডিএসইতে সূচক ও লেনদেন দু’টোই উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছিল। দিনের শুরুতে সকাল ১১টায় ডিএসইএঙ সূচক ১৭ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ৩৭৮৮। সাধারণ সূচক ১৭ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ৩৯৭১। এ সময়ে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৮ টির, কমেছে ৭২ টির এবং অপরিবর্তিত আছে ১৪ টির দাম। লেনদেন হয়েছে মোট ৯ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়্যাল ফান্ড। গত মঙ্গলবার মোট লেনদেন হয়েছিল মাত্র ৪২৩ কোটি টাকার।

ঢাকা: সপ্তাহের তৃতীয় কর্মদিন মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এঙচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উর্ধ্বমুখি প্রবণতায় লেনদেন শুরু হয়েছে। এ নিয়ে টানা চতুর্থ দিনের মতো লেনদেনের শুরুতে সূচকের বাড়তি ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সকাল ১০-৫০ মিনিটে ডিএসইএঙ সূচক ২০.৮২ পয়েন্ট বেড়ে ৩৭০০ হয়েছে । অপরদিকে সাধারণ সূচক ২৭.৩৮ পয়েন্ট বেড়ে ৩৯০৩ হয়েছে । এ সময়ে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৫ টির, কমেছে ৩১ টির এবং অপরিবর্তিত আছে ১৭ টির দাম। এ সময় পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে মোট ৩২.৭১ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়্যাল ফান্ড। গত বুধবার মোট লেনদেন হয়েছিল ২৯৫ কোটি টাকার।

ঢাকা: সপ্তাহের প্রথম কর্মদিন রবিবার জামাতের ডাকা হরতালের মধ্যে ঢাকা স্টক এঙচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উর্ধ্বমুখি প্রবণতায় লেনদেন শুরু হয়েছে সকাল ১০-৪৫ মিনিটে ডিএসইএঙ সূচক ২৮.১২ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ৩৫৮৭। সাধারণ সূচক ২২ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ৩৭৬৪। এ সময়ে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৪ টির, কমেছে ১৩ টির এবং অপরিবর্তিত আছে ০৪ টির দাম। লেনদেন হয়েছে মোট ১৫ কোটি ৯১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়্যাল ফান্ড। গত বৃহস্পতি বার মোট লেনদেন হয়েছিল মাত্র ১৬৮ কোটি টাকার।

অর্থনৈতিক রিপোর্টার: দীর্ঘস্থায়ী মন্দায় আক্রান্ত দেশের দুই পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহে সূচক ও লেনদেন সামান্য বেড়েছে। এই সময়টাতে হরতালসহ নানা ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে দেশের দুই পুঁজিবাজারই ছিল (ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এঙচেঞ্জ) নিষ্প্রভ। ৫ মে থেকে ৯ মে শেষ হওয়া সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে পুরো ৫ দিন। এই সময়ে ডিএসইএঙ সূচক বেড়ছে ২.৬৩ শতাংশ বা ৯১.০৭ পয়েন্ট। ডিএসই ৩০ সূচক বেড়েছে ২.৯৫ শতাংশ বা ৩৭.৯৪ পয়েন্ট। সাধারণ সূচক বেড়েছে ২.৩৯ শতাংশ বা ৮৭.৩৬ পয়েন্ট। সপ্তাহের শুরুর দিন রবিবার সাধারণ মূল্য সূচক ছিল ৩৬৫৪.৮৬। শেষ দিন বৃহস্পতিবার মূল্য সূচক বেড়ে হয়েছে ৩৭৪২.২১। আগের সপ্তাহে ডিএসইএঙ সূচক কমেছিল ১.০১ শতাংশ বা ৩৫.৩৮ পয়েন্ট। ডিএসই ৩০ সূচক কমেছিল ১.৮৩ শতাংশ বা ২৩.৯৯ পয়েন্ট। অবশ্য সাধারণ সূচক বেড়েছিল অতি সামান্য ০.০৩ শতাংশ। গত সপ্তাহের ডিএসইতে লেনদেন হওয়া মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২৯৩টি। এর মধ্যে গড়ে দৈনিক দাম বেড়েছে ১৯৭টির, কমেছে ৭৪টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৭টির দাম। ৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো লেনদেন হয়নি। আগের সপ্তাহের ৪ কার্যদিনে ডিএসইতে মোট লেনদেনকৃত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২৯৩টি। এর মধ্যে গড়ে দৈনিক দাম বেড়েছিল ১২১টির, কমেছিল ১৫৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১২টির দাম। ৪টি প্রতিষ্ঠানের কোনো লেনদেন হয়নি।অন্যদিকে গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট টার্নওভার বেড়েছে ৪৬.৯৯ শতাংশ। মোট টার্নওভার বেড়ে হয়েছে ৮১৫ কোটি টাকা। আগের স
বার্তা প্রেরক সৈয়দ নাঈম আহমদ:জমিয়তে উলামা ইউরোপের সভাপতি আল্লামা মুফতি শাহ ছদর উদ্দিন, জমিয়তে উলামা ইউরোপের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা আছগর হুসাইন, জমিয়তে উলামা ইউরোপের জেনারেল সেক্রেটারী মাওলানা শুয়াইব আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সৈয়দ নাঈম আহমদ,ট্রেজারার মাওলানা মাসুদুল হাসান, প্রচার সম্পাদক হাফিজ হুসাইন আহমদ, জমিয়তে উলামা ইউকের সভাপতি মাওলানা শাহ মোহাম্মদ আনাছ, সহ সভাপতি মুফতি সাইফুল ইসলাম, মাওলানা হেলাল উদ্দিন, মুফতি আব্দুল মুনতাকিম, মাওলানা এখলাছুর রহমান বালাগঞ্জি, জেনারেল সেক্রেটারী মাওলানা সৈয়দ তামিম আহমদ, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওলানা আহমদ মাদানি, মাওলানা মুঈনুল হক চৌধুরী, সহ সেক্রেটারী মাওলানা সৈয়দ জুনাইদ আহমদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি শাহ হিফজুল করিম মাশুক, মাওলানা জয়নাল আবেদিন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আশফাক আহমদ, সহ প্রচার সম্পাদক মাওলানা মুখলিছুর রহমান চৌধুরী, প্রশিক্ষন সম্পাদক মাওলানা সৈয়দ তালহা আব্দুল¬াহ, জমিয়তুশ শাবাব ইউকের সভাপতি মাওলানা নাজির উদ্দিন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মুফতি মাওলানা সৈয়দ রিয়াজ আহমদ, অফিস সম্পাদক মাওলানা ফখরুদ্দিন আজ প্রদত্ত এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন শাপলা চত্বরে অবস্থানরত হেফাজতে ইসলামের মুসল্লীদের উপর

ঢাকা: বিএনপিসহ ১৮ দলের ডাকা হরতালের দ্বিতীয় দিন ও সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্রপ্রবণতার মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে। আজ লেনদেন শুরুর প্রথম দেড় ঘণ্টা পর অর্থ্যাৎ বেলা ১২টায় ডিএসই’র সূচক আগের দিনের চেয়ে দুই পয়েন্ট বেড়ে তিন হাজার ৭০৬ পয়েন্টে অবস্থান করে এবং এ সময়ের মধ্যে লেনদেন হয় ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। বৃহস্পতিবার এ সময়ের মধ্যে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২১টির, কমেছে ৭২টির এবং অপরির্বতিত রয়েছে ৪৩টি কোম্পানির শেয়ার। ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। অপরদিকে বৃহস্পতিবার লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো-ইস্টার্ন হাউজিং, ফাস্ট প্রাইম মি.ফান্ড, স্কয়ার ফার্মা, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, তিতাস গ্যাস, আরএন স্পিনিং, অলিম্পিক, ইউনাইটেড এয়ার, সামিট পূর্বাঞ্চল ও অরগান ডেনিম। অন্যদিকে, গতকাল বুধবার ডিএসই’র সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে পাঁচ পয়েন্ট কমে তিন হাজার ৭০৪ পয়েন্টে অবস্থান করে এবং লেনদেন হয় ২০৯ কোটি ৭৮ লাখ ৮৭ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। যা আগের দিনের চেয়ে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ২১ কোটি টাকা।

