সোমবার, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০; ২০ মে ২০১৩;
সর্বশেষ খবর: অন্তর্র্বতী সরকার নিয়ে আলোচনায় রাজি আওয়ামী লীগ       উপদেষ্টা ও স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে খালেদার বৈঠক       অগণতান্ত্রিক এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করুন: মেনন       নিজের সরকারকে ফেসবুকে সার্টিফিকেট মমতার       প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সম্পৃক্ততার বিষয়ে মুখ খোলেননি দুদক চেয়ারম্যান      
মুক্তিযোদ্ধা জিন্নাত হত্যা বখাটে রূপমের মৃত্যুদণ্ড
মুক্তিযোদ্ধা জিন্নাত হত্যা বখাটে রূপমের মৃত্যুদণ্ড

বরিশাল প্রতিনিধি,০৯ আগস্ট:বরিশালে মুক্তিযোদ্ধা স্কুলশিক্ষক জিন্নাত আলী হত্যা মামলার প্রধান আসামি বখাটে রূপম চন্দ্র দেকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় অপর আসামি মনোয়ার হোসেন টাপ্পুকে খালাস দেওয়া হয়েছে। বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক একেএম সলিমুল্লাহ গতকাল বুধবার এ রায় দেন। এ সময় দুই আসামি কাঠগড়ায় ছিলেন।দুপুর আড়াইটার দিকে বিচারক একেএম সলিমুল্লাহ রায় ঘোষণা করেন। এতে বলা হয়, অভিযোগ সন্দেহতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় রূপম চন্দ্র দেকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেওয়া হলো। আসামি পক্ষ এ রায়ের বিরুদ্ধে ৭ কার্য দিবসের মধ্যে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবে। জিন্নাত

আলী হত্যার ঘটনায় গত বছরের ২৬ নভেম্বর তার স্ত্রী শিরীন আক্তার বরিশাল কোতোয়ালি থানায় রূপম ও টাপ্পুর বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত করে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় নিহত জিন্নাত আলীর মেয়ে সুপ্তি বলেন, অব্যাহতি পাওয়া টাপ্পু হত্যাকাণ্ডে পুরোপুরি জড়িত ছিল। রায়ে তারা পুরোপুরি সন্তুষ্ট নয়।
মুক্তিযোদ্ধা জিন্নাত আলী নগরীর সাগরদী এলাকার এ ওয়াহেদ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণিতের শিক্ষক ছিলেন। বরিশাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী মেয়ে সুপ্তি ও স্ত্রীকে নিয়ে তিনি স্কুলের পাশের দালানে ভাড়া থাকতেন। কলেজে আসা-যাওয়ার পথে সুপ্তিকে উত্ত্যক্ত করত নগরীর উত্তরাংশ বাজার রোড এলাকার কৃষ্ণ চন্দ্র দের ছেলে বখাটে ও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রূপম চন্দ্র দে। প্রতিবাদ করায় রূপম তাকে একাধিকবার প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় জিন্নাত আলী কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। ২৫ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টায় বাসার সামনে রূপম ও তার এক সহযোগী জিন্নাত আলীর তলপেটে ছুরিকাঘাত করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। তার চিৎকারে স্ত্রী-মেয়েসহ প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন। তারা তাকে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।


 

সিলেটের আলাপ.কম/আ/আ/ (লেখাটি পড়া হয়েছে ১০০ বার)
Share to Facebook Share to Twitter
CommentAdd Your Comment