বৃহস্পতিবার, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০; ২৩ মে ২০১৩;
সর্বশেষ খবর: বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্পদায়ের খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাত        সবার কাছে গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতেই নির্বাচন হবে: দীপু মনি       রাজধানীতে চার্জার ফ্যান বিস্ফোরণে স্বামী-স্ত্রীসহ দগ্ধ ৫       অ্যামনেস্টির প্রতিবেদন গুরুত্ব বহন করে না: ড. মিজান       আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভের মুখে ২৫ গার্মেন্ট বন্ধ ঘোষণা      
মাহে রমজানে দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতি রোধে হিমসিম খাচ্ছে সরকার ডাঃ আব্দুল আজিজ
মাহে রমজানে দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতি রোধে হিমসিম খাচ্ছে সরকার ডাঃ আব্দুল আজিজ

রমজান পবিত্র মাস। এ মাসে পবিত্র কোরান নাজিল হয়েছে। আল্লাহ পাক রাব্বুল আল আমিন প্রতিটি প্রাপ্ত বয়স্ক মুমেন মুমিনের জন্য রোজা ফরজ করেছেন। আত্নশুদ্ধির মাস রমজান- এছাড়া মাগফেরাত ও মাগফিরাতের মাস এই মাহে রমজান। আমাদের দেশ ব্যতীত পৃথিবীর সব কয়টি দেশে রমজানে নিত্য পূণ্য দ্রব্যাদির মূল্য থাকে সহনশীল পর্যায়ে। কিন্তু রমজান আসলেই আমাদের দেশের অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজার সিন্ডেকেইট করে নিত্য পন্যের দাম বাড়িয়ে দেয় যা পৃথিবীর অন্য কোন দেশে নেই। সরকারী ভাবে ঘোষিত বাজার সিন্ডিকেইট কমিটি থাকা স্বত্বেও কমিটি বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। আমাদের সংবাদ মাধ্যমগুলো বার বার লিখছে যে,  রমজানে ও দ্রব্যমূল্যের অস্থিরতা কাটছে না। তবুও সরকারী ভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত বাজার নিয়ন্ত্রণ কমিটি বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হিমসিম খাচ্ছে। অর্থাৎ আইন আছে কিন্তু আইনের সঠিক প্রয়োগ না থাকায় পবিত্র মাসেও ভোক্তারা অর্থনৈতিক গচ্ছা দিয়ে আসছে। বলেনতো এই জন্য দায়ী কে? এমনিতেই অন্ননোয়নশীল দেশ। আবার বিশ্বায়ন ও মুক্তবাজার অর্থনীতির চাপে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত লোকেরা প্রতিনিয়ত দৈনন্দিন বাজারের উর্ধ্বগতির কবলে অত্যন্ত ক্লায়কেশে দিন গুনে রাত কাটায়। স্বাধীনতাত্তোর এই দেশে ২২টি পরিবার ছিল কোটিপতি এখন কত লক্ষ কোটিপতি  তার কোন সঠিক পরিসংখ্যান সরকারের নিকট আছে কি নয় তাও কিন্তু বলা বাহুল্য। সুতরাং পুজীবাদীদের গেরাকলে পড়ে মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত ও সাধারণ লোকজন তাদের মৌলিক অধিকার হারাচ্ছে। এখন রমজান মাস প্রায় শেষের দিকে চলে আসছে, কিন্ত এই ঈদ বাজার তেমন জমে উঠ্চে না ফলে ভোক্তা ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা সবাই চিন্তা যুক্ত। নাম প্রকাশে অনুচ্ছুক একজন ব্যবসায়ী অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন খুব মন্দা বাজার কি করব ভেবে পাচ্ছি না। বর্তমানে দেশে শতকরা ৬৫ জন লোক দরিদ্র সীমার নিচে বসবাস করছে, অর্থাৎ পূজিবাদীদের আগ্রাসনে ধনীরা ধনী হচ্ছে গরিব আরো গরিব হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)’র মাধ্যমে সরকার রমজান মাসে সারা দেশে পণ্য সরবরাহের ঘোষণা দিলেও সিলেটে কার্যত এর কোন ভূমিকা নেই শুধু নামে মাত্র (টিসিবি) সরকার শ্রম আইন করে একজন শ্রমিকের সর্বনিম্ন মুজরী ২৫০০/- টাকা ধার্য করছে কিন্তু আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় শ্রমিকরা তাদরে নায্য মুজরী পাচ্ছেন না। বিশেষ করে সামনে ঈদ নানান প্রতিকুলতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সাধারণ জনগন খুব হতাশায় দিন গুনছে। কি করে পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদ করবে।

আসুন আমরা সবাই মিলে পবিত্র মাসের উচিলায় গরিব দুঃখী মানুষের পাশে দাড়াই এবং মাহে রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য সকলের নিকট পৌছে দেই।


ডাঃ আব্দুল আজিজ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি
সিলেটের আলাপ।

সিলেটের আলাপ.কম/আ/আ/ (লেখাটি পড়া হয়েছে ৭০ বার)
Share to Facebook Share to Twitter
CommentAdd Your Comment