টিটু: বর্ষ পরিক্রমায় আমাদের মধ্যে আবারও ঘুরে এল শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা ২০১৩। সিলেট বৌদ্ধ সমিতির উদ্যোগে প্রকৃতির বাণী পূণ্যভূমি বৃহত্তর সিলেটের একমাত্র বৌদ্ধ বিহার ‘সিলেট বৌদ্ধ বিহার’ এ আগামী ২৪মে ২০১৩ খ্রি, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০ বাংলা, ২৫৫৭ বুদ্ধাব্দ, রোজ শুক্রবার শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এছাড়া আগামী ২৩শে মে ২০১৩ বিকাল ৩টায় ক্বীন ব্রীজের নিচ হইতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে শান্তি শোভাযাত্রা (র্যালী) অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত মহতী অনুষ্ঠানে সিলেট বিভাগে বসবাসরত সকল বৌদ্ধ নর-নারী সহ সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

ঢাকা : আরবি মাস রজবের চাঁদ দেখা গেছে। শনিবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভায় এ কথা জানানো হয়।সে হিসেবে শনিবারই ছিল জমাদিউস সানি মাসের শেষ দিন। রোববার থেকে শুরু হচ্ছে রজব মাস। আর মাসটির বিশেষ তাৎপর্য হচ্ছে, এ মাসেই ইসলাম ধর্মের মহিমান্বিত রজনী শবে মেরাজ। ৬ জুন পবিত্র শবে মেরাজ পালিত হবে।
ফিরোজ মাহবুব কামালঃ শেষ হয়নি শত্রুর যুদ্ধ শত্রুর যুদ্ধ কখনোই শেষ হয়না। শত্রু শুধু রণাঙ্গন ও কৌশল পাল্টায়।বাংলাদেশের ভারতের যুদ্ধ তাই শেষ হয়নি,তারা শুধু কৌশল পাল্টিয়েছে। যুদ্ধ দুটি ভিন্ন রূপে আসে। কখনো রক্তাক্ষয়ী অস্ত্রযুদ্ধ রূপে। কখনো স্নায়ু যুদ্ধ বা কোল্ড ওয়ার রূপে। অস্ত্রের যুদ্ধটি সীমান্তে হয়। আর স্মায়ুযুদ্ধ বা বুদ্ধিবৃত্তিক যুদ্ধটি হয় দেশের অভ্যন্তরে,এবং ঘরে ঘরে ও রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে।এবং সেটি অবিরাম ভাবে। এ যুদ্ধটি যেহেতু স্নায়ু বা চেতনার রাজ্য জুড়ে হয়,এ যুদ্ধকে তাই স্মায়ুযুদ্ধও বলা হয়।এ যুদ্ধে অস্ত্র রূপে কাজ করে বুদ্ধিবৃত্তি ও শিক্ষাসংস্কৃতি –তাই এটি বুদ্ধিবৃত্তিক বা সাংস্কৃতিক যুদ্ধও।অস্ত্র ব্যবহৃত না হলেও এ যুদ্ধের নাশকতা কম নয়। বিগত একশত বছরে মুসলিম দেশগুলির সবচেয়ে বড় বড় পরাজয়গুলি হয়েছে বুদ্ধিবৃত্তির যুদ্ধে। এবং সে পরাজয়ের ফলে মুসলিম বিশ্বের ভৌগলিক মানচিত্রের সাথে পাল্টে গেছে চেতনা ও সংস্কৃতির মানচিত্রও। এ রণাঙ্গনে জিততে হলে যোদ্ধার বুদ্ধিবৃত্তিক বলটা অপরিহার্য।

ঢাকা : মানুষের মধ্যে নৈতিক গুণাবলী বিকাশের ক্ষেত্রে ধর্মের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মানবতার মুক্তির একমাত্র পাথেয় পবিত্র ধর্ম ইসলামে নৈতিকতাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নৈতিকতার সপক্ষে এবং এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বলতে গিয়ে কোরআনুল হাকিমে বলা হয়েছে- ‘শপথ মানুষের এবং তাঁর, যিনি তাকে সুঠাম করেছেন। অতঃপর তাকে তার সৎকর্ম ও অসৎকর্মের জ্ঞানদান করেছেন। সেই সফলকাম হবে যে নিজকে পবিত্র করবে এবং সে-ই ব্যর্থ হবে যে নিজকে কলুষাচ্ছন্ন করবে।’ (সুরা শামস, আয়াত ৭-১০)।পবিত্র কোরআনে উত্তম নৈতিক মূল্যবোধের সব মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলোক একত্রে সন্নিবেশিত করে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেন- ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা তোমাদের সুবিচার, কল্যাণ কামনা ও আত্মীয়তার বন্ধনকে সুদৃঢ় করার নির্দেশ দেন এবং অন্যায়-অশ্লীলতা, জুলুম ও খোদাদ্রোহিতা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। আল্লাহ তোমাদেরকে নসিহত করেন এই জন্য যে, যাতে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করতে পার।’ (সুরা নাহল, আয়াত - ৯০)

ঢাকা: ১১টি হজ এজেন্সির লাইন্সেস বাতিল এবং ৫টি এজেন্সির বিরুদ্ধে মামলা করেছে সরকার। বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় এ ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। এছাড়াও ৮৬টি এজেন্সিকে বিভিন্ন অংকের টাকা জরিমানা করা হয়েছে।মঙ্গলবার সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে সচিব কাজী হাবিবুল আউয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, এসব এজেন্সি ২০১২ সালে সৌদি আরবের মক্কায়, মদিনায় ও জেদ্দায় বাংলাদেশের বিভিন্ন হজ এজেন্সি দুর্নীতি ও অনিয়ম করেছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে জামানত বাজেয়াপ্তসহ হজ লাইসেন্স বাতিল, জরিমানা এবং ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ও মানবপাচার রোধ আইনের আওতায় মামলা করা হয়েছে।”সচিব বলেন, “তিন লাখ টাকা করে ৩৫টি এজেন্সির জরিমানা করা হয়েছে। দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে ৫১টি হজ এজেন্সির। এ ছাড়া ৩৫টি হজ এজেন্সিকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ১৩৮৯ বছর আগে খ্রিস্টীয় ৬২৪ সনের এ দিনে মক্কার মুশরিকরা মুসলমানদের সঙ্গে তাদের প্রথম সুসংগঠিত যুদ্ধে হেরে গিয়েছিল।
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) মদীনায় হিজরত করার পর তাঁর ওপর এ যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল মক্কার কাফের কুরাইশরা।এ যুদ্ধে মুসলিম মুজাহিদদের সংখ্যা ছিল মাত্র ৩১৩ জন। অন্যদিকে আগ্রাসী মুশরিক বাহিনীর সদস্য ছিলে এক হাজারেরও বেশি। মহান আল্লাহর সহায়তায় কাফির বাহিনীর ৭০ জন মুজাহিদদের হাতে নিহত হয় এবং তাদের ৭০ জন মুসলিম বাহিনীর হাতে বন্দী হয়।অন্যদিকে মুসলিম বাহিনীর ১৪ জন শাহাদত বরণ করেন। মুসলমানদের পক্ষে এই যুদ্ধের প্রধান বীর ছিলেন আমিরুল মু'মিনিন হযরত আলী (আ.)। তিনি একাই ৩৬ জন কাফেরকে হত্যা করেছিলেন যাদের মধ্যে অনেকেই ছিল নেতৃস্থানীয় বা কাফের সর্দার।বহু বছর পরে মুয়াবিয়া হযরত আলী (আ.)'র খেলাফতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলে এক চিঠিতে আমিরুল মু'মিনিন তাকে সতর্ক করে দিয়ে লিখেছিলেন, যে তরবারি দিয়ে আমি তোমার নানা (উতবা), তোমার মামা (ওয়ালিদ) ও ভাই হানজালার ওপর আঘাত হেনেছিলাম (তথা তাদের হত্যা করেছিলাম) সে তরবারি এখনও আমার কাছে আছে।শেরে খোদা বা 'আল্লাহর সিংহ' নামে খ্যাত হযরত আলী (আ.) ছিলেন বিশ্বনবী (সা.)'র চাচাতো ভাই, জামাতা ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের শীর্ষ সদস্য। ইসলামের ইতিহাসের প্রাথমিক যুদ্ধগুলোর বেশিরভাগেরই জয়ের মূল স্থপতি ছিলেন এই মাসুম ইমাম ও খলিফা।

(বার্তা প্রেরক)মুফতী মুহাম্মদ তৈয়্যেব
সর্বসাধারণ মুসল্লীর অবাধ প্রবেশাধিকার না থাকায়বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছেদেশের শীর্ষ মুফতীয়ানে কেরাম এক বিবৃতিতে বলেছেন, বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট বন্ধ করে দেয়ার কারণে মসজিদে মুসল্লীদের অবাধ প্রবেশাধিকারের শর্ত লঙ্ঘন করা হয়েছে, অথচ জুমার নামায সহীহ হওয়ার ক্ষেত্রে শরীয়তের অন্যতম শর্ত হচ্ছে ‘ইযনে আম’ অর্থাৎ সর্বসাধারণ মুসল্লীদের অবাধ প্রবেশাধিকার। সুতরাং কোন মসজিদে ইযনে আম না থাকলে সেই মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করা সহীহ হয় না। ইসলামিক ফাউন্ডেশনেরর কবরপূজারী ডিজি সামীম মোহাম্মদ আফজাল এবং বায়তুল মোকাররমের মাজারপূজারী খতীব প্রফেসর সালাহউদ্দীন জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট তালাবদ্ধের নির্দেশ দিয়ে শরীয়তের এই গুরুত্বপূর্ণ শর্ত লঙ্ঘন করেছেন। এমতাবস্থায় মসজিদের গেট খুলে না দিলে যারা বায়তুল মোকাররমে জুমার নামাজ আদায় করবেন তাদের জুমার নামাজ আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এর সম্পূর্ণ দায়ভার ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ, খতীব এবং সরকারের উপর বর্তাবে।
ঢাকা, ২৬ ফেব্র“য়ারী,২০১৩: আজ বিকেল চারটায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসেরে এক জরুরী বৈঠক দলের নায়েবে আমীর মুফতি মাহফুজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আমীওে মজলিস সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, আল্লাহ ও মহানবী (সাঃ) এর বিরুদ্ধে কটূক্তিকারীদের শাস্তি ফাঁসির আইন প্রণয়ন করতে হবে। ফাঁসির আইন কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। হামলা মামলা দিয়ে আন্দোলন দমানো যাবেনা। প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। তিনি আরো বলেন ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ড সহ্য করা হবেনা। তিনি আরো বলেন, আমাদেও বর্তশান আন্দোলনের সঙ্গে জামায়াত শিবিরের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে কিছু কিছু মিডিয়া এ আন্দোলনকে জামায়াত শিবিরের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলছে। যা জাতির কাম্য নয়। সভায় সরকারের ক্যাডার বাহিনী দিয়ে বিভিন্ন মসজিদেও খতিব ও মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকদের ওপর নির্যাতনের নিন্দা জানানো হয়। এবং অবিলম্বে গ্রেফতারকৃতদের নিঃশর্ত
মাওলানা মুসলেহ উদ্দিনঃ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে ১৯ ফেব্রুয়ারী বাদ আসর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে পূর্ব ঘোষিত নবীজী (সা:), পবিত্র কোরআন, ইসলাম ধর্মের বিভিনড়ব রীতিনীতি নিয়ে ব্লগার রাজিবের কুটুক্তির প্রতিবাদে আয়োজিত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের গুলি, লাঠিচার্জ ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ এবং সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা জালাল উদ্দীন আহমদ, ঢাকা মহানগর সহকারী সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মুমিন সহ খেলাফত মজলিস ও ইসলামী ছাত্র মজলিসের ১৫জন নেতাকর্মী গ্রেফতার ও ৪০জন আহত হওয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য সভাপতি মাওলানা রেজাউল হক, সহ সভাপতি মাওলানা হাসান নূরী চৌধুরী, আলহাজ্ব ইউসুফ আব্দুল্লাহ নজির, মাওলানা আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফয়েজ আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাওলানা আতাউর রহমান, মাওলানা ছালেহ আহমদ হামিদী, মুফতি ছালেহ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা ইকবাল হুসাইন, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা নাজিম উদ্দীন, প্রচার সম্পাদক খতিব মাওলানা তাজুল ইসলাম, সাহিত্য ও সাং¯ˉ‹ৃতি

চট্টগ্রাম ব্যুরো
চট্টগ্রাম: পবিত্র মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক দোয়া মাহফিল চট্টগ্রাম বিজিএমইএ’র আঞ্চলিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক এবং মেহদীবাগ সিডিএ মসজিদের খতিব গিয়াস উদ্দিন তালুকদার।মিলাদে দেয়া বক্তব্যে অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন বলেন,“মানুষের ওপর প্রদত্ত আল্লাহর নেয়ামত সমূহ গণনা করে শেষ করা যাবে না। মানুষের গণনা শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু আল্লাহর নেয়ামত সমূহ শেষ হবে না।তিনি পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সকল ক্ষেত্রে কুরআন এবং সুন্নাহ্র অনুসরণ করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।দোয়া মাহফিলে বিজিএমইএ’র পরিচালকবৃন্দের মধ্যে এ.এম চৌধুরী সেলিম, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, আবদুল ওহাব, সাব্বির মো¯তফা, প্রাক্তন পরিচালক নাসির উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, আ.ন.ম. সাইফুদ্দিন, ধর্ম বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান জনাব সাইফুল্লাহ মনছুর, এমহিকো ফেব্রিক্স প্রা. লি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. এহছানুল হক, এ.আর.এস. এ্যাপারেলস্ লিঃ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস.এম. শফিউল করিম, স্কাই ডাইভার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হালিম দোভাষ, শতাব্দী গার্মেন্টস্ লি.- এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ সাদী সহ চট্টগ্রাম অঞ্চলের তৈরী পোশাক শিল্পের মালিক ও বিজিএমইএ’র কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

