
বিশেষ প্রতিনিধি:বাংলাদেশের বাজারে সমপ্রতি নকিয়া লুমিয়া ৭২০ মোবাইল ফোন সেটের বিক্রি শুরু হয়েছে। উন্নত প্রযুক্তিসমৃদ্ধ এই স্মার্টফোনটি দেখতে ছিমছাম, চকচকে ও সৃদৃশ্য। তবে লুমিয়া ইনোভেশন বা সর্বাধুনিক প্রযুক্তিগত সুবিধাবলী থাকলেও সেই তুলনায় মোবাইল ফোন সেটটির দাম যথেষ্ট সাশ্রয়ী। এটি নকিয়ার উইন্ডোজ ফোন ৮ পোর্টফোলিওকে আরো সমৃদ্ধ করে তুলেছে। বাংলাদেশে নকিয়া ইমার্জিং এশিয়ার কান্ট্রি ম্যানেজার জনাব রাদি আহমেদ চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, ''নকিয়ার সফল কার্যক্রমের নেপথ্যে রয়েছে নিত্যনতুন পণ্য ও সেবা চালু করে গ্রাহক-ভোক্তাদের জীবনে গতিময়তা এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। আজ আমরা নকিয়া লুমিয়া ৭২০ মোবাইল ফোন সেটটি বাজারজাতকরণের মাধ্যমে দেশব্যাপী সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের সেই অঙ্গীকার পালন করেছি।'' তিনি আরো বলেন,''ভোক্তা বা গ্রাহকদের অধিকতর সাশ্রয়ী দামে নিত্যনতুন প্রযুক্তিসমৃদ্ধ পণ্য ব্যবহারের দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা উপহার দিতে পেরে আমরা আনন্দিত।'' মাঝারি দামের নকিয়া লুমিয়া ৭২০ মোবাইল ফোন সেটে উন্নত ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা রয়েছে। ।

ঢাকা: দেশের ভার্চুয়াল জগতে নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে ‘কনটেন্ট ফিল্টারিং’ বা ‘প্রযুক্তি ছাকনি’ ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। তবে এই প্রযুক্তি ছাকনিকে ব্যক্তি ও ইন্টারনেট স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন প্রযুক্তিবিদরা। বিষয়টিকে রাজনৈতিক উদ্বেগের নতুন মাত্রা বলে মনে করছেন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অনেকেই।জানাগেছে, ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়েগুলোতে (আইআইজি) স্থাপন করা হচ্ছে নিয়ন্ত্রণমূলক প্রযুক্তি ‘কনটেন্ট ফিল্টারিং’ বা ‘প্রযুক্তি ছাকনি’। বিদ্যমান ৩৬টি আইআইজিগুলোতে এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংযোজনের পর ওয়েব ইন্টারফেসের মাধ্যমে এর মূল নিয়ন্ত্রণ থাকবে বিটিআরসির প্রধান কার্যালয়ে।বিটিআরসি’র সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয়, সমাজ, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোতে জড়িত ওয়েবসাইটগুলো থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এমন বিষয় সনাক্ত করে তা বন্ধ করে দেয়া হবে। ২৪ ঘণ্টা নজরদারিতে সলিউশনস প্রোভাইডারকেও সার্বক্ষণিক সহায়তা দিতে হবে।

বিশেষ প্রতিনিধিঃ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাইক্রোসফট আয়োজন করে আসছে 'ইমাজিন কাপ' শীর্ষক প্রতিযোগিতা। ১১ বছর ধরে চলমান প্রতিযোগিতাটি এবার তৃতীয়বারের মতো অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার বিশ্ব আসরে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা। ২০১১ সালে প্রথমবারই ১৯০টি দেশের মধ্যে 'পিউপল'স চয়েস' বিভাগে বিশ্বসেরা হয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের তরুণরা। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় মাইক্রোসফট 'ইমাজিন কাপ ২০১৩' এর বাংলাদেশ পবের্র চূড়ান্ত আসর। এই পর্বে ১৩৫৪টি টিমের মধ্যে ১২টি টিম চ’ড়ান্ত পর্যায়ে আসে। তারমধ্যে চারটি টিম ইমাজিন কাপের আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। আগামী ১২ জুলাই রাশিয়ার পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠেয় মাইক্রোসফট ইমাজিন কাপের বিশ্ব আসরে অংশ নিতে পারবে তারা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের আসরে মাইক্রোসফটেরই সকল খরচ বহন করার কথা। মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেই এ বিষয়ে পরিস্কারভাবে বলা হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক পর্যারের আসরে অংশগ্রহণকারী দলের সদস্যরা ও একজন মেন্টরের বিমানভাড়া, আবাসন ও খাবার দাবারের ব্যবস্থা করবে মাইক্রোসফট। গত আসরগুলোতে বিষয়টি মেনে চললেও এবছর কথা রাখছে না মাইক্রোসফট। এ সম্পর্কে মাইক্রোসফট বাংলাদেশের টেকনিক্যাল ইভানজেলিস্ট তানজিব সাকিব বলেন, গতবছর জিপিআইটির সহায়তায় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের সকল খরচ বহন করা হয়। তবে এবছর ¯পন্সর না পাওয়া যাওয়াতে প্রতিযোগিদের সহায়তা করতে পারছে না মাইক্রোসফট। তবে বিজয়ীরা ইচ্ছে করলে নিজের খরচে বা ¯পন্সর জোগাড় করে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে।

ইন্টারনেট থেকে যারা মুভি ডাউনলোড করেন তাদের তো মাথার চুল টেনে ছেড়ার মতো অবস্থা হয় মাঝেমধ্যে। কারণ, ইন্টারনেট স্লো থাকে অথবা ডাউনলোড হয় স্লো ভাবে। এতে ঘন্টাও লেগে যেতে পারে। কখনও তা কয়েক ঘন্টাও লেগে যেতে পারে। এই যাতনা লাঘব করতে ইলেকট্রনিক জায়ান্ট স্যামসাং নিয়ে আসছে একটি প্রযুক্তি। এর নাম দেয়া হয়েছে ফাইভ-জি (পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তির) ওয়ারলেস প্রযুক্তি। এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে যেকেউ মাত্র এক সেকেণ্ডের মধ্যে একটি মুভি ডাউনলোড করতে পারবেন। সোমবার স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স এ ঘোষণা দিয়েছে। এরই মধ্যে তারা এ প্রযুক্তির সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার এ প্রতিষ্ঠান প্রতি সেকেণ্ডে এক গিগাবাইটের চেয়েও বেশি গতিতে ডাটা স্থানান্তরে সহায়তা করবে। তবে এখনই এ প্রযুক্তি বাজারে আসছে না। এ জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুটা সময়। স্যামসাং বলেছে, ২০২০ সালের শুরুর দিকে তারা এ প্রযুক্তির ওয়ারলেস প্রযুক্তি বাজারে ছাড়বে। বর্তমানে কিছু কোম্পানি যে ফোর-জি প্রযুক্তির নেটওয়ার্ক বাজারে ছেড়েছে তার থেকে কয়েক শত গুণ বেশি হবে তাদের প্রযুক্তির গতি। এর ফলে ব্যবহারকারী বিশাল বড় আকারের ফাইল স্থানান্তর করতে পারবেন কোন সীমাবদ্ধতা ছাড়াই। এক বিবৃতিতে তারা বলেছেন, যারা এ প্রযুক্তি ব্যবহার করবেন তারা এর সাহায্যে থ্রি-ডি মুভি, গেমস, ইউএইচডি সমৃদ্ধ উপকরণ ডাউনলোড করতে পারবেন।

ঢাকা: শুক্রবার রাজধানীর বনানীর একটি রেস্টুরেন্টে হতে যাচ্ছে গুগল ম্যাপ নিয়ে আয়োজন ‘গুগল ম্যাপ মেকার ম্যাপআপ’। এই ম্যাপআপ অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র অভিজ্ঞ ম্যাপারদের জন্য সীমাবদ্ধ।আয়োজক কমিটি সূত্রে প্রকাশ, গুগল ম্যাপ এ যাদের এডিট সংখ্যা ৩৫০ এর ওপরে এবং যারা ঢাকা শহরের গুলশান, বনানী, বারিধারা এলাকা এবং উত্তরা, মিরপুর এলাকা ভালোভাবে চেনেন তাদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।অনুষ্ঠানে সর্ব্বোচ্চ ২৫ জন ম্যাপার যোগ দিতে পারবেন। ডিজিটাল ম্যাপিং পদ্ধতি ও ঢাকার ম্যাপকে আরো তথ্যবহুল করার বিষয়ে এখানে আলোচনা হবে।এই ম্যাপ-আপের মূল লক্ষ্য সবাই মিলে একসঙ্গে বেশি করে নতুন স্থান গুগল ম্যাপ এ যোগ করা।গুগল ম্যাপে বিভিন্ন স্থানের তথ্য তুলে ধরতে ম্যাপআপের আয়োজন করা হয়। ম্যাপিং বাংলাদেশ কমিউনিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করছে গুগল বিজনেস গ্রুপ (জিবিজি) ঢাকা।

ডেস্ক রিপোর্ট : পৃথিবীর শীর্ষ হ্যাকার সংগঠন অ্যানোনিমাস বাংলাদেশে বৃহত্তম সাইবার হামলার পরিকল্পনা করেছে। ধর্মকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন এবং হলুদ সাংবাদিকতার কারণেই এই হামলা বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।ইউটিউবে তারা সতর্ক বার্তা হিসেবে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এই হামলায় শর্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশ থেকে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট হ্যাকারস। ইতোমধ্যেই প্রথম বারের মতো ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা ডেইলি স্টার, দৈনিক প্রথম আলো, বাংলা ব্লগ সাইট সামহোয়্যারইন ব্লগসহ কয়েকটি সরকারি সাইট হ্যাক করেছে অ্যানোনিমাস।বাংলাদেশে হামলা করার প্রস্তুতি সম্পর্কে একটি বিস্তারিত ভিডিও বার্তাও প্রকাশ করেছে অ্যানোনিমাস। ভিডিওটি ইউটিউবে দেখুন এখানে। আর যারা বাংলাদেশ থেকে ইউটিউবে ভিডিওটি দেখতে পারছেন না তারা ফেসবুক থেকেই ভিডিওটি দেখতে পাবেন এখানে।

মো. গোলাম মোস্তফা:আপনি কোম্পানির যে কম্পিউটারে বসে ব্রাউজিং করছেন, ই-মেইল চেক করছেন এবং যে ল্যানটি ইন্টারনেটে যুক্ত রয়েছে তা কি আদৌ নিরাপদে রয়েছে? কোনো হ্যাকার দ্বারা কি এটি আক্রান্ত নয়? হয়তো আপনার অজান্তেই প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ ফাইল পড়ছে আপনারই কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানি। যেখানে আমেরিকার আর্মি কিংবা নাসার কম্পিউটার নেটওয়ার্কও হ্যাকারদের হাত থেকে মুক্ত নয়, সেখানে আপনি কি নিশ্চিত আপনার নেটওয়ার্ক একশ’ ভাগ হ্যাকারদের হাত থেকে মুক্ত। তাহলে জেনে নেয়া যাক হ্যাকারদের অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ থেকে রক্ষা পেতে হলে অতি আবশ্যকীয় কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।

ঢাকা: হঠাৎ করেই ইন্টারনেট বিভ্রাটে পড়েছেন দেশের বিটিসিএল ইন্টারনেট গ্রাহকরা। শনিবার দুপুর একটা থেকে সোয়া দুইটা পর্যন্ত এ সমস্যার শিকার হয়েছেন অধিকাংশ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট গ্রাহক।বিটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) মগবাজার এক্সচেঞ্জ বিদ্যুৎবিহীন থাকার কারণে এ সমস্যা হয়েছে।বিটিসিএল থেকে যেসব প্রতিষ্ঠান ব্যান্ডউইথ নিয়ে থাকে সে সব প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা ইন্টারনেট ব্যবহারে সমস্যায় পড়েন।বিটিসিএলের পরিচালক (জনসংযোগ) মীর মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, মগবাজার এলাকায় ডেসা গতকাল বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে সংস্কার কাজ চালায়। ফলে মগবাজার এক্সচেঞ্জও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিহীন ছিল।তিনি জানান, যেসব ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) বিটিসিএল থেকে ব্যান্ডউইথ নিয়ে গ্রাহকদের ইন্টারনেট সেবা দেয়, সেসব প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা সমস্যায় পড়েন।তিনি বলেন, “সোয়া দুইটার পরে ইন্টারনেট স্বাভাবিক হয়ে যায়।”

ডেস্ক নিউজ:সাইবার ক্রাইম দমন, নিয়ন্ত্রণের কোন ব্যবস্থা নেই বাংলাদেশে। এ অপরাধে জড়িত ব্লগার সাইট ও ব্লগারদের চিহ্নিত করারও কোন পথ নেই। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে ডিভাইস সংগ্রহ করা হচ্ছে। এতে খরচ পড়বে পাঁচ কোটি টাকারও বেশি। এই ডিভাইস পরিচালনা ও বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য বিদেশী বিশেষজ্ঞও নিয়োগ দেয়া হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ইলেকট্রনিক সীমাবদ্ধতার কারণে নুরানী চাপা ও বাঁশের কেল্লার প্রচারণা বিটিআরসি বন্ধ করতে পারছে না। গণজাগরণ মঞ্চের সঙ্গে জড়িত গ্রেপ্তারকৃত তিন ব্লগারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রতিষ্ঠা করাও সম্ভব হচ্ছে না। সাইবার ক্রাইমের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করার জন্য গঠিত কমিটি কার্যত এখন অকার্যকর। কমিটির প্রধান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাইন উদ্দিন খন্দকার তাদের সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করেছেন। মানবজমিনকে তিনি বলেন, স্থানীয় কম্পিউটার বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় তারা তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। তবে উন্নতমানের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ছাড়া অপরাধীদের চিহ্নিত ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

