
অফেন্স ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স’ কৌশল গ্রহণ করেছে সরকার। পরমতসহিষ্ণুতা, সমঝোতার বদলে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করছেন মন্ত্রী ও দলের নেতারা। মূলত সংবিধানের দোহাই দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন করার রোডম্যাপ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তারা। বিদেশীরা চাপ দিলে বিরোধী দলের সঙ্গে সংলাপের আগ্রহ দেখালেও নিজ অবস্থান থেকে একচুলও নড়েনি আওয়ামী লীগ। বিশিষ্টজন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের যারা সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা এবং ফর্মুলা দিচ্ছেন; তাদের নানাভাবে অপদস্থ করা হচ্ছে। মন্ত্রী এবং সরকারি দলের নেতারা বিশিষ্টজনদের জনগণের সামনে ‘মেলাইন’ করার চেষ্টা করছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকালও কঠোর ভাষায় নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য ফর্মুলা উপস্থাপনকারীদের কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন। তাদের চরম ব্যর্থ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, উপদেষ্টা হিসেবে একটি নির্বাচন দিতে ব্যর্থ হয়ে আজ যারা ফর্মুলা দিচ্ছে তাদের ছবক আমরা শুনবো

জনগণের চিন্তা চেতনা ধারণ না করা এবং দেশের বিশিষ্টজনদের প্রতি আস্থাহীনতার কারণে বিদেশীদের প্রতি অধিক নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপি। প্রভাবশালী দেশের ওপর নির্ভরশীলতাই দেশের রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে দুই শীর্ষ নেত্রী শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়ার। জিএসপি সুবিধা, শ্রমবাজারসহ নানাবিধ কারণে অনেক আগেই দেশের অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে কূটনীতিকদের নিয়ন্ত্রণে। ক্ষমতাসীন দলের গোয়াতুর্মি আর বিরোধী দলের একগুঁয়েমিতে ‘নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা’ দেখায় দেয়ায় দেশের সাধারণ মানুষ ও বিশিষ্টজনরা দুই দলকে সংলাপে বসার প্রস্তাব দেয়। অনেকেই কিছু ফর্মূলা-রূপরেখা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তাদের প্রস্তাব ও রূপরেখা সরকার প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় ভাবনায় পড়ে যায় প্রভাবশালী দেশ ও আন্তর্জাতিকমহল। কারণ প্রভাবশালী দেশগুলোর স্বাথেই বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা জরুরী। তারা এতোদিন উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় কথা জানিয়ে সংলাপের মাধ্যমে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন নিশ্চিত করে রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংঘাত বন্ধের চাপ দেয়।

যে জাতী যত শিক্ষিত সে জাতী তত উন্নত- এ কথাটি সর্বজন স্বীকার্য সত্য। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কি ভাবে জাতীকে শিক্ষিত করে তোলা যায়-? সাধারণতঃ শিক্ষা বলতে আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কে বুঝি। কিন্তু বর্তমান যুগে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পদ্ধতি শিক্ষার হার বাড়ালেও শিক্ষার প্রকৃত মান বাড়াতে পারেনি। পুর্ব যুগের প্রথম ভাগ পাশ করা একজন লোক এ যুগের এস এস সি পাশ করা ছাত্রের চেয়ে যদি শুদ্ধ ভাবে পত্রিকা পড়তে পারে তবে আপনি কি মনে করেন শিক্ষার মান বেড়েছে? নিশ্চয় না। এর কারণ কি? তা হলে স্কুল কলেজে কি লেখাপড়া শেখানো হচ্ছেনা। নিশ্চিত হচ্ছে। তবে পদ্ধতিটা ভিন্ন। আগে ছিল পাঠদান পদ্ধতি, প্রশ্নোউত্তর পদ্ধতি আর এখন ইয়েছ নট পদ্ধতি। চিন্তা করে মুল বই থেকে উত্তর বের করা আর বৃত্ত ভরাট করা সমান কথা নয়। বর্তমান সৃজনশীল পদ্ধতিতে ছাত্র ছাত্রীরা সাদৃশ্য মুলক প্রশ্নের জবাব দিলেও মুল প্রবন্ধ/গল্পের সারাংশ তারা আদৌ জানেনা। আর জানা দুরের কথা দু চার জন ছাত্র ব্যতিত বেশীর ভাগ ছাত্র ছাত্রীরা পাঠটি সঠিক উচ্চারণ সহ নির্ভুল ভাবে পড়তেও পারেনা। এমন কি যুক্ত বর্ণের বানানেও অনেক হিমশিম খেতে হয়।

আমেরিকার সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক ইন্টারন্যাশনাল হেরাল্ড ট্রিবিউন-এ ১৭ মে প্রকাশিত প্রথম পৃষ্ঠার প্রথম খবর, চার ‘কলাম’ব্যাপী শীর্ষ নাম দিয়ে, ‘স্ক্র্যামবল ফর অলটারনেটিভস টু বাংলাদেশ’ অর্থাৎ ‘বাংলাদেশ ছাড়া অন্য দেশের জন্য হুড়োহুড়ি’। তার পরই ব্যাখ্যা, পশ্চিমা ক্রেতারা তৈরি পোশাক আমদানির জন্য বাংলাদেশ ছাড়া অন্য উৎস খুঁজতে উন্মুখ হয়ে গেছে, ‘রেস’ শুরু করেছে। তার ওপর একটি চার কলামব্যাপী ছবি, একটি বিকল্প উৎস ইন্দোনেশিয়াতে একটি জাতীয় প্রশিক্ষণকেন্দ্রে নারীদের সেলাই শেখানো হচ্ছে। শুধু এই কেন্দ্র থেকেই বছরে ১২ হাজার হবু পোশাককর্মী শিক্ষা গ্রহণ করছেন। অধিকাংশই নারী।আরেকটি খবর। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রদত্ত জিএসপি-সুবিধা প্রত্যাহারের চিন্তা করছে (যদিও সম্প্রতি অন্যথা খবর প্রচারিত হয়েছিল)। পত্রিকাটির তৃতীয় পৃষ্ঠায় আরও বিস্তারিত পাঁচ কলামব্যাপী ছবিসংবলিত খবর। এর বিবরণে আছে কীভাবে ক্রেতারা এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানও বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সাংঘর্ষিক অবস্থা এড়াতে দেশ থেকে সত্বর তাদের ক্রয়কর্ম গুটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। ভবিষ্যৎও তারা আশাপ্রদ মনে করছে না। আরেকটি খবরে ছিল কম্বোডিয়াতে তৈরি পোশাকশিল্প উন্নয়নে সরকারি প্রচেষ্টার কথা।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয়েই শাসক শ্রেণীর দুই প্রধান রাজনৈতিক দল এবং তারা উভয়েই একাধিকবার নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছে। ১৯৯১ সাল থেকে প্রতিবারই এই নির্বাচন হয়েছে কোন না কোন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। এর কারণ ক্ষমতাসীন যে সরকারই হোক, তার প্রতি কারও এমন আস্থা ও বিশ্বাস নেই যে, তারা নিজেদের অধীনে নির্বাচন করলে সে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে। অর্থাৎ এটা কেউই মনে করে না যে, কোন সরকার নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে দেবে। গণতান্ত্রিক রাজনীতির ক্ষেত্রে এটা যে এক গুরুতর, বলা চলে ভয়াবহ সংকট এতে সন্দেহ নেই। এই সংকটের কারণেই বাংলাদেশের বিশেষ পরিস্থিতিতে এমন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজন দেখা দেয়, যারা কোন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষপাতী অথবা তাদের দ্বারা প্রভাবিত হবে না।

যুক্ত রাজ্য বিএনপির নতুন কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে বিএনপি নেতাদের সাথে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু করেছেন বেশ কয়েকজন নেতার সাথে পৃথক পৃথক ভাবে আলোচনা ও হয়েছে l যুক্তরাজ্য বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে কথাবলে নতুন কমিটি গঠনের ও নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য মতামত নিচ্ছেন l কয়েক জন নেতার সাথে এ বিষয়ে কথা বলেছেন l কমিটি গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে শুনে ঝিমিয়ে পড়া নেতা কর্মীদের মনে আসার সঞ্চার হয়েছে চলছে লবিং পাশাপশি চলছে নানা যোগ-বিয়োগের খেলা।বহি:বিশ্বে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রধানতম এ প্রেশারগ্রুপটি এখন স্থগিতাদেশের দোলাচলে আটকে ছিল বহুদিন, নেতৃত্ব শূন্যতা আর কোন্দলের বৃত্তে।মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের অভিযোগ, সাংগঠনিক কার্যক্রমের চেয়ে নেতারা ছিলেন ব্যস্ত পদ-পদবির লড়াই আর আধিপত্যের বলয় বিস্তারে ও নেতৃত্বের লবিং আর কৌশলের খেলায়। গ্রুপের অভ্যন্তরেও চলছে নানা যোগ-বিয়োগের খেলা। সকলের দৃঢ় বিশ্বাস তারেক রহমান স্বশরিরে এখানে আছেন সবকিছু সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল।যুক্তরাজ্য বিএনপির ত্যাগী নিবেদিত স্বচ্ছ ইমেজের নবীন এবং

রাষ্ট্র যেখানে জুলুমের হাতিয়ার
বাংলাদেশে জুলুমের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ও সবচেয়ে বড় হাতিয়ারটি পেশাদার চোর-ডাকাত বা খুনি-সন্ত্রাসীদের সংগঠন নয়। সেটি খোদ রাষ্ট্র। সরকারের পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি নিরস্ত্র মানুষ হত্যায় কতটা নৃশংস ও কতটা বর্বর হতে পারে সেটি তারা ৫ মে রাতে ঢাকার মতিঝিলে অগণিত নিরস্ত্র মানুষ হত্যার মধ্য দিয়ে দেখিয়ে দিল। বাংলাদেশের সব ডাকাত বা সব খুনি-সন্ত্রাসী বিগত পঞ্চাশ বছরে যত মানুষকে হত্যা করতে পারেনি, সেখানে সরকারি এ বাহিনীগুলো তার চেয়ে বেশি মানুষকে একরাতে হত্যা করেছে। বনে-জঙ্গলে মানুষের জীবনের জানমালের নিরাপত্তা থাকে না। কারণ সেখানে চলে পশুর রাজত্ব। সেখানে কোর্টকাচারি থাকে না। পুলিশও থাকে না। খুনের দায়ে বন্য বাঘ-ভালুককে ধরে হাজতে তোলা বা তাদের বিরুদ্ধে বিচার বসানোর রীতিও বনে-জঙ্গলে নেই। পশু তাই অন্যের প্রাণ নাশ করেও হুঙ্কার দিয়ে চলাফেরা করে। একসময় মানবও অসভ্য ছিল। পাহাড়ের গুহায় বা বনে-জঙ্গলে বাস করত এবং বহু মানুষ ন্যাংটা হয়ে চলাফেরা করত। সে সমাজেও আইন-আদালত ও বিচার-আচার ছিল না।

দেশ ভালো পাকিস্তান, নেতা ভালো আইয়ুব খান- অদ্ভুত এই স্লোগানটি দিতেন বঙ্গবন্ধুর আত্মীয় পরিচয়দানকারী এক ভদ্রলোক। সময়টা ছিল ১৯৭২ থেকে ১৯৮০ অবধি। ঘনিষ্ঠরা বলত, তার মাথা খারাপ। দীর্ঘদিন পাবনা মেন্টাল হাসপাতালে চিকিৎসাও নিয়েছেন। মাদারীপুর বাসস্ট্যান্ডের পেছনে ছিল তার বাড়ি। বাড়ি বলতে ছোট একটি টিনের ঘর। চাকরি করতেন জেলা বাস মালিক সমিতির কার্যালয়ে। অবশ্য তাদের ছোট্ট একটি ‘মুড়ির টিন মার্কা’ বাসও ছিল। দুই ভাইকে যৌথভাবে এ বাসটি দান করেছিলেন তাদের আরেক ধনী আত্মীয় নুরু মিয়া। নুরু মিয়া মানে আজকের মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বাবা। এ নিয়ে বিস্তারিত আরও পরে বলছি।

হিটলারের টার্গেট ইহুদি। আমাদের টার্গেট বিরোধী দল আর গরিব শ্রেণী। নিরীহ বাংলাদেশ যে জার্মানি নয় ৪২ বছর ধরেই শাসকেরা তা মানতে রাজি নন। ’৭০-এর ঘূর্ণিঝড়ের পর বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশ আবারো টক অব দ্য ওয়ার্ল্ড। হিটলারের ছিল গ্যাস চেম্বার, আমাদের বেলায় ১৬ কোটি মানুষকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারছে রাজনীতির দাবানল। মাত্র ১৩ দিনের ব্যবধানে ইরাক ম্যাসাকার আর জালিয়ানওয়ালাবাগের মতো বিশেষ শ্রেণীকে টার্গেট করা দু’টি হত্যাকাণ্ড জাতিসঙ্ঘের সংজ্ঞায় গণহত্যা। একটি সরকারের হাতে তিন কিস্তিতে কেন গণহত্যা ঘটল এবং জড়িতদের বিচারের বিষয়টি এখন পর্যন্ত আদালতের নজরে না আসাটা দুঃখজনক। ‘সহিংসতা কাম্য নয়, সংলাপে বসুন?’ কথায় কথায় ড্রোন ফেলে অথচ পশ্চিমা রাষ্ট্রদূতদের চোখের সামনে পরপর দুটো হত্যাকাণ্ড সত্ত্বেও নীরব দর্শকের ভূমিকা যেমন নিন্দনীয় তেমনি মানবাধিকার পরিপন্থী। স্পেকট্রাম ঘটনার পর পশ্চিমারা দায়িত্বশীল হলে পোশাক কারখানায় দুর্ঘটনা ঘটত কি? এরা তো ভালো করেই জানে, বাংলাদেশের আইনহীনতা এবং দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যের কথা। অন্য দিকে মৃত্যু যেন পুতুল পুতুল খেলা মনোভাবের উদাসীন সরকারের উদ্বেগজনক দায়িত্বহীনতা। সাধারণ মানুষের উদাসীনতায় আমরা হতবাক।

ইসলামের চতুর্থ খলিফা হজরত আলী রা:-এর একটি বিখ্যাত উক্তি, ‘কখন বুঝবে একটি দেশ ও সমাজ নষ্ট হয়ে গেছে, যখন দেখবে দরিদ্ররা ধৈর্যহারা হয়ে গেছে, ধনীরা কৃপণ হয়ে গেছে, মূর্খরা মঞ্চে বসে আছে, জ্ঞানীরা পালিয়ে যাচ্ছে এবং শাসকেরা মিথ্যা কথা বলছে।’উসকানিমূলক বক্তব্য দেশের রাজনীতিকে ইতোমধ্যেই সাংঘর্ষিক অবস্থায় নিয়ে গেছে। দায়িত্বশীলদের অবিবেচনা প্রসূত উসকানিমূলক কিছু বক্তব্যের কারণে দেশের ৮৫ শতাংশ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের হৃদয়ে ধীরে ধীরে যে পুঞ্জীভূতক্ষোভের সৃষ্টি, তারই হঠাৎ বিস্ফোরণ হেফাজতে ইসলাম। অনেকেই একে নাস্তিক ব্লগারদের ইসলাম এবং রাসূল সা:-এর বিরুদ্ধে কুৎসার বহিঃপ্রকাশ বলে হালকাভাবে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে থাকেন, তা পুরোপুরি সত্য নয়। ব্রিটিশ আমলে হাজী শরিয়ত উল্লাহ যেসব কারণে ফরায়েজি আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটিয়েছিলেন, অনেকটা সেসব কারণকে উপজীব্য করেই সর্বজন শ্রদ্ধেয় দ্বীনে আলেম আল্লামা আহমদ শফির আজকের এ আন্দোলন।

